মঙ্গলবার, ২৪ নভেম্বর, ২০২০
জাতীয়
আমরণ অনশনে রায়হানের মা
কাগজ ডেস্ক
Published : Sunday, 25 October, 2020 at 2:29 PM
আমরণ অনশনে রায়হানের মাএস আই আকবরসহ অন্য আসামিদের আটকের দাবিতে এবার আমরণ অনশনে বসেছেন সিলেটে পুলিশের নির্যাতনে নিহত রায়হান আহমদের মা ছালমা বেগম। যে ফাঁড়িতে রায়হানকে (৩৪) নির্যাতনে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ সেই বন্দরবাজার ফাঁড়ির সামনেই স্বজনদের নিয়ে রোববার সকাল ১১টা থেকে ‘রায়হানের মায়ের অনশন’ ব্যানার টাঙিয়ে অনশন শুরু করেন তিনি। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধি ও সাধারণ মানুষ তার সাথে একাত্মতা প্রকাশ করে অনশনে সামিল হয়েছেন।  
বন্দরবাজার ফাঁড়ির বরখাস্ত এস আই ও রায়হান হত্যাকান্ডের মূল হোতা আকবর হোসেন ভূইয়াসহ সকল আসামিকে আটক না করা পর্যন্ত এই অনশন চলবে বলে জানান সালমা বেগম। অনশনে যারা অংশ নিয়েছেন তাদের সবার মাথায় কাফনের কাপড়ের মতো সাদা কাপড় ছিল।
প্রসঙ্গত, গত ১১ অক্টোবর সিলেট নগরীর বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে রায়হান আহমেদ নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়। অভিযোগ ওঠে নিরাপরাধ রায়হানকে উঠিয়ে নিয়ে নির্যাতনের পর হত্যা করা হয়। এর মূল হোতা ওই ফাঁড়ির এস আই আকবর হোসেন ভূইয়া। এ ঘটনায় এস আই আকবরকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। ঘটনার দু’সপ্তাহ পার হলেও এখনো তাকে আটক করতে পারেনি পুলিশ। তাদের দাবি আকবর আত্মগোপন করেছে।
নিহত রায়হানের মা সালমা বেগম অনশনস্থলে দাবি করেছেন, তার ছেলেকে এস আই আকবরের নেতৃত্বে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা করার পরও পুলিশ এস আই আকবরকে আটক না করে পালিয়ে যেতে সহযোগিতা করেছে। একের পর এক কর্মসূচি পালন করা হলেও পুলিশ তাকে আটক না করে টালবাহানা করছে। সে কারণে ছেলে হত্যাকারীর আটক ও বিচারের দাবিতে তিনি ও তার পরিবারের সদস্যরা অনশনে বসেছেন দাবি করে সালমা বেগম বলেন, ‘যতদিন এস আই আকবর ও মামলার অন্যান্য আসামিরা আটক না হবে ততদিন অনশন চলবে’।
রায়হান আহমদ চাকরি করতেন সিলেট নগরীর একটি রোগ নির্ণয় কেন্দ্রে। মা ছাড়াও তার পরিবারে রয়েছে আড়াই মাস বয়সী এক মেয়ে এবং স্ত্রী। তিনি বাস করতেন আখালিয়ার নিহারিপাড়ায়। ১০ অক্টোবর রাত তিনটার দিকে সিলেট নগরীর বন্দরবাজার ফাঁড়িতে তুলে নিয়ে তাকে নির্যাতন করা হয়। পরের দিন মারা যান তিনি। ওই ঘটনায় স্ত্রী তাহমিনা আক্তার ১১ অক্টোবর অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন। এর পর বরখাস্ত করা হয় এস আই আকবরসহ চার পুলিশ সদস্যকে। মামলাটি তদন্তের ভার দেয়া হয় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে।




সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft