শনিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২১
ক্রীড়া সংবাদ
যশোর জেলা ফুটবল রেফারি সমিতি
গঠনতন্ত্র মানতে রাজি না নেতারা সভাপতির হস্তক্ষেপ কামনা
ক্রীড়া সংবাদ
Published : Monday, 2 November, 2020 at 8:04 PM
 গঠনতন্ত্র মানতে রাজি না নেতারা সভাপতির হস্তক্ষেপ কামনাগঠনতন্ত্র অনুসরণ না করায় যশোর জেলা ক্রীড়া সংস্থায় নানা জটিলতা তৈরি হয়। এবার একই পথে পা বাড়িয়েছে জেলা ফুটবল রেফারি সমিতি। গঠনতন্ত্র অনুযায়ী তাদের মেয়াদ শেষ হলেও ক্ষমতায় রয়েছে নানা অজুহাত দেখিয়ে। এ নিয়ে শুরু হয়েছে নানা সমালোচনা। সংগঠনের অনেক সদস্যের মধ্যে বিরাজ করছে ক্ষোভ। ক্ষমতাবলে সমিতির সভাপতি পুলিশসুপার। তার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন সদস্যরা।   
সর্বশেষ,যশোর জেলা ফুটবল রেফারি সমিতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ২০১৭ সালের ২১ জুলাই। গঠনতন্ত্রের ৩৯ ধারা ‘ঞ’ তে উল্লেখ রয়েছে নির্বাচন শেষে বিদায়ী গভর্নিংবডি/আহবায়ক কমিটি/এডহক কমিটি নতুন গভর্নিংবডিকে দশ দিনের মধ্যে সকল দায়িত্ব বুঝিয়ে দিবে। ২৩ ধারায় রয়েছে সভাপতির সাথে আলোচনা করে নব নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক নির্বাচন অনুষ্ঠানের দশ দিনের মধ্যে গভর্নিংবডির প্রথম সভা আহ্বান করবেন। এই সভায় বিদায়ী সাধারণ সম্পাদক ও কোষাধ্যক্ষ যাবতীয় আয়-ব্যয় ও স্থাবর অস্থাবর সম্পদের হিসাব পরিষ্কারভাবে বুঝিয়ে দিবেন। বর্তমান কমিটির মেয়াদ শেষ হয়েছে চলতি বছরের ৩০ জুলাই।
ধারা ৩৫-এ উল্লেখ আছে প্রতি তিন মাস অন্তর একবার নির্বাহী পরিষদের সভা অনুষ্ঠিত হবে। ধারা ২২- এ বলা আছে সাধারণ পরিষদের বার্ষিক সাধারণ সভা, যা গভর্নিংবডি দ্বারা নির্ধারিত হবে তা প্রতি বছর ৩১ ডিসেম্বর এর মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে।
বর্তমান কমিটি নির্বাহী পরিষদের যত সভা করেছে সেসব সভায় সভাপতির কোনো অনুমোদন নেই। এমনকি কোনো সভায় সভাপতি সভাপতিত্বও করেননি। ডাকা হয়নি সাধারণ পরিষদের সভাও।
দীর্ঘ ১২ বছর ধরে সমিতির সাধারণ সম্পাদক পদে অধিষ্ঠিত আছেন এবিএম সাহিদুল ইসলাম বাচ্চু। তিনি জানান, নির্বাচিত হওয়ার পর আমাদের প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয় ২০১৮ সালের ১৩ জুলাই। ওইদিন থেকে এই কমিটির কার্যকাল শুরু। সেই হিসেব অনুযায়ী বর্তমান কমিটির মেয়াদ শেষ হবে ২০২১ সালের ১২ জুলাই।
২০০৫ সাল থেকে সমিতির কোষাধ্যক্ষ পদে অধিষ্ঠিত আছেন খুরশীদ মো. জাকির হোসেন। তিনি জানান, বেশ কয়েকবার সভাপতির সহযোগিতা পাওয়ার জন্যে চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু সহযোগিতা পাওয়া যায়নি। গঠনতন্ত্র অনুযায়ী প্রথম সভা থেকেই কার্যকাল শুরু। কোষাধ্যক্ষ বলেন, গভর্নিংবডির মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। গঠনতন্ত্রের আলোকে জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান, গঠনতন্ত্র পুঙ্খানুপুঙ্খ জানা নেই। তবে গঠনতন্ত্র অনুযায়ী শতভাগ চলা যায় কিনা বলে প্রশ্ন ছুড়ে দেন।
কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য সোহেল আল মামুন নিশাদ জানান, সমিতির কার্যক্রমকে পুরোপুরি কুক্ষিগত করে রেখেছেন সাধারণ সম্পাদক ও কোষাধ্যক্ষ। তারা সভাপতির কোনো অনুমতি না নিয়ে নিজেদের মতো করে কার্যনির্বাহী পরিষদের সভা ডেকে গঠনতন্ত্র বিরোধী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। অর্থনৈতিকভাবেও সততার পরিচয় দিতে ব্যর্থ হয়েছে। আদায়কৃত চাঁদার অর্থ ব্যাংকে জমা না দিয়ে নিজেদের পকেটস্থ করেছে। কমিটির মেয়াদ উত্তীর্ণ হলেও কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না। বিষয়গুলো সভাপতিকে অবহিত করা হয়েছে।
সমিতির সদস্য জয়নাল আবেদীন বলেন, যারা গঠনতন্ত্র বিরোধী কাজে যুক্ত তাদের দ্বারা ভালো কিছু প্রত্যাশা করা বোকামি। দীর্ঘদিন ধরে ক্ষমতায় থাকার কারণে সমিতিকে নিজস্ব সম্পত্তিতে পরিণত করেছে তারা। অচিরেই এডহক কমিটি গঠন করে নির্বাচনের ব্যবস্থা গ্রহণ করার কথা জানান তিনি।  





সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft