http://www.gramerkagoj.com/

আর্কাইভ

আসাদ বেহেস্তী
রক্ষা করতে জনগণের
জীবন এবং পণ্য,
মিছিল-মিটিং বন্ধ রবে
একটি মাসের জন্য।
গণতন্ত্রে আছে নাকি
এমন রেওয়াজ বেশতো,
জনমনে এসব কিছুর
থাকবে লেগে রেশতো!

মৌলভীবাজার সোনালী ব্যাংক প্রধান শাখায় রেমিটেন্সের টাকা পেতে জন দুর্ভোগ
    A+ A A-

মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধি : মৌলভীবাজার সোনালী ব্যাংক প্রধান শাখায় রেমিটেন্সের টাকা উত্তোলন করতে গিয়ে লোকজনকে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে । জানা যায়, বিগত প্রায় ৬ মাস যাবত লোকজনকে এই দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে । বিদেশ থেকে পাঠানো টাকা উত্তোলন করতে গেলে পিন কোড নিয়ে কম্পিউটারে ঘন্টাখানেক ঘাটাঘাটির পর জানানো হয় এখানে হবেনা মহিলা শাখায় যাবার জন্য । সেখানে গেলে টাকা পাওয়া গেলেও সময় নষ্ট হয় অনেক । এব্যাপারে গতকাল বুধবার সোনালী ব্যাংক মৌলভীবাজার প্রধান শাখার ভারপ্রাপ্ত ম্যানেজারের সাথে টেলিফোনে আলাপকালে তিনি এ প্রতিনিধিকে জানান, আরএমএস নেটের সমস্যার জন্য মাঝে মধ্যে সমস্যায় পড়তে হয় এবং নেট না থাকায় মেসেজ ডাউনলোড করা সম্ভব হয়না। একজন গ্রাহক জানান, তিনি টাকা উত্তোলনের জন্য গেলে কম্পিউটারে সমস্যা বলে তাকে মহিলা শাখায় যাবার পরামর্শ দেয়া হয় । কিন্তু সরকারী ও বেসরকারী ব্যাংকের যে কোন শাখায় রেমিটেন্সের টাকা উত্তোলনে কোন সমস্যা হয়না বা সময়ক্ষেপন করতে হয়না । একটি সূত্র জানায়, সোনালী ব্যাংকের পুরাতন ভবন ভেঙ্গে নতুন করে ভবন নিমার্ণের জন্য ব্যক্তি মালিকানাধীন একটি বহুতল ভবনের আন্ডারগ্রাউন্ড ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে সেখানে প্রধান শাখা স্থানান্তর করা হয়। আন্ডারগ্রাউন্ড ফ্ল্যাট ভাড়া নেয়ার সময় তৎকালীন এজিএম ওয়াহিদুজ্জামান সজল নিয়মনীতির প্রতি কোন তোয়াক্কা করেননি । মৌলভীবাজার জেলার সকল ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণকারী ব্যাংক সোনালী ব্যাংকের প্রধান শাখা হবার ফলে সবসময়ই লোক সমাগম বেশী থাকে । আন্ডার গ্রাউন্ডে ব্যাংক হবার ফলে মোবাইল নেটের সমস্যসহ নির্মল বায়ু সমস্যাও রয়েছে । নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা জানান, আন্ডার গ্রাউন্ডে অফিস ও ভল্ট হবার কারণে মজুত টাকা স্যাঁতস্যাঁতে হয়ে পড়ে। রেমিটেন্সের টাকা প্রদানে লোকজনকে দুর্ভোগ পোহাতে হলে সোনালী ব্যাংক থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবে প্রবাসীরা। এই সৃষ্ট সমস্যার দায় কি নেবেন সদ্য ষ্ট্যান্ড রিলিজ হওয়া এজিএম ওয়াহিদুজ্জামান সজল ? এব্যাপারে কর্তৃপক্ষের নেকনজর দেয়া প্রয়োজন ।

সারাদেশ -এর সকল খবর