মঙ্গলবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২১
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল
ভৈরব ও শেখ হাসিনা সেতুর উদ্বোধন
জেলাগুলোর মধ্যে যোগাযোগের নতুন দিগন্ত উন্মোচন
তারিম আহমেদ ইমন, নওয়াপাড়া (যশোর)
Published : Sunday, 22 November, 2020 at 5:51 PM
ভৈরব ও শেখ হাসিনা সেতুর উদ্বোধনশিল্প, বাণিজ্য ও বন্দর নগরী নওয়াপাড়ার বুক চিরে অভয়নগর উপজেলাকে দু’ভাগে বিভক্ত করে বয়ে যাওয়া ভৈরব নদের ওপর নির্মিত দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের স্বপ্নের ভৈরব সেতুটি  ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। একইসাথে তিনি উদ্বোধন করেছেন মাগুরার মহম্মদপুরে মধুমতি নদীর ওপর নির্মিত ‘শেখ হাসিনা সেতু’ও।
রোববার সকাল সাড়ে দশটায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সেতু দু’টির উদ্বোধন করেন।
নওয়াপাড়ার ভৈরব সেতুর উদ্বোধনের ফলে দক্ষিণাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থায় নতুন দিগন্ত উম্মোচিত হলো। সেতুটি উদ্বোধনের ফলে যশোর-খুলনা মহাসড়কের সাথে নড়াইল জেলার কালিয়া উপজেলার সরাসরি সংযোগ স্থাপন হয়েছে। স্থানীয়ভাবে ভৈরব সেতুতে একটি উদ্বোধনী মঞ্চ তৈরি করা হয়।
শেখ হাসিনা সেতু উদ্বোধনের ফলে মাগুরা, নড়াইল, ঝিনাইদহ ও যশোর জেলার একাংশ এবং ফরিদপুর, রাজবাড়ি, ঢাকা, গোপালগঞ্জ, মাদারিপুর, শরিয়তপুর ও বরিশালসহ উত্তর-পূর্বাঞ্চলের জেলাগুলোর সাথে যাতায়াতের পথ সুগম হয়েছে।
সেতু দু’টি উদ্বোধনের পর পরই এগুলোর ওপর দিয়ে সব ধরনের যানবাহন চলাচল উন্মুক্ত করে দেয়া হয়।
যশোরের জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সেতুর উদ্বোধনকালে প্রশাসনিক কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, সামাজিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। ভৈরব নদের ওপর নির্মিত সেতুটিতে ব্যয় হয়েছে ৯২ কোটি ৭৩ লাখ ৪৪ হাজার পাঁচশ ৯১ টাকা। ১৫টি পিলারের ওপর দন্ডায়মান সেতুটির দৈর্ঘ্য ৭০২.৫৫ মিটার এবং প্রস্থ ৮.১ মিটার। ২০১৫ সালের জুন মাসে এটির কাজ শুরু হয়েছিল।
অন্যদিকে, মাগুরার জেলা প্রশাসকের সভাকক্ষে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে যুক্ত ছিলেন সংসদ সদস্য সাইফুজ্জামান শিখর, ড. বীরেন শিকদার, জেলা প্রশাসক ড. আশরাফুল আলম, পুলিশ সুপার খান মুহম্মদ রেজওয়ানসহ প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ।  
২০১৩ সালের ৭ নভেম্বর শেখ হাসিনা সেতুর নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। কাজ শুরু হয় ২০১৫ সালের ১০ এপ্রিল। শেষ হয় ২০১৮ সালের এপ্রিল মাসে। সেতুটির দৈর্ঘ্য ছয়শ’ দশমিক ৭০ মিটার এবং প্রস্থ ৯ দশমি ৮০ মিটার। সেতুটিতে ১৫০টি পাইল, ১৪টি পিয়ার, ২টি অ্যাবাটমেন্ট ও ১৫টি স্প্যান রয়েছে। যা নির্মাণে ব্যয়ে হয়েছে ৬৩ কোটি ৩১ লাখ ২৮ হাজার টাকা।






সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft