শনিবার, ২৭ নভেম্বর, ২০২১
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল
৭ দিনের রিমান্ড আবেদন
স্ত্রী খুনে অ্যাডভোকেট আমিরকে চালান
অভিজিৎ ব্যানার্জী :
Published : Thursday, 7 November, 2019 at 6:24 AM
স্ত্রী খুনে অ্যাডভোকেট আমিরকে চালানপুলিশের নানা নাটকীয়তার পর অবেশেষে আটক দেখানো হয়েছে মোস্ট ওয়ান্টেড অ্যাডভোকেট আমির হোসেনকে। টাকা নিয়ে তার সব দৌড়ঝাঁপ বিফলে গেছে। স্ত্রী হত্যায় অভিযুক্ত আমির হোসেনকে গতকাল সকাল সাড়ে ১০ টায় যশোর শহরের দড়াটানা থেকে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তদন্ত কর্মকর্তা। তার ৭ দিনের রিমান্ড চেয়ে চালান দেয়া হয়েছে।
আটক হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেছে নিহতের পরিবার।
৩ লাখ টাকা যৌতুকের দাবিতে একাধিক বিয়ের নায়ক ও একাধিক মামলার আসামি বহুবিতর্কিত ডহেরপাড়ার অ্যাডভোকেট আমির হোসেন স্ত্রী সালেহা আক্তার সোনিয়াকে পিটিয়ে হত্যা করেছেন বলে অভিযোগ তোলেন এলাকাবাসী ও পরিবারের সদস্যরা। গত ৩ নভেম্বর সোনিয়ার বাবা সিরাজুল ইসলাম মামলা দিলে অফিসার ইনচার্জ মনিরুজ্জামানের সার্বিক দিক নির্দেশনায় জোরালো আটক অভিযান শুরু হয়। বিশেষ করে থানার ইন্সপেক্টর তদন্ত শেখ তাসমীম আলমসহ আরো কয়েকটি টিম মাঠে নামে। আর ৫ নভেম্বর সন্ধ্যা থেকে গোটা শহরে জোরালোভাবে আলোচনা হয় পাকড়াও হয়েছে মোস্ট ওয়ান্টেড অ্যাডভোকেট আমির হোসেন। ওই দিন সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টার পর থেকে পত্রিকা দপ্তরে ফোন করে একাধিক ব্যক্তি জানান আটকের ওই তথ্য। রাত ৮টা ১ মিনিটে থানার ডিউটি অফিসারকে ফোন দিলে তিনিও আটকের সত্যতা স্বীকার করেন। কিন্তু সিনিয়র কয়েক অফিসার এই আটক নিয়ে নানা নাটকীয়তার আশ্রয় নেন। ভালো একটি অ্যাচিপমেন্ট অজ্ঞাত কারণে চেপে যাওয়ার চেষ্টা করেন। ৫ নভেম্বর রাত ১০ টার পরে থানার অফিসার ইনচার্জের সাথে কথা বললে তিনি জানান অ্যাডভোকেট আমির আটক হয়নি। আটকের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। যদিও কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী গত পরশু সন্ধ্যায় গ্রামের কাগজকে জানিয়েছিলেন আইনজীবী সমিতি ভবন এলাকার একটি ফটোস্ট্যাট দোকানের সামনে থেকে শামীম নামে একজন অফিসার ও কয়েক ফোর্স আমিরকে আটক করেন। যাহোক ৫ নভেম্বর পুলিশ তাকে আটক না দেখালেও ৬ নভেম্বর জানিয়েছে, যশোরের দড়াটানা থেকে এদিন সকালে তাকে আটক করা হয়েছে।
তদন্ত কর্মকর্তা ইন্সপেক্টর তদন্ত শেখ তাসমীম আলম গ্রামের কাগজকে জানিয়েছেন, দড়াটানা থেকে তিনি নিজে ও এসআই নূর অভিযান পরিচালনা করে আইনজীবী আমির হোসেনকে আটক করেন। অ্যাডভোকেট আমিরকে ৭ দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে চালান দেয়া হয়েছে। আদালত তাকে জেল হাজতে পাঠিয়েছে। আগামী রোববার  রিমান্ড শুনানী হতে পারে।
ওসি মনিরুজ্জামান জানান, ঘটনার পর থেকেই আমির পলাতক ছিলো। তাকে আটক করতে কৌশলী অভিযান পরিচালনা করা হয়। অতিরিক্ত সোর্স লাগিয়ে ধরা হয়েছে তাকে। তার রিমান্ড মঞ্জুর হলে সোনিয়ার মৃত্যুরহস্য পরিষ্কার হবে। 



সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft