শুক্রবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২১
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল
মহেশপুরে পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র নেই ২০ ইটভাটার
মহেশপুর(ঝিনাইদহ)অফিস :
Published : Saturday, 21 November, 2020 at 4:43 PM
মহেশপুরে পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র নেই ২০ ইটভাটারঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলায় মোট ২২টি ইটভাটা রয়েছে। এরমধ্যে ২০টিরই পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র নেই। ইটভাটা স্থাপনসংক্রান্ত সরকারি নিয়ম না মেনেই গড়ে উঠেছে এসব ইটভাটা।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলায় ২২টি ইটভাটার মধ্যে ২টিতে পরিবেশের ছাড়পত্র রয়েছে বাকি ২০টি ইটভাটাই অবৈধ। ইটভাটার মালিকেরা বলেন, তাঁরা পরিবেশ অধিদপ্তরের কাছে ইটভাটা চালুর জন্য আবেদন করেছে।
আইন অনুযায়ী জনবসতিপূর্ণ ও আবাসিক এলাকা, বনাঞ্চল, উপজেলা সদর ও ফলের বাগানের তিন কিলোমিটারের মধ্যে ইটভাটা স্থাপন করা নিষিদ্ধ। কোনো এলাকায় ৫০টি বাড়ি ও ৫০টির বেশি ফলের গাছ থাকলে সেখানে এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাশে ইটভাটা স্থাপন করা যাবে না। সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার অধিকাংশ ইটভাটাগুলো একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৫০০-৬০০ গজের মধ্যে রয়েছে। এসব ভাটার চিমনির ধোঁয়া আশপাশের পরিবেশ দূষিত করছে।
উপজেলা কৃষি অফিসার হাসান আলী বলেন, ইটভাটার কারণে এলাকার পরিবেশ বিপন্ন হচ্ছে। কৃষি জমির উৎপাদন কমছে। প্রতিবছর উপরিভাগের মাটি তুলে বিক্রির কারণে আবাদি জমির উর্বরতা নষ্ট হচ্ছে। আশপাশের গাছপালারও ক্ষতি হচ্ছে।
পরিবেশ অধিদপ্তর ও উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ২০টি ইটভাটায় ছাড়পত্র নেই। উপজেলার পৌরসভার মধে ৬টি ও ইউনিয়ন পর্যায়ে ১৬টি ইটভাটা রয়েছে।
ইতিমধ্যে এলাকায় র‌্যাডো ব্রিকস, জুয়েল ব্রিকস, মিলন ব্রিকস, শাকিল ব্রিকস, বাহার ব্রিকস নামের কয়েকটি ইটভাটায় গিয়ে দেখা গেছে সেখানে কাঠের স্তুপ। পাশাপাশি কিছু কয়লাও রাখা হয়েছে। র‌্যাডো ইটভাটার মালিক আব্দুর রহমান জানান ‘আমরা তিন বছর আগে পরিবেশ অধিদপ্তরের কাছে ছাড়পত্র চেয়ে আবেদন করেছি। এখন আদালতের নির্দেশনা নিয়ে ইটভাটায় চালু রেখেছি।’ কাঠ পোড়ানোর বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, কেবল কাঠ নয়, ইটভাটায় কয়লাও পোড়ানো হবে।
রাফিদ ইটভাটা মালিক রুবেল হোসেন দম্ভোক্তি করে বলেন, সাংবাদিকরা ইটভাটা নিয়ে লেখালেখি করলেও তার কিছু হবে না। স্থানীয় প্রশাসন তার হাতের ইশারায় চলে।
খুলনা পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক সাইফুর রহমান জানান, ‘পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমতি না নিয়ে মহেশপুরে   অধিকাংশ ইটভাটা চলছে। অতি শিঘ্রই প্রশাসনের পক্ষ থেকে অভিযান চালানো হবে এবং অভিযান অব্যাহত থাকবে।’
উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাশ্বতী শীল বলেন, ইটভাটার বিষয়ে তাদের কাছে কোন চিঠিপত্র আসেনি আসলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।




সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft