মঙ্গলবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২১
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল
যবিপ্রবির পরীক্ষায় ১২ জন পজিটিভ
কাগজ সংবাদ :
Published : Thursday, 14 May, 2020 at 12:49 AM
যবিপ্রবির পরীক্ষায় ১২ জন পজিটিভযশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) ল্যাবে নমুনা পরীক্ষায় চার জেলার আরও ১২ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। মঙ্গলবার পরীক্ষার পর বুধবার এ ফলাফল জানানো হয়।
এদিন চার জেলার ৩৯ জনের নমুনা পরীক্ষা করে এই ১২ জনের করোনা পজিটিভ ধরা পড়ে। এর মধ্যে যশোর জেলার চার টি ফলোআপ নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। বাকি ২৭টি নমুনা নেগেটিভ পাওয়া যায়। নতুন আক্রান্তদের মধ্যে যশোর ও চুয়াডাঙ্গা জেলায় এক জন করে এবং মাগুরার চার জন ও ঝিনাইদহের দুই জন রোগী রয়েছে।
এ নিয়ে যবিপ্রবির জিনোম সেন্টারে ১৮ দিনে ১৮৪ জন করোনা রোগী শনাক্ত হলো।
যবিপ্রবি জিনোম সেন্টারের সহযোগী পরিচালক ও অনুজীব বিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. ইকবাল কবীর জাহিদ জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের ল্যাবে চার জেলার ৩৯জনের নমুনা পরীক্ষা করে ১২ জন করোনা পজিটিভ রোগী শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে যশোর জেলার ১৩টি নমুনা পরীক্ষা করে নতুন এক জন ও চার জনসহ মোট পাঁচ জন করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয়েছে। চুয়াডাঙ্গার চার টি নমুনা পরীক্ষা করে এক জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। এ বাদেও মাগুরার ১৩টি নমুনা পরীক্ষা করে চার জন এবং ঝিনাইদহে ৯টি নমুনা পরীক্ষা করে দুই জন নতুন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। অর্থাৎ যবিপ্রবির ল্যাবে মোট ৩৯টি নমুনা পরীক্ষা করে ১২টিতে পজিটিভ এবং ২৭টিতে নেগেটিভ ফলাফল এসেছে।
যবিপ্রবির জিনোম সেন্টারে ১৮ দিনে ১৮৪ জন করোনা রোগী শনাক্ত হলো। এর মধ্যে নতুন ৭৬ ও ফলোআপ চারটিসহ সর্বোচ্চ ৮০ জন যশোরের রোগী। এছাড়া ঝিনাইদহে ৪১ জন, চুয়াডাঙ্গার ২৮জন, নড়াইলে ১২ জন, কুষ্টিয়ায় চার জন, মাগুরার ১৬ জন ও মেহেরপুরে তিন জন রোগী শনাক্ত হয়েছে। যবিপ্রবিতে করোনা শনাক্তে সাত জেলার মানুষের নমুনা পরীক্ষা হচ্ছে।
এদিকে, বুধবার যশোর জেলায় চিকিৎসকসহ চারজন করোনা জয় করেছেন। সিভিল সার্জন তাদেরকে ছাড়পত্র ও ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানিয়ে তাদের বাড়ি থেকে লকডাউন তুলে নেন। এই নিয়ে জেলায় ৩৩জন করোনা জয় করলেন।
যশোর সিভিল সার্জন অফিসের ডাক্তার রেহেনেওয়াজ জানান, বুধবার নতুন করে চার জনকে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ ফুলেল শুভেচ্ছা জানান ও ছাড়পত্র প্রদান করেন। তারা হচ্ছেন, চৌগাছা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ডাক্তার উত্তম কুমার, তিনি গত ২৬এপ্রিলে শনাক্ত হয়েছিলেন। সর্বশেষ ১১ মে পরীক্ষায় নেগেটিভ রিপোট পেয়ে ছাড় দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া গোলাম আজম (১৩), আবুল কালাম (৪৭), এবং শওকত আলীকে (৩২) ফুল ও ছাড়পত্র দিয়ে বাড়ি থেকে লকডাউন তুলে দিয়েছে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ।
অপরদিকে গেলো ২৪ঘন্টায় যশোর জেলায় সর্বমোট ৮৬জনকে নতুন করে হোম ও প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনের  আওতায় এনেছে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ। এর মধ্যে হোমে ৯জন এবং ৭৭জনকে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে। এ ছাড়া গেলো ১০মার্চ থেকে ১৩ মে অথাৎ ৬৩দিনে জেলা সর্বমোট ছয় হাজার ১২৭জনকে হোম ও প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়। এর মধ্যে ৫হাজার ৬৬২জনকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে ৪৬৫জন হোম ও প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে আছেন।
এ ব্যাপারে সিভিল সার্জন ডাক্তার আবু শাহীন জানান, যশোর জেলার করোনা পরিস্থিতি উন্নতির দিকে। সামাজিক ডিসনেশে কেউ আক্রান্ত হচ্ছে না এখন। তবে ভারত থেকে যারা প্রতিদিন দেশে আসছেন এবং রোগীর সেবা দিচ্ছেন এমন লোকজনকে পরীক্ষা করে পজেটিভ পাওয়া যাচ্ছে। তিনি সকলকে নিরাপদে চলে বাড়িতে অবস্থান করার অনুরোধ জানিয়েছেন।





সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft