শনিবার, ০৮ মে, ২০২১
অর্থকড়ি
বাজারে ডলার সংকট, বাড়ছে দাম
অর্থকড়ি ডেস্ক :
Published : Tuesday, 21 April, 2020 at 7:38 PM
বাজারে ডলার সংকট, বাড়ছে দামমহামারি করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে প্রায় বন্ধ রফতানি কার্যক্রম। আসছে না প্রবাসীদের রেমিট্যান্স। যে কারণে দেশের বাজারে মার্কিন ডলারের সংকট সৃষ্টি হয়েছে; বাড়ছে দাম। ফলে আমদানি দায় পরিশোধে বাড়তি মূল্যে কিনতে হচ্ছে ডলার। এতে বিপাকে পড়েছেন শিল্পের কাঁচামাল আমদানিকারকরা।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, চলতি অর্থবছরের শুরু থেকে রফতানি কম। করোনাভাইরাসের কারণে এখন রফতানি নেই বললেই চলে। অন্যদিকে রেমিট্যান্সপ্রবাহও কমে গেছে। কিন্তু পরিশোধ করতে হচ্ছে আমদানি ব্যয়। কারণ যেসব আমদানি এলসি আগে করা হয়েছিল সেগুলো এখন নিষ্পত্তি করতে হচ্ছে। ফলে বাজারে ডলারের সংকট সৃষ্টি হয়েছে। এতে অনেক ব্যাংক আমদানি ব্যয় মেটাতে হিমশিম খাচ্ছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, এখন আন্তঃব্যাক রেটে ডলারের দাম ৮৪ টাকা ৯৫ পয়সা। তবে বাজারের বাস্তবতা ভিন্ন। বেশকিছু ব্যাংক ডলার সংকটের কারণে পণ্য আমদানি দায় পরিশোধে ডলারের মূল্য নিচ্ছে সাড়ে ৮৬ থেকে ৮৭ টাকা। খুচরা পর্যায় দাম আরও বেশি। কোনো কোনো ব্যাংক খুচরা ডলার বিক্রি করছে ৮৮ থেকে সাড়ে ৮৮ টাকা পর্যন্ত, যা এ যাবৎকালে সর্বোচ্চ।
এদিকে ডলারের এ সংকটকালে আমদানি কার্যক্রম অব্যাহত রাখা ও ডলারের সরবরাহ নিশ্চিত করতে ডলার বিক্রি করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। জানা গেছে, করোনাভাইরাসের এ চলমান পরিস্থিতিতে বিভিন্ন জায়গায় লকডাউন ও সাধারণ ছুটির সময় বাণিজ্যিক ব্যাংকের কাছে প্রায় ২০ কোটি ডলারের মতো বিক্রি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
এ বিষয়ে বেসরকারি মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী সৈয়দ মাহবুবুর রহমান বলেন, করোনাভাইরাসের কারণে পুরো বিশ্বই এখন অচল। রেমিট্যান্স আসছে কম। রফতানিও অনেক কমে গেছে। কিন্তু আগের আমদানির দায় পরিশোধ করতে হচ্ছে। তাই বাজারে ডলারের কিছুটা সংকট রয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক ডলার বিক্রি করে কিছু সরবরাহ বাড়িয়েছে। রফতানি-রেমিট্যান্সপ্রবাহ স্বাভাবিক না হওয়ার পর্যন্ত এ অবস্থার উন্নতি হবে না।
রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি (২০১৯-২০) অর্থবছরের ৯ মাস (জুলাই-মার্চ) শেষে রফতানি আয় দাঁড়িয়েছে দুই হাজার ৮৯৭ কোটি ডলার। এই আয় আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৬ দশমিক ২৪ শতাংশ কম।
একক মাস হিসেবে মার্চে রফতানি আয় হয়েছে ২৭৩ কোটি ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৮ দশমিক ২৯ শতাংশ কম।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের মার্চে দেশে যে পরিমাণ রেমিট্যান্স এসেছে তা গত ১৫ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন। এর আগে গত বছরের ডিসেম্বরে ১২০ কোটি ৬৯ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স এসেছিল।
মার্চে রেমিট্যান্স এসেছে ১২৮ কোটি ৬৮ লাখ ডলার, যা গত বছরের মার্চ মাসের চেয়ে ১৩ দশমিক ৩৪ শতাংশ কম। গত বছর একই সময় দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৪৫ কোটি ৮৫ লাখ ডলার।
এদিকে মার্চের আগের মাস ফেব্রুয়ারির তুলনায়ও রেমিট্যান্স ১২ দশমিক ৮৪ শতাংশ কমেছে। ফেব্রুয়ারিতে দেশে রেমিট্যান্স আসে ১৪৫ কোটি ২২ লাখ ডলার।
সবশেষ ২৪ মার্চ পর্যন্ত দেশে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের পরিমাণ তিন হাজার ১৬৭ কোটি ডলার। এর আগে ২০১৭ সালের জুনে সর্বোচ্চ তিন হাজার ৩০০ কোটি ডলার রিজার্ভ অতিক্রম করেছিল।




সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft