শুক্রবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২১
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল
ছুটির দিনে চাকরিজীবীদের ভিড়
মিনা বিশ্বাস :
Published : Sunday, 26 May, 2019 at 6:18 AM
ছুটির দিনে চাকরিজীবীদের ভিড়নাগরিক জীবনের শত ব্যস্ততার মাঝে একটু ফুরসত পাওয়া বেশ কঠিন। চাইলেই মেলেনা অবসর। পছন্দের পোশাকটি বা উৎসবে প্রয়োজনীয় জিনিসটি  কেনাকাটার জন্যে দরকার পড়ে একটু বাড়তি সময়ের। কিন্তু অফিস আদালতের কড়া রুটিনের বাইরে করা হয়ে ওঠেনা অনেক জরুরি কাজও। তাই অনেকের কাছে ছুটির দিনটি হয়ে ওঠে জরুরি কাজ সেরে নেয়ার দিন। ঈদের বাকি আর সপ্তাহ দেড়েক। নিজের এবং পরিবারের, সেই সঙ্গে প্রিয়জনদের জন্যে এ সময়ের মধ্যে সেরে ফেলতে হবে সমস্ত কেনাকাটা। যশোরের ঈদ বাজারে তাই শুক্র ও শনিবার এ দু’দিন ছিল ক্রেতাদের বাড়তি ভিড় এবং ব্যস্ততা।  
কেনাকাটার জন্যে অফিসগামীদের ছুটির দিনই ভরসা। ছুটির দু’টি দিন পরিবার পরিজনদের নিয়ে তাই অনেকেই জরুরি কেনাকাটায় বের হন। এসময়ে ঈদের কেনাকাটা যেন ভিন্ন মাত্রা পায়। সপ্তাহের ছুটির দিন শুক্রবার এবং শনিবার এমন চিত্রই দেখা গেছে যশোরের ঈদ বাজারে। শহরের বিপণীবিতানের সর্বত্রই ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। বেচাকেনা ছিল অন্যদিনের তুলনায় বেশি। গত দিনের বৃষ্টির কারণে গরম খানিকটা কম হওয়ায়, আবহাওয়ায় অনুকূল থাকায় শনিবার সকাল থেকে রাত সারাদিনই বিপণীবিতানগুলোতে ভিড় ছিল অন্যদিনের তুলনায় বেশি। কালেক্টরেট মার্কেটের ফাইভ ব্রাদার্স শোরুমের বিক্রেতা রকিবুল ইসলাম বলেন, ছুটির দিনে বেচাকেনা ভালো হয়। কারণ চাকরিজীবী ক্রেতারা তাদের যা প্রয়োজনীয় জিনিস তা এসময়ে কিনে থাকেন। তবে, গতবারের তুলনায় বিক্রি এখনও সেভাবে জমে ওঠেনি। ২০ রোজার পর সাধারণত ভিড়টা বাড়ে। এবারেও হয়তো তাই হবে। অন্যদিকে শহরের অভিজাত শপিং মল জেস টাওয়ারের ‘দেখা’ শোরুমের স্বত্ত্বাধিকারী পান্নালাল দে বলেন, মূলত ঈদের কেনাকাটা জমে ওঠে চাকরিজীবীদের বেতন বোনাসের ওপর। সব বছরই এমনটাই হয়। তাই এবারেও তাই হবে। এখন যদিও অনেকেই কেনাকাটা করছেন, তবে মূল কেনাকাটা শুরু হয় চাকরিজীবীদের বেতন বোনাস পাওয়ার পর। তাই ছুটির দিনে শপিং মলগুলোতে তাদের ভিড় বাড়ে। শহরের কাজিপাড়া এলাকার সুমনা চৌধুরী চাকরিজীবী। তিনি বলেন, কেনাকাটার সময় খুব একটা পাই না। সারা বছরই ছুটির দিনে কেনাকাটা করি। দু’দিন ছুটি থাকায় ঈদের কেনাকাটা করতে এসেছি। পরিবারের সবার কেনাকাটা শেষ করেছি দু’দিন ধরে। ভালো ভালো শাড়ি এসেছে বাজারে, আজ নিজের জন্যে শাড়ি কিনবো। সিটি প্লাজার অধরা শোরুমের বিক্রেতা ইসমাঈল বলেন, স্বাভাবিকভাবে অন্যদিনের তুলনায় ছুটির দিনে ক্রেতারা কেনাকাটা করেন বেশি। কারণ চাকরিজীবীরা এ দুই দিনে একটু সময় পান। তাই ছুটির দিন দু’টিতে আমাদের বিক্রিও বেশি হয়। সিটি প্লাজার তানিশা ফ্যাশনের স্বত্ত্বাধিকারী সুমন হোসেন বলেন, আমরা ছুটির দিনগুলোতে ভালো বিক্রির আশা করি। কারণ এ দুটি দিন ক্রেতারা দোকানে বেশি আসেন, আমাদের বিক্রিও ভালো হয়। ক্রেতা আবুল হোসেন বলেন, ছুটির দিনে সাধারণত কেনাকাটা করতে বের হই। পরিবারের সবার কেনাকাটা প্রায় শেষ। আর যা বাকি আছে তা আজকের মধ্যেই শেষ করে ফেলবো। কারণ ঈদের আর সপ্তাহ দেড়েক বাকি আছে এরমধ্যেই সব কেনাকাটা শেষ করতে হবে। ক্রেতা সবুজ হোসেন বলেন, আমাদের মতো যারা ব্যস্ত মানুষ। অফিস আদালত করতে হয়। তাদের ছুটির দিন ছাড়া আর উপায় কী! তাই এসময়েই কিনতে হয়। 



সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft