http://www.gramerkagoj.com/

আর্কাইভ

ইন্টারনেট ত্রুটির কারণে গ্রামের কাগজ এর ২১ মে অনলাইন প্রকাশনা স্থগিত রয়েছে। সাময়িক এ অসুবিধার জন্যে আমরা আন্তরিকভাবে দুঃখিত। আশা করছি ২২ মে থেকে আবারো ফিরে আসব আপনাদের মাঝে। গ্রামের কাগজের সাথেই থাকুন।

প্রধান সম্পাদক

আসাদ বেহেস্তী
রক্ষা করতে জনগণের
জীবন এবং পণ্য,
মিছিল-মিটিং বন্ধ রবে
একটি মাসের জন্য।
গণতন্ত্রে আছে নাকি
এমন রেওয়াজ বেশতো,
জনমনে এসব কিছুর
থাকবে লেগে রেশতো!

রেল ষ্টেশন নাকি রুপকথা গল্পের ভূতের বাড়ি!
    A+ A A-

মনিরুজ্জামান পলাশ, (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) থেকে : ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিজয়নগর উপজেলার সিঙ্গারবিল রেল ষ্টেশন বর্তমানে বেহাল দশায়। দেখলে মনে হতে পারে এখানে ষ্টেশন নয়, রুপকথার গল্পের একটি ভূতের বাড়ি! হঠাৎ কোন ব্যক্তি যদি এই রেলষ্টেশনের পাশ দিয়ে যাতায়াত করেন তাহলে বুঝতেই পারবেনা এখানে একটি রেল ষ্টেশন রয়েছে। ষ্টেশন মাষ্টারের রুম থাকে সর্বদা তালা ঝুলানো। আর বাকি রুম গুলো জঙ্গলে পরিনত হয়েছে। ষ্টেশনের বারান্দায় থাকে গরুর খড়ের স্থুপ। ষ্টেশনের সামনের দিকে অর্ধেক ভাঙ্গা একটি সাইন বোর্ডে লেখা রয়েছে “ সিঙ্গারবিল ”। পেছনে রয়েছে বাঁশের জঙ্গল। 
স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়, সিঙ্গারবিল রেলওয়ে ষ্টেশনটি বর্তমানে প্রায় পরিতেক্ত। ব্রিটিশ আমলে এখানে ষ্টেশন স্থাপন করার পর এই এলাকার জনগনের যাতাযাতে অনেক সুবিধা ছিল। তারা সহজে এবং স্বল্প খরচে জেলা শহর সহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় যাতায়াত করতে পারত।এলাকার লোকজনের যাতায়াতের সুবিধার্থে স্বাধীনতার পরও ঢাকা-সিলেট ,চট্রগ্রাম - সিলেট যাতায়াত কারী সকল লোকাল ট্রেন এ ষ্টেশনে স্টপেজ ছিল কিন্তু গত এক দশকে লোকাল ট্রেন গুলোর স্টপেজ কমতে থাকায় ষ্টেশনটি ক্রমান্বয়ে পরিতেক্ত হতে চলেছে। এখন শুধু বাল্লা লোকাল ট্রেন এ ষ্টেশনে স্টপেজ দিয়ে থাকে। বাল্লা লোকাল ট্রেনটি ষ্টেশন ত্যাগ করার পরই ষ্টেশন মাস্টারের কাজ শেষ হয়ে যায় তাই তিনি ষ্টেশন তালা দিয়ে চলে যান বলে জানান সিঙ্গারবিলের বাসিন্দারা।
সাধারন জনগনের যাতায়াতে সব চেয়ে নিরাপদ যান হল রেল। বিশ্বের অনন্য দেশের মত বাংলাদেশেও রেলের যাতায়াত আরামদায়ক সাধারন মানুষের কাছে। বিশেষ করে নিম্ন আয়ের মানুষের কাছে রেলে যাতায়াত করা খুবই জনপ্রিয়। সাধারন মানুষের কাছে রেলের কদর থাকলেও স্বাধীনতার পর থেকে রেলের সুযোগ সুবিধা তেমন বৃদ্ধি পায়নি।
কিন্তু বর্তমান সরকার রেলের উন্নয়নে তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে। ফলে মাঝে রেলওয়েকে যোগাযোগ মন্ত্রনালয় থেকে সরকার আলাদা করেছিল রেলওয়ের উন্নয়নের স্বার্থে। কয়েকদিন আগেও বর্তমান রেল মন্ত্রনালয়ে দায়িত্ব প্রাপ্ত মন্ত্রী চট্রগ্রামে যাত্রা বলেছেন দেশের আরও ১৫০ টি রেলওয়ে ষ্টেশন সচল করা হবে। তাই সিঙ্গারবিল বাসি আশায় বুক বেঁধে আছেন দেশের অন্যান্য ষ্টেশন গুলোর মত তাদের এই ষ্টেশনটি আবার প্রান ফিরে পেয়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও উন্নতি করবে।

সারাদেশ -এর সকল খবর