বুধবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২১
তথ্য ও প্রযুক্তি
ডিজিটাল সেন্টারের দশক পূর্তিতে যশোরে বর্ণাঢ্য আয়োজন (ভিডিও)
এস এম আরিফ
Published : Monday, 9 November, 2020 at 10:26 PM
ডিজিটাল সেন্টারের দশক পূর্তিতে যশোরে বর্ণাঢ্য আয়োজন (ভিডিও)১১ নভেম্বর। ঠিক এক দশক আগে এ দিনটিতেই সারাদেশে একযোগে যাত্রা শুরু হয়েছিল ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারের। প্রতি বছর জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনে দিনটি উদযাপন করা হয়। এবারও ডিজিটাল জেলা যশোরের ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারগুলোতে তাই সাজসাজ রব বিরাজ করছে।
অক্টোবর মাসের ১০ তারিখ থেকে চলছে মুজিব শতবর্ষ ও ডিজিটাল সেন্টারের ১০ বছর পূর্তি উপলক্ষে সেবার প্রচারণা। অভিনব কায়দায় চলছে ডিজিটাল সেন্টারের প্রচারণা। আলোক সজ্জা, ব্যানার, ফেস্টুন ও ভিডিও প্রদর্শন, লিফলেট বিতরণ এবং বাউল গানের মাধ্যমে চালানো হচ্ছে এসব প্রচারণা। জেলা প্রশাসনের সার্বিক সহযোগিতায় ১১ নভেম্বর নানা আয়োজনে দিবসটি উদযাপনে প্রস্তুত যশোরের সকল ডিজিটাল সেন্টারের উদ্যোক্তাগণ।
ডিজিটাল বাংলাদেশ; স্বপ্ন পূরণের এক দূর্বার অভিযাত্রার নাম। তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহারে জ্ঞানভিত্তিক দক্ষ জনসম্পদ গড়ে তোলা ও ক্ষুধামুক্ত উন্নত দেশ গঠনে ২০০৮ সালের ১২ ডিসেম্বর দিন বদলের সনদ ঘোষণা করা হয়। তারই ধারাবাহিকতায় তৃণমূল মানুষের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দিতে সরকার প্রতিষ্ঠা করে ডিজিটাল সেন্টার।
২০১০ সালের ১১ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে চরকুকরীমুকরীতে অবস্থানরত নিউজিল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও তৎকালীন ইউএনডিপি কর্মকর্তা হেলেন ক্লার্কের সাথে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে একযোগে দেশের চারহাজার পাঁচশ’ একটি ইউনিয়নে চালু করেন তথ্য ও সেবা কেন্দ্র। প্রতিষ্ঠার পর থেকে কম খরচে, কম সময়ে, হয়রানিমুক্ত সেবা পেয়ে মানুষের পদচারণায় মুখরিত হয় ডিজিটাল সেন্টারগুলো। আইসিটি ডিভিশন ও একসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) প্রোগ্রামের সার্বিক তত্ত্বাবধান এবং মাঠ পর্যায়ে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের নিবিড় তদারকির কারণে তৃণমূলে সেবার বাতিঘরে পরিণত হয় ডিজিটাল সেন্টার। প্রতিনিয়ত ডিজিটাল সেন্টারে বাড়ছে সেবার বহর। সেবার সাথে বাড়ছে উদ্যোক্তাদের আয়ও।
ডিজিটাল বাংলাদেশ আর ডিজিটাল যশোর যেন একে অপরের পরিপূরক। ডিজিটাল বাংলাদেশের সূচনা লগ্ন থেকেই যশোরের অবস্থান প্রযুক্তির নগরী হিসেবে। নানা উদ্ভাবনী উদ্যোগ আর ডিজিটাল সেবা বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১২ সালের ২০ ডিসেম্বর যশোরকে দেশের প্রথম ডিজিটাল জেলা হিসেবে ঘোষণা করেন। ডিজিটাল যশোর যখন থেকে ই-সেবার প্রদর্শণীক্ষেত্র তখন থেকেই সেবার বীজতলা হিসেবে কাজ করে গেছে ডিজিটাল সেন্টারগুলো।



যশোরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) শাম্মী ইসলাম এ বিষয়ে বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশের অবিচ্ছেদ্য অংশ ডিজিটাল সেন্টার। তৃণমূল মানুষের সেবা প্রদানে ডিজিটাল সেন্টারের উদ্যোক্তারা দশ বছর ধরে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। জাতির পিতার জন্ম শতবর্ষ ও ডিজিটাল সেন্টারের দশ বছর পূর্তি উপলক্ষে প্রতিটি সেন্টারে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলছে মাসব্যাপী প্রচারণা। ডিজিটাল সেন্টার থেকে যত ধরণের সেবা প্রদান করা হয় সে তথ্য সকলের কাছে পৌঁছে দেয়ায় এ প্রচারণার মূল লক্ষ্য। ১১ নভেম্বর জেলা প্রশাসন ও ডিজিটাল সেন্টার যৌথভাবে নানা আয়োজনে প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন করবে। সকাল সাড়ে দশটায় কালেক্টরেট চত্বর থেকে বেলুন ফেস্টুন উড়িয়ে কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন যশোর জেলা প্রশাসক তমিজুল ইসলাম খান। পরে কালেক্টরেট সভাকক্ষে দশ বছর পূর্তির কেককাটা, আলোচনা সভা ও আগামী দিনের করণীয় বিষয়ক কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে।
গ্রাম আর শহরের মধ্যে দূরত্ব কমানোর জন্য তৃণমূলে ডিজিটাল সেন্টার প্রতিষ্ঠা করা হয়। আর এখন শহরের সব সুযোগ সুবিধা গ্রামে পৌঁছে দিতে সরকার হাতে নিয়েছে আমার গ্রাম, আমার শহর উদ্যোগ। সেই উদ্যোগ বাস্তবায়নের কেন্দ্রবিন্দু ডিজিটাল সেন্টার। দশ বছরের অর্জিত জ্ঞাণ আর অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে ই-গর্ভনেন্স, কানেক্টিভিটি, হিউম্যান রিসোর্স আর আইসিটি ইন্ডাস্ট্রিজ গঠণে তৃণমূলের হাব হিসেবে কাজ করবে ডিজিটাল সেন্টার, এমনটাই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।



সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft