শনিবার, ০৬ মার্চ, ২০২১
স্বাস্থ্যকথা
কালোজিরা তেল ও মধু একসঙ্গে খেলে যা হয়
কাগজ ডেস্ক :
Published : Wednesday, 2 September, 2020 at 2:01 AM
কালোজিরা তেল ও মধু একসঙ্গে খেলে যা হয়কালোজিরা বা এর তেল স্বাস্থ্যের পক্ষে কতটা উপকারী তা নিশ্চয়ই জানেন? সঙ্গে মধুর গুণাবলিও কারো কাছে অজানা নয়। তবে এই দুটি উপাদান একসঙ্গে খেলে কী বিস্ময়কর উপকারিতা পাওয়া যায় তা অনেকের কাছেই অজানা।
প্রচুর পুষ্টিগুণে পরিপূর্ণ কালোজিরা তেল ও মধু একসঙ্গে মিশিয়ে খেলে অনেক কঠিন রোগ সহজেই সেরে যায়। চলুন তবে জেনে নেয়া যাক কালোজিরা তেল ও মধু একসঙ্গে খেলে যেসব বিস্ময়কর উপকারিতা মিলবে সেগুলো সম্পর্কে-    
মাথাব্যথা নিরাময়ে
আধা চা চামচ কালোজিরার তেল মাথায় ভালোভাবে লাগান। সেই সঙ্গে এক চা চামচ কালোজিরার তেল সমপরিমাণ মধুসহ দিনে তিনবার করে ২ থেকে ৩ সপ্তাহ সেবন করলে মাথাব্যথা সেরে যাবে।
সর্দি সারাতে
এক চা চামচ কালোজিরার তেল সমপরিমাণ মধু বা এক কাপ রং চায়ের সঙ্গে মিশিয়ে দৈনিক তিনবার খেতে হবে। তাছাড়া মাথায় ও ঘাড়ে রোগ সেরে না যাওয়া পর্যন্ত কালোজিরা তেল মালিশ করতে হবে। এছাড়া এক চা চামচ কালোজিরার সঙ্গে তিন চা চামচ মধু ও দুই চা চামচ তুলসী পাতার রস মিশিয়ে খেলে জ্বর, ব্যথা, সর্দি-কাশি দূর হয়।
বিভিন্ন প্রকার চর্মরোগ সারাতে
আক্রান্ত স্থানে ধুয়ে পরিষ্কার করে তাতে কালোজিরা তেল মালিশ করতে হবে। এক চা চামচ কাঁচা হলুদের রসের সঙ্গে সমপরিমাণ কালোজিরার তেল ও মধু মিশিয়ে খান। এছাড়া এককাপ রং চায়ের সঙ্গে দৈনিক তিনবার করে ২ থেকে ৩ সপ্তাহ সেব্ন করলে চর্মরোগ দূর হয়ে যায়।
ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে  
প্রতিদিন সকালে দুই কোয়া রসুন চিবিয়ে খান। সমস্ত শরীরে কালোজিরার তেল মালিশ করে সূর্যেরতাপে কমপক্ষে আধাঘন্টা অবস্থান করুন। এক চা চামচ কালোজিরার তেল সমপরিমাণ মধুসহ প্রতি সপ্তাহে ২ থেকে ৩ দিন সেব্ন করলে তা ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণ রাখে।
দুগ্ধবতী মায়েদের দুধ বৃদ্ধির জন্য
যেসব মায়েদের বুকে পর্যাপ্ত দুধ নেই, তাদের মহৌষধ কালোজিরা। মায়েরা প্রতি রাতে শোয়ার আগে ৫ থেকে ১০ গ্রাম কালোজিরা মিহি করে দুধের সঙ্গে খেলে মাত্র ১০ থেকে ১৫ দিনে দুধের প্রবাহ বেড়ে যাবে। এছাড়াও এক চা চামচ কালোজিরার তেল সমপরিমাণ মধুসহ দৈনিক তিনবার করে নিয়মিত সেবন করুন।
ত্বকের আর্দ্রতার জন্য
শীতকালে ত্বকের আর্দ্রতার জন্য বডি লোশনের পরিবর্তে শুধু কালোজিরার তেল অথবা জাইতুন (অলিভ ওয়েল) তেলের সঙ্গে কালোজিরার তেল মিশিয়ে সারা শরীরে মালিস করুন। এটি শিশুর ত্বককে রাখবে আর্দ্র ও লাবণ্যময় এবং চর্মরোগের ঝুঁকি কমাবে। বিশেষভাবে শিশুর ত্বকের জন্য এই পদ্ধতিটি সারা বছর ব্যবহার করতে পারেন।
গ্যাস্ট্রিক বা আমাশয় নিরাময়ে
এক চা চামচ তেল সমপরিমাণ মধু সহ দিনে তিনবার করে ২ থেকে ৩ সপ্তাহ সেবন করুন। গ্যাস্ট্রিক বা আমাশয় কমে যাবে।




সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft