
ইন্টারনেট ত্রুটির কারণে গ্রামের কাগজ এর ২১ মে অনলাইন প্রকাশনা স্থগিত রয়েছে। সাময়িক এ অসুবিধার জন্যে আমরা আন্তরিকভাবে দুঃখিত। আশা করছি ২২ মে থেকে আবারো ফিরে আসব আপনাদের মাঝে। গ্রামের কাগজের সাথেই থাকুন।
প্রধান সম্পাদক


আসাদ বেহেস্তী
রক্ষা করতে জনগণের
জীবন এবং পণ্য,
মিছিল-মিটিং বন্ধ রবে
একটি মাসের জন্য।
গণতন্ত্রে আছে নাকি
এমন রেওয়াজ বেশতো,
জনমনে এসব কিছুর
থাকবে লেগে রেশতো!
প্রকৃতি আজ আর স্বাভাবিক পরিবেশে নেই। বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি পেয়েছে, বায়ু দূষণের মাত্রা বেড়ে গেছে, বাতাসে কার্বনের পরিমাণ বেড়ে গেছে। বিভিন্ন জটিলতায় বিশ্ব বসবাসের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে এসব মোকাবেলা করা আমাদের জন্য কষ্টকর হয়ে দাঁড়িয়েছে। সর্বোপরি আমাদের অসাবধানতাও এক্ষেত্রে দেশে পরিবেশ বিপর্যয়ে ভূমিকা রাখছে। আমাদের মতো দায়িত্বজ্ঞানহীন কিছু মানুষের কৃতকর্মের ফলে পৃথিবী নামক ছোট্ট এই গ্রহটি আজ রীতিমতো অসুস্থ। ফলে ভেঙ্গে পড়ছে তার খাদ্যশৃঙ্খলও। অসংগতি এসেছে বাস্তুতন্ত্রে। প্রকৃতির স্বাভাবিক পরিবেশ পাল্টে যাচ্ছে প্রতিনিয়ত। বরফ যাচ্ছে গলে, সমুদ্র উঠছে ফেঁপে। বৈশ্বিক উষ্ণায়নের এই প্রবল অভিঘাতে মানব সভ্যতা আজ ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে উপনীত হয়েছে। এই ভয়াবহতাগুলোকে সামনে রেখেই জাতিসংঘ হাজির হয়েছে ‘সবুজ অর্থনীতি’ নামক ধারণা নিয়ে। পাঁচ জুন পালিত হলো বিশ্ব পরিবেশ দিবস।
আমরা আমাদের চিন্তা-চেতনায়, বিশ্বাসে এবং কর্মে পরিবেশগত ভারসাম্যের সঙ্গে উন্নয়নের যোগসূত্র স্থাপন করতে পারলেই সবুজ অর্থনীতির গর্বিত অংশীদার হতে পারবো। আমরা যদি একটু ভাবি যে, জীবনে তো অনেক গাছ নিধন করেছি কিন্তু নিজ হাতে কয়টি গাছ লাগিয়েছি? বাসায় কতটুকু পানির অপচয় হয়? প্রয়োজনের অতিরিক্ত কয়টি বাতি জ্বালিয়ে রাখি? এগুলো ভাবলেই সহজভাবেই বোধগম্য যে আমরা কীভাবে নিজেদের ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছি। পৃথিবীকে সুন্দর রাখা আমাদের দায়িত্ব। নিশ্চয়ই আমরা দায়িত্ব পালনে ভুল করব না।

