শনিবার, ০৮ মে, ২০২১
সারাদেশ
দুধের পাইকারি দাম বাড়ানোর দাবিতে খামারিদের বিক্ষোভ
মুহাম্মদ দিদারুল আলম, চট্টগ্রাম প্রতিনিধি :
Published : Sunday, 8 November, 2020 at 6:08 PM
দুধের পাইকারি দাম বাড়ানোর দাবিতে খামারিদের বিক্ষোভমহাসড়কে খামারিরা দুধ ঢেলে মিষ্টি কারখানায় দুধের পাইকারি দাম বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন। রোববার (৮ নভেম্বর) দুপুরে কর্ণফুলী উপজেলার মইজ্জ্যারটেক আখতারুজ্জামান চত্বরের টোল প্লাজা এলাকায় দুধ ঢেলে প্রতিবাদ জানান তারা।
এ সময় চট্টগ্রাম জেলা ডেইরি ফার্মার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নাজিম উদ্দিন হায়দার, সহ-সভাপতি মো. হারুন, কার্যকরী সভাপতি জাফর ইকবাল, সাধারণ সম্পাদক ডা. মো. ফোরকান, সাংগঠনিক সম্পাদক জালাল উদ্দিন রোকন, খামারি মোহাম্মদ নুর, জাকেরিয়া, মো. মাসুদ, মো. সোহেল, মো. নুরুদ্দিন, কামরুল ইসলাম, মো. রফিকসহ পটিয়া ও কর্ণফুলী উপজেলার শতাধিক খামারি উপস্থিত ছিলেন।  
চট্টগ্রাম জেলা ফার্মার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নাজিম উদ্দিন হায়দার বলেন, মিষ্টির কারখানাগুলো ৭ বছর আগে নির্ধারিত দামে এখনো দুধ কিনছে। এদিকে ৭ বছর আগে যে কর্মচারীর বেতন ছিল ৭-১০ হাজার টাকা এখন তা ১৫-২০ হাজার টাকা হয়েছে। আগে যে গোখাদ্যের দাম ছিল ২৪ টাকা, এখন তা বেড়ে ৩৭-৩৮ টাকায় দাঁড়িয়েছে। এ অবস্থায় আমাদের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে।  
মহাসড়কে অবস্থান নিয়েছেন খামারিরা। তিনি জানান, দাম বাড়ানোর জন্য আমরা অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে মিষ্টি কারখানাগুলোকে চিঠি দিয়েছি। এরপর আলোচনায় বসলে লিটার প্রতি ১ টাকা বাড়াতে সম্মত হয় তারা।  
সূত্র জানায়, নগরের মিষ্টি কারখানাগুলোতে খামারির ৪৮-৫৩ টাকা পর্যন্ত বিক্রি করে। তবে ১০০ লিটার দুধ পাঠালে হিসাবে ধরা হয় ৮০ লিটার বা তার চেয়েও কম। মিল্কভিটার দুগ্ধ শীতলীকরণ প্ল্যান্টে প্রতি লিটার দুধ মান ভেদে ৩৮-৫৫ টাকা পর্যন্ত কেনা হয়। তারা খামারিদের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধাও দিয়ে থাকে। কিন্তু ওই দুধ চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় নিয়ে প্রক্রিয়া করতে হয়। দক্ষিণ চট্টগ্রামের ৪ হাজার দুগ্ধ খামারি মিল্কভিটার দুগ্ধ প্রক্রিয়াকরণ কারখানা স্থাপনের দাবি জানিয়ে আসছে দীর্ঘদিন ধরে। এ জনপদে প্রতিদিন ৫০ হাজার লিটারের বেশি দুধ উৎপাদন হয়।  
নাজিম উদ্দিন হায়দার এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, সিন্ডিকেটের কাছে খামারিরা অসহায়। তারা নিজেদের অর্থ, শ্রমে উৎপাদিত গরুর দুধের দাম নির্ধারণ করতে পারছে না। যদি মিষ্টি কারখানাগুলো দুধের ন্যায্যমূল্য না দেয় তবে আমরা দক্ষিণ চট্টগ্রাম থেকে শহরের মিষ্টি কারখানায় দুধ নিয়ে যেতে দেব না। করোনাকালের মতো ঘি, ক্রিম, মাখন, ছানা তৈরি করবো। প্রয়োজনে মিল্কভিটা কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করে শীতলীকরণ কেন্দ্রে দ্বিগুণ দুধ কেনার ব্যবস্থা করবো।  
নগরের মিষ্টি কারখানায় দুধ নেওয়া বন্ধে খামারিরা মহাসড়কে অবস্থান নিয়েছেন।  




সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft