রবিবার, ০৬ ডিসেম্বর, ২০২০
মতামত
স্রষ্টা ভাবনা
মিজানুর রহমান
Published : Wednesday, 23 September, 2020 at 12:25 AM
স্রষ্টা ভাবনা  বহু মানুষ একটা ধারণার কথা বলেন, যে সবকিছুরই স্রষ্টা থাকে। যেমন একটা অট্টালিকার কথা বলা হলে আমরা নিশ্চিত যে কেউ না কেউ এটা তৈরী করেছে। কেউ একজন না বানালে সেটি এমনিতে তৈরী হয়নি। এর মানে কি মহাবিশ্ব তথা আমাদেরকেও কেউ তৈরী করেছেন, আমাদেরও তাহলে একজন স্রষ্টা আছেন? অত্যন্ত যৌক্তিক কথা। ধরুণ যুক্তি মেনে বলা হল, যে থাকাটাই স্বাভাবিক। তাহলে আর একটি প্রশ্নও তো যৌক্তিক যে, সবকিছুর যেহেতু স্রষ্টা থাকে; সেই সূত্র মেনে, তাহলে স্রষ্টার স্রষ্টা কে? বিশ্বাসীরা বলে থাকেন স্রষ্টার কোনো স্রষ্টা নেই। স্রষ্টা কবে থেকে ছিলেন কেউ তা জানে না। তবে তিনিই প্রথম আর ঠিক এ কারণেই তিনি স্রষ্টা। তাঁর সৃষ্টিই এই মহাবিশ্ব, দৃশ্য-অদৃশ্য সবকিছু এবং আমরা। ঠিক একই ধরণের যুক্তি বলে, স্রষ্টাকে যদি সবকিছুর প্রথম ধরা হয়; তাহলে মহাবিশ্বকে প্রথম ধরতে অসুবিধা কোথায়? যুক্তি মেনে চললে, অবশ্যই দ্বিমত করার সুযোগ নেই। তবে, এক্ষেত্রে সমস্যা সৃষ্টি করেছে আবহমানকাল থেকে চলে আসা ধর্মগুলো, যা পৃথিবীর বেশিরভাগ মানুষই মানেন, মেনে চলেছেন। সেকারণে ঐ ধর্মগ্রন্থ গুলো নিয়ে আলোচনা করাটা বিষয়বস্তুর সাথে প্রাসঙ্গিক।
ধর্মগ্রন্থ পবিত্র কুরআনে স্রষ্টা সম্পর্কে সূরা ইখলাসে বলা হয়েছে ‘বলুন তিনি আল্লাহ, এক। আল্লাহ অমুখাপেক্ষি। তিনি কাউকে জন্ম দেননি, জন্ম নেননি। তাঁর সমতুল্য কেউ নেই।’ এখানে এমন এক স্রষ্টার কথা বলা হয়েছে, যাঁর সম্পর্কে ধারণা ধর্মের সূচনালগ্ন থেকে এখনো পর্যন্ত অপরিবর্তনীয় রয়ে গেছে।  
ইহুদীদের ধর্মগ্রন্থ বুক অফ ডিটরনমিতে লেখা আছে, অধ্যায় ৬: অনুচ্ছেদ ৪: ‘ওহে ইস্রায়েলবাসী শোনো, আমাদের স্রষ্টা মাত্র একজন।’
বাইবেলের পুরাতন এবং নতুন উভয় সংস্করণকেই খৃস্টানরা স্রষ্টার বাণী বলে বিশ্বাস করেন। নতুন সংস্করণের ম্যাথিওয়ে বলা হয়েছে, অধ্যায় ৪: অনুচ্ছেদ ১০: ‘তখন ইসা মসীহ তাঁহাকে বলিলেন, যিঁনি তোমার প্রভু, তাঁহাকে তুমি সেজদা করিবে। কেবল তাঁহারই আনুগত্য করিবে।’   
সনাতন ধর্মগ্রন্থ যজুর্বেদে বলা হয়েছে, তাঁর (স্রষ্টা) কোনো প্রতিমা নেই (৩২:৩)। তিনি (স্রষ্টা) নিরাকার এবং পবিত্র (৪০:৮)। এছাড়া শিখ বা জরোষ্ট্রীয় ধর্মেরও একই কথা।
পবিত্র কুরআনে সূরা আলে ইমরানে আহবান করা হয়েছে,  ‘তুমি (নবী) বল, হে কিতাবীগণ, এসো সেই কথায় যা তোমাদের এবং আমাদের মধ্যে এক; যেন আমরা আল্লাহ ব্যতীত কারও ইবাদত না করি।’ ঠিক এই কথার সমর্থন অন্যান্য ধর্মগ্রন্থেও রয়েছে। বিশেষ করে মৌলিক এই জায়গাটাতে তো অবশ্যই, আর এটাই গুরুত্বপূর্ণ। অবিশ্বাসীরা অবশ্য বলতেই পারেন, এই মিল নিছকই কাকতালীয়। ইংরাজ জ্যোতিবিজ্ঞানী স্যার ফ্রেড হোয়েল যিনি আস্তিক নন তার একটা কথা আছে। তিনি বলেছিলেন, প্রাণহীন রাসায়নিক দ্রব্যাদি থেকে প্রথম কোষের রাসায়নিক বিবর্তনের ওপর বিশ্বাস করার মানে হলো একটি টর্নেডো সৃষ্ট প্রচুর আবর্জনা ভর্তি স্থান থেকে বোয়িং ৭৪৭ তৈরী করতে পারার ওপর বিশ্বাস করার সমান। মানে, ব্যাপারটা হল কোনো তীব্র ঝড়, ময়লা আবর্জনা ভর্তি একটি স্থান দিয়ে যাওয়ার সময় সঠিক অংশগুলো খুঁজে বের করে একটি বোয়িং-৭৪৭ তৈরী করে দিল; এই কথাটি বিশ্বাস করা আর রাসায়নিক বিবর্তনের মাধ্যমে প্রাণহীন বস্তু থেকে প্রথম কোষের উদ্ভব হয়েছে, কথাটি বিশ্বাস করা একই কথা। সত্যিই কি এটা কাকতালীয়ভাবে হওয়া সম্ভব? তাহলে আবার ফিরতে হয় সেই পুরোনো ধারণার কাছে ‘সবকিছুরই স্রষ্টা থাকে’। তখন সেই একই যৌক্তিক প্রশ্ন: তাহলে স্রষ্টার স্রষ্টা কে? এই শেষ প্রশ্নটা কি সত্যিই যৌক্তিক? কিন্তু স্রষ্টার যদি স্রষ্টা থাকে, তাহলে তিনি আর স্রষ্টা থাকেন কিভাবে? স্রষ্টাকেই তো সৃষ্টির শুরু করতে হবে, নইলে তো তিনি নিজেই সৃষ্টির অর্ন্তভূক্ত হয়ে যাবেন!
বিশ্বাসীদের বিশ্বাসটা হচ্ছে, মহাবিশ্ব নিজে থেকে নয়, স্রষ্টার ইচ্ছাতেই মহাবিশ্বে পরিণত হয়েছে। যদিও বিগব্যঙ তত্ত্ব এমন অনেকগুলো প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে, যার কোনো সঠিক উত্তর দেওয়ার মত পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা আমাদের পৃথিবীতে নেই। এর মধ্যে রয়েছে অদৃশ্য শক্তি, অদৃশ্য বস্তু, মহাজাগতিক স্ফীতিশীলতা ইত্যাদি থেকে উদ্ভূত সমস্যাগুলো। এগুলো পদার্থবিজ্ঞানের সমাধানহীন সমস্যা হিসেবে চিহিৃত। কিন্তু মানুষের পর্যবেক্ষণ ক্ষমতা যদি কোনো সময় নাটকীয়ভাবে বেড়ে যায়, তখনও কি এই প্রশ্নগুলোর উত্তর অজানা থেকে যাবে? শুধুমাত্র জ্ঞানের গ্যাপগুলোর জায়গায় আমরা স্রষ্টাকে কল্পনা করতে পারিনা। এমন ভাববার স্বাধীনতা চাইনা, বাস্তবে যার অস্তিত্ব নেই আর এমন অস্তিত্বকে অস্বীকার করতে চাইনা, যা আমরা দেখতে পাই না। স্রষ্টা অবশ্যই দেখার মত সত্ত্বা নন। যেমন আমরা জানি পৃথিবী ঘুরছে এবং চব্বিশ ঘন্টায় একবার সূর্যকে প্রদক্ষিণ করছে কিন্তু আমরা চলাফেরার সময় তো এর পরিক্রমণ বা ঘুর্ণন টের পাচ্ছি না! টের পাচ্ছিনা বলেই কি বলা যাবে পৃথিবী ঘুরছে না? মানুষ এক সময় মধ্যাকর্ষণ শক্তি সম্পর্কে জানত না কিন্তু জানত না বলে কি মাধ্যাকর্ষণ শক্তির অস্তিত্ব ছিল না? মধ্যাকর্ষণ শক্তি কি আমাদের আদি হতে ধরে রাখেনি? বিশ্বতাত্ত্বিক নীতি অনুসারে মহাবিশ্বকে যখন যথেষ্ট বৃহৎ স্কেলের দূরত্বের সাপেক্ষে দেখা হয়, তখন এর কোনো নির্দিষ্ট বা বিশিষ্ট দিক ও স্থান পাওয়া যায় না। এই নীতিকে সত্য মেনেই আমেরিকান জ্যোতির্বিজ্ঞানী এডউইন হাবল প্রমাণ করেছিলেন যে, মহাবিশ্ব সম্প্রসারিত হচ্ছে। কিন্তু এই তত্ত্ব স্বয়ং আইনস্টাইন কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত অসীম এবং অপরিবর্তনীয় বিশ্ব তত্ত্বের সম্পূর্ণ বিরোধী। সমস্যা এটা নয়; সমস্যা হল স্বতঃস্ফূর্ত মহাবিশ্বের দৃশ্য এবং অদৃশ্যমান পদার্থগুলো সম্প্রসারণের এই যে অসীম স্পেস, সেটা কোথা থেকে এসেছে, সেটি নির্ণয় করা। এটি একটি সমাধানহীন সমস্যা। এখনো পর্যন্ত আমাদের সৌর জগতে পৃথিবী ভিন্ন অন্য কোনো গ্রহে প্রাণের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। বর্তমানে মানুষের তৈরী সবচেয়ে গতিময় স্পেস যানের নাম ‘পারকার সোলার প্রোব’। ঘন্টায় এর গতি চার লক্ষ মাইল। যদি এটি নিকটতম নক্ষত্র পরিক্রমায় যেতে চায় তাহলে এর সময় লাগবে প্রায় পচিশ হাজার আলোকবর্ষ। তার মানে কি বলে দেওয়া যায়, যে মানুষের পক্ষে বাইরের জগতে প্রাণ আছে কিনা তার সন্ধান করা সম্ভব নয়! বাস্তবে অসীম স্পেসটা কিভাবে সৃষ্টি হয়েছে তার সমাধান তাই অনেক বেশি জটিল। প্রাণী জগতে বিবর্তনের মাধ্যমে কেবল মানুষের বুদ্ধির এতটা উৎকর্ষ কেন সাধিত হয়েছে? কিংবা স্বতঃস্ফূর্তভাবে প্রাণের উৎপত্তির কোনো গ্রহণযোগ্য ব্যাখ্যা নেই কেন? এই প্রশ্নগুলো সত্যিকার অর্থে জ্ঞানের গ্যাপজনিত কোনো সমস্যা নয়। এগুলো পরম নির্ভরতাকে নিয়ে ভাবনা শুরু করার গুরুত্বপূর্ণ কিছু উপাদান। পরম নির্ভরতা বা স্রষ্টা আছেন এটাকে যদি কেউ বলেন চাক্ষুস প্রমাণ চাই, তাহলে বলতে হয়, তা নেই এবং থাকার কথাও নয়। কারণ তিনি কোনোদিন মানুষের সামনে দাঁড়িয়ে বলেননি, যে আমিই তোমাদের স্রষ্টা। তিনি সেটা বলবেনও না, তাহলে মানুষ নামের এই বিশেষ শ্রেষ্ঠ সৃষ্টিটি অর্থহীন হয়ে যায়। যেমন পবিত্র কুরআনে সূরা আনআমে বলা হয়েছে, ‘আল্লাহ ইচ্ছা করিলে তাহাদের (মানুষ) সকলকে অবশ্যই সৎপথে একত্র করিতেন। সুতরাং তুমি মূর্খদের অন্তর্ভূক্ত হইও না।’ স্রষ্টার ওপর মানুষের বিশ্বাস জন্মানোই যদি ধর্মের কথা হয়ে থাকে, তাহলে স্রষ্টার দেখা দেওয়ার কোনো কারণ নেই। তিনি মানুষ নামের এই প্রাণীকে যুক্তি, বুদ্ধি এবং উপলব্ধির ক্ষমতা দিয়েছেন, ইচ্ছার স্বাধীনতা দিয়েছেন আর তাঁকে চাক্ষুস না দেখেও স্রষ্টা হিসেবে উপলব্ধি করার জন্য সৃষ্টি করেছেন দৃশ্যমান বা অনুভবের অসংখ্যা নিদর্শন।
বিগব্যঙ তত্ত্ব বলছে, আজ থেকে ১৩.৭ বিলিয়ন বছর পূর্বে এই মহাবিশ্ব একটি অতি ঘন এবং উত্তপ্ত অবস্থা থেকে সৃষ্টি হয়েছিল। বিজ্ঞানী এডউইন হাবল প্রথম বলেন, দূরবর্তী ছায়াপথ সমূহের বেগ সামগ্রিকভাবে পর্যালোচনা করলে দেখা যায় যে এরা পরষ্পর দূরে সরে যাচ্ছে। অর্থাৎ মহাবিশ্ব সম্প্রসারিত হচ্ছে। এই তত্ত্ব সমূহের সাহায্যে অতীত বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, যে সমগ্র মহাবিশ্ব একটি সুপ্রাচীন বিন্দু অবস্থা থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে। এই অবস্থায় সকল পদার্থ ও শক্তি অতি উত্তপ্ত এবং ঘন অবস্থায় ছিল। যা ১৪০০ বছর আগে কুরআন অবতীর্ণ হবার সময় মানুষের জানার কথা নয়। স্রষ্টা সরাসরি না এসে, কেবল তাঁর বাণীর মাধ্যমেই এমন অসংখ্যা নিদর্শন মানুষের সামনে রেখেছেন। যেন মানুষ তার বিচার বুদ্ধি দিয়ে স্রষ্টাকে উপলব্ধি করে নেয়। তারপরও কেউ বলতে পারেন এসব নিছক কাকতালীয়, বলে থাকেন এসবের সাথে বিজ্ঞানের কোনো সম্পর্ক নেই।
আলোচনা আরো একটু এগোনো যাক। বিগব্যঙ অবস্থার আগে কি ছিল, বিজ্ঞানীদের মধ্যে এ নিয়ে মতভেদ আছে। অবশ্য সাধারণ আপেক্ষিকতা এর আগের সময়ের ব্যাখ্যার জন্য মহাকর্ষীয় অদ্বৈত্য বিন্দু বা সিঙ্গুলারিটি নামক একটি শব্দের প্রস্তাব করেছে। বিগব্যঙ শব্দটি স্থুল অর্থে প্রাচীনতম একটি বিন্দুর অতি শক্তিশালী বিস্ফোরণকে বোঝায়, যার মাধ্যমে মহাবিশ্বের সৃষ্টি হয়েছিল। এখন সময়ের সাথে সাথে এর আয়তনের বৃদ্ধি ঘটছে। সুতরাং সময়কে যদি পেছনের দিকে বিপরীতভাবে গমন কল্পনা করা হয়, তাহলে মহাবিশ্বের আয়তন কমতে থাকবে এবং সময়ের প্রথম অবস্থায় গিয়ে মহাবিশ্বের আয়তন আবার ওই বিন্দুতে গিয়ে মিলে যাবে। যেখানে বৃত্তের অবস্থান হবে শুন্যের কাছাকাছি, যা সর্বোচ্চ পরিমাণ ক্ষুদ্র এবং এর চেয়ে ক্ষুদ্র হওয়া সম্ভব নয়। অবশ্য সেটা একেবারে আক্ষরিক অর্থে শুন্য নয়; বরং শুন্যের কাছাকাছি অস্তিত্ব। কারণ অস্তিত্ব আছে এমন কোনো কিছুর আয়তন শুন্য হওয়া সম্ভব নয়। তাহলে প্রশ্ন হচ্ছে শুন্যের কাছাকাছি এই বিন্দুটা এসেছিল কোথা থেকে? এর উত্তর স্বতঃস্ফূর্তভাবে কি হওয়া উচিৎ? আমরা ধরে নিতেই পারি, যে প্রায় শুন্যের কাছাকাছি আদি বিন্দুটি আর ক্ষুদ্র হওয়া সম্ভব ছিল না। তাই এখান থেকেই সবকিছুর শুরু। এর আগে কিছু নেই। তাহলে আমরা কেন প্রশ্ন করি, স্রষ্টার স্রষ্টা কে? কেন বিশ্বাস করতে পারি না, যে স্রষ্টার আগে কিছু থাকা সম্ভব নয়। স্রষ্টার ইচ্ছাতেই সবকিছুর শুরু!
আমরা ধোয়া দেখলেই আগুন কল্পনা করে নিই। তাহলে ইকোসিস্টেম বা বাস্তুতন্ত্রের পেছনে পরিকল্পনার চিহৃ খুঁজতে অসুবিধা কোথায়? অগনতি নক্ষত্র বা গ্রহ-উপগ্রহগুলো যার যার কক্ষপথে-অক্ষপথে প্রদক্ষিণরত অথচ কক্ষচ্যুত হচ্ছে না কেন? কক্ষচ্যুত না হওয়ার ব্যপারটা কি কাকতলীয়? নাকি কক্ষচ্যুত না হওয়ার প্রোগ্রামটা কেউ তৈরী করে দিয়েছে কিনা, সেটাওতো জানা দরকার। যে কোটি কোটি স্বতঃস্ফূর্ত ঘটনার মধ্য দিয়ে আমরা আজকের এই অবস্থানে এসেছি, তার মধ্যে একই হারে স্বতঃস্ফূর্ত ভয়ঙ্কর ঘটনা ঘটাও অস্বাভাবিক ছিল না। কে আমাদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার জন্য সেসব ভয়ঙ্কর ঘটনাগুলো ঘটা থেকে বিরত রাখছেন? এগুলোর উত্তরতো আমাদের জানা দরকার। কিন্তু কে দেবে উত্তর? কেউই এর উত্তর দেবেনা। আপনাকেই খুঁজে নিতে হবে আপনার স্রষ্টাকে।




সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft