http://www.gramerkagoj.com/

আর্কাইভ

আসাদ বেহেস্তী
মানুষ মারার রাজনীতিতে
নেইতো কোনো দর্শন,
কিংবা গাড়ি ভাঙ্গা এবং
গুলি-বোমা বর্ষণ।
তবু যারা মানুষ মারে
চলে মহান নীতিতে,
তাদের দলে আমিতো নেই
কোনো রকম প্রীতিতে!

চকরিয়ার গহীণ অরণ্যে বন্য হাতিকে গুলি করে হত্যা
    A+ A A-

চঞ্চল দাশগুপ্ত, কক্সবাজার প্রতিনিধি : কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার উত্তর বনবিভাগের ফাঁসিয়াখালী রেঞ্জের নিয়ন্ত্রণাধীন নববিলা বনবিটের হাইত্যারঘোনা নামক গহীণ অরণ্যে একটি বন্যহাতিকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। 
ওই হাতিটির আক্রমণে অতিষ্ট হয়ে উঠা লোকজন হাতিটিকে গত ১০মে ভোররাতে গুলি করে হত্যা করে।তবে বনবিভাগ দাবি করেছে, হাতিটি বার্ধক্যজনিত কারণেই মারা গেছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বনবিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা দায় এড়ানোর জন্য উপজেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তাকে (ভেটেরিনারী সার্জন) ম্যানেজ করে অনেকটা গোপনেই হাতিটির ময়নাতদন্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছে।
ময়না তদন্তে ওই হাতিটি বার্ধক্যজনিত কারণেই মারা গেছে এবং হাতিটি বয়স আনুমানিক ৭০ থেকে ৮০ বছরের মধ্যে হবে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ধরণের হাতির মৃত্যু হলে আগে থেকে সংশ্লিষ্ট সকলকে এবং উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করারও নিয়ম রয়েছে। কিন্তু বিষয়টি সংবাদকর্মী থেকে শুরু করে কাউকে আগে থেকে জানানো হয়নি।
হাইত্যারঘোনা এলাকার বেশ কয়েকজন বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, দীর্ঘদিন ধরে ৫০ বছর বয়সী মাদি হাতিটি খাবারের সন্ধানে এসে লোকালয়ে তান্ডব চালিয়ে আসছিল।
ওই হাতির আক্রমণে শুধু গত তিনমাসে মহিলা ও শিশুসহ পাঁচজন লোক মারা গেছে। এ সময় নষ্ট করেছে অসংখ্য বাড়িঘর ও ক্ষেতের ফসল।
তারা দাবি করেন, একইভাবে গত ১০ মে ভোররাতে খাবারের সন্ধানে এসে হাতিটি বোরো ধান ক্ষেতে আক্রমণ চালায়। এই খবর বনবিভাগকে জানানো হলেও বনবিভাগের কেউই সেদিন আসেননি।তাই ক্ষুদ্ধ লোকজন হাতিটিকে গুলি করে হত্যা করে।এরপর দুর্বৃত্তরা ওই হাতির দাতসহ মূল্যবান বস্তু কেটে নিয়ে যায়।
এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে নলবিলা বনবিট কর্মকর্তা নেজামত উল্লাহ দাবি করেন, হাতিটি বার্ধক্যজনিত কারণেই মারা গেছে। যেইদিনই হাতিটি মারা গেছে সেইদিনই উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তাকে এনে ময়নাতদন্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে।তবে হাতিটির দাতসহ মূল্যবান বস্তু কি-করা হয়েছে জানতে চাইলে তিনি বিষয়টি কৌশলে এড়িয়ে যান।
এ ব্যাপারে জানার জন্য যোগাযোগ করা হয় চকরিয়া উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (ভেটেরিনারী সার্জন) জুলহাস আহমেদ খাঁনের সাথে।কিন্তু এই কর্মকর্তার ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরে অসংখ্যবার চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

সারাদেশ -এর সকল খবর