শনিবার, ০৮ মে, ২০২১
স্বাস্থ্যকথা
ছয়শ’কোটি টাকা জমা দিচ্ছে সরকার
৪২৫ টাকায় মিলবে করোনার ভ্যাকসিন
ঢাকা অফিস
Published : Saturday, 2 January, 2021 at 8:46 PM

৪২৫ টাকায় মিলবে করোনার ভ্যাকসিনঅবশেষে করোনার ভ্যাকসিন কেনার টাকা জমা দিতে যাচ্ছে বাংলাদেশ সরকার। রোববার সরকার ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট থেকে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা কেনার জন্য ছয়শ’কোটি টাকা জমা দেবে ব্যাংকে। চুক্তি অনুযায়ী সেরাম ইনস্টিটিউট ছয় মাসের মধ্যে তিন কোটি টিকা দেবে বাংলাদেশকে। অক্সফোর্ডের এই ভ্যাকসিন সর্বোচ্চ পাঁচ ডলার, অর্থাৎ বাংলাদেশি টাকায় চারশ’২৫ টাকায় পাওয়া যাবে।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক এ বিষয়ে বলেন, করোনা ভ্যাকসিনের বিষয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেয়ায় অনেক দেশের তুলনায় কম দামে অল্প সময়ে ভ্যাকসিন পাবে বাংলাদেশ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অক্সফোর্ডের ভ্যাকসিন শিগগিরই অনুমোদন দেবে। এই ভ্যাকসিনে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কম বলেও জানান তিনি।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, প্রায় ছয় কোটি মানুষের জন্য ভ্যাকসিনের অর্ডার নিশ্চিত করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে আরও অর্ডার দেয়া হবে। অক্সফোর্ডের ভ্যাকসিন তিন কোটি ডোজই পাওয়া যাবে; যার প্রথম দফায় আসবে ৫০ লাখ ডোজ।

প্রথম দফায় আসা ভ্যাকসিন কাদেরকে দেয়া হবে, সে বিষয়ে তালিকা তৈরি করতে প্রধানমন্ত্রীর মূখ্যসচিবের নেতৃত্বে একটি কমিটি কাজ করছে। ভ্যাকসিন দেয়ার পরও মাস্ক পরাসহ স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করতে হবে বলে জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। চলতি মাসেই ভ্যাকসিনের প্রথম চালান আসবে বলে জানান জাহিদ মালেক।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে, রোববার সরকার ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটকে টিকা কেনার জন্য ছয়শ’ কোটি টাকার বেশি টাকা জমা দেবে ব্যাংকে। বিনিময়ে সেরাম ইনস্টিটিউট একটা ব্যাংক গ্যারান্টি দিবে। ভারতের টিকা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান সেরাম ইনস্টিটিউট অগ্রিম টাকা হিসেবে এটা নেবে এবং বাকি টাকা টিকা সরবরাহ শুরু করার পর দেয়া হবে।

তবে, চুক্তির ধারা অনুযায়ী তারা যদি আগামী জুনের মধ্যে টিকা দিতে না পারে তাহলে বাংলাদেশ অগ্রিম দেয়া এই টাকা ফেরত নেবে। এর আগে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ভারতের টিকা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান সেরাম ইনস্টিটিউট ও বাংলাদেশের বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের সাথে চুক্তি করে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা কেনার জন্য। তারই অংশ হিসেবে এই কাজ হচ্ছে।

এদিকে, শুক্রবার অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকার অনুমোদন দিয়েছে ভারত সরকার।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম বলেন, যেকোনো টিকার দু’টি দিক রয়েছে। প্রথমত টিকা দেশে আনা এবং দ্বিতীয় হচ্ছে ভোক্তা পর্যায়ে পৌঁছে দেয়া। এটার ব্যাপারে আইনি অনেক বাধ্যবাধকতা আছে, অনেক রকম আইন আছে। তারপরও এটা যাতে সরাসরি কেনা যায় সেজন্য প্রধানমন্ত্রী অনুমোদন দিয়েছেন।
 




সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft