শনিবার, ১৬ জানুয়ারি, ২০২১
জাতীয়
ইউজিসি’র বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ : রাবি উপাচার্য
ডা: মো: হাফিজুর রহমান (পান্না), রাজশাহী ব্যুরো :
Published : Wednesday, 9 September, 2020 at 8:01 PM
ইউজিসি’র বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ : রাবি উপাচার্য রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) উপাচার্য অধ্যাপক এম আবদুস সোবহানের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রগতিশীল শিক্ষকদের একাংশ যে দুর্নীতির অভিযোগ এনেছিলেন, সেই অভিযোগের প্রেক্ষিতে ইউজিসির ডাকা গণশুনানিতে পক্ষপাতিত্ব হবে বলে অভিযোগ তুলেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য।
সম্প্রতি ইউজিসি চেয়ারম্যানের কাছে লেখা চিঠিতে এই অভিযোগ তোলেন বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য অধ্যাপক এম আবদুস সোবহান। সেই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে যে গণশুনানি ডাকা হয়েছে সেই গণশুনানিকে বেআইনি, আদালত অবমাননা এবং রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা খর্ব করা হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
চিঠিতে উপাচার্য লেখেন, উপাচার্যের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগ তদন্তের জন্য তদন্ত কমিটি গঠনের কোন ক্ষমতা বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনকে দেওয়া হয় নাই। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন উপাচার্যের বিরুদ্ধে নামে-বেনামে উত্থাপিত অভিযোগ তদন্তে আপনার নির্দেশে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠিত হয়েছে। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য যে, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (বিমক)-এর একজন সিনিয়র সহকারী পরিচালক এবং উপাচার্যের সমমর্যাদা সম্পন্ন বিমক-এর দুইজন সম্মানিত সদস্য সমন্বয়ে বর্ণিত তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে যা আইনসিদ্ধ নয়।
আইন অনুযায়ী তদন্ত কমিটির সদস্যবৃন্দের মর্যাদা উপাচার্যের মর্যাদার এক ধাপ উপরে হওয়া বাঞ্চনীয়। মহামান্য রাষ্ট্রপতি তথা আচার্য কর্তৃক উপাচার্য নিয়োগ প্রাপ্ত হন। উপাচার্যের বিরুদ্ধে অভিযোগের তদন্ত তাই শুধুমাত্র নিয়োগকর্তা দ্বারা সম্পন্ন করা আইনসিদ্ধ। কিন্তু আইন বহির্ভূতভাবে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন কর্তৃক একজন সিনিয়র সহকারী পরিচালক ও উপাচার্যের সমমর্যাদা সম্পন্ন দুইজন সদস্য সমন্বয়ে গঠিত তদন্ত কমিটি কর্তৃক তদন্তকার্য পরিচালনা শুধু বেআইনিই নয় বরং এর মাধ্যমে মহামান্য রাষ্ট্রপতির ক্ষমতাকেও খর্ব করা হয়েছে।
চিঠিতে তিনি আরও বলেন, আমার বিরুদ্ধে যেসব মিথ্যা অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছে এ বিষয়ে সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট ও আপীল বিভাগে বিচারাধীন আছে। একই বিষয় নিয়ে তাই তদন্ত বা প্রশ্ন উত্থাপন করা আদালত অবমাননার সামিলও বটে। উপাচার্য তার ওই চিঠিতে তদন্ত কমিটির প্রধানের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগও উত্থাপন করেছেন।
উপাচার্যের দাবি, তদন্তের আগে আমাকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক গণমাধ্যমে বিষয়টি যেভাবে উপস্থাপন করেছেন, তা থেকে প্রতিয়মান হয় যে, তদন্তের আগেই মিডিয়া ট্রায়াল সম্পন্ন করা হয়েছে। যারা একজন উপাচার্যকে নয় বরং বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষককে অপদস্থ করা হয়েছে।
উপাচার্য লিখেছেন, যে-কোন অভিযােগ আমলযোগ্য হলে যথাযথ প্রক্রিযা অনুসরণপূর্বক তার তদন্ত হওযাই বাঞ্চনীয়। আমি তাই দ্ব্যর্থহীনভাবে বলতে চাই যে, আমার বিরুদ্ধে আনীত অভিযােগসমূহের তদন্ত হোক-এ বিষয়ে আমি শতভাগ সম্মত। তবে সেই তদন্ত কমিটি অবশ্যই যথাযথ আইনসিদ্ধভাবে গঠিত হওযা বাঞ্চনীয়। বাংলাদেশের দ্বিতীয বৃহত্তম বিশ্ববিদ্যালযরে একজন উপাচার্যকে আইনের ব্যত্যয় ঘটিয়ে এবং মহামান্য রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা খর্ব করে অপদস্থ করা সমিচীন নয়।




সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft