বুধবার, ১৬ জুন, ২০২১
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল
মণিরামপুরে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় দু’জনের আদালতে স্বীকারোক্তি
কাগজ সংবাদ
Published : Thursday, 7 January, 2021 at 9:13 PM
মণিরামপুরে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় দু’জনের আদালতে স্বীকারোক্তিমণিরামপুরে এসিল্যান্ডের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট হ্যাক করার অভিযোগে আটক দু’জন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। আটককৃতরা হলো, মণিরামপুর উপজেলার শাহিন আক্তারের ছেলে জিএম তাহসিন হামিম ও একই এলাকার এম এ খালেকের ছেলে ফারদিন আহসান বাধন। অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মারুফ আহম্মেদ জবানবন্দি গ্রহন শেষে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
এরআগে গত ২৯ মার্চ উপজেলা সহকারী প্রোগ্রামার প্রল্লাদ দেবনাথ অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে মণিরামপুর থানায় মামলা করেন। সরকারি ওয়েব পোর্টাল হ্যাক করে বিতর্কিত ছবি ও লেখা প্রকাশ করায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা অন্তর্ভুক্ত করা হয়।  মামলার তদন্তের দায়িত্ব পান সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সাইবার পুলিশ সেন্টার ঢাকার উপ পুলিশ পরিদর্শক আলফাজ হোসেন। মামলা তদন্তেকালে গত ৪ জানুয়ারি মণিরামপুর উপজেলার পুরানো বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে প্রথমে নিজ বাড়ি থেকে তাহসিন হামিমকে আটক করে। জিজ্ঞাসাবাদে উঠে আসে সে মেইল তৈরি করে এবং বাধন ও ফরহাদের কাছে বিক্রি করে। পরে রাত ১১ টা ৫৫ মিনিটে গরুরহাট মোড় নিজ বাসা থেকে বাধনকেও আটক করা হয়। এসময় তার ব্যবহৃত ডিজিটাল ডিভাইসে ৪শ’৫০ টি ফেসবুক আইডি ব্যবহারের প্রমাণ পাওয়া যায়। যা কি কাজে ব্যবহার হয় তার উত্তর দিতে ব্যর্থ হয় বাধন। তাদের এ চক্রের সাথে আরো অনেকে জড়িত ও তারা বিভিন্ন আইডি হ্যাক করে মানুষের কাছে অর্থ দাবি করে বলে পুলিশের বিশেষ টিম দাবি করে। এরপর তাদেরকে আদালতে সোপর্দ করে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন জানান। আদালত আটক দুইজনের তিনদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন। সর্বশেষ বৃহস্পতিবার তাদেরকে আদালতে সোপর্দ করলে তারা ঘটনার সাথে সম্পৃক্ততার বিষয় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। জবানবন্দি গ্রহন শেষে আদালত তাদেরকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
উল্লেখ, করোনাভাইরাস মোকাবিলায় লোকসমাগম ঠেকাতে মণিরামপুর উপজেলার বিভিন্ন স্থানে সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাইয়েমা হাসানের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়। এসময় তিন বৃদ্ধ ব্যক্তিকে কান ধরে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়। যার ছবি বিভিন্ন যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েন সাইয়েমা হাসান। একপর্যায় তাকে প্রত্যাহার করে বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়। এ ঘটনায়  এসিল্যান্ড সাইয়েমা হাসানকে নিয়ে ফেইসবুকে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করা ও অফিশিয়াল ওয়েবসাইট হ্যাক করার অভিযোগে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে পৃথক দুইটি মামলা করা হয়।





সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft