বৃহস্পতিবার, ১৭ জুন, ২০২১
সারাদেশ
রাণীনগরে গোখাদ্যের দাম বাড়ায় বিপাকে খামারিরা
করোনাকালেও মেলেনি সরকারি সহায়তা
কাজী আনিছুর রহমান, রাণীনগর (নওগাঁ) :
Published : Friday, 8 January, 2021 at 4:38 PM
রাণীনগরে গোখাদ্যের দাম বাড়ায় বিপাকে খামারিরানওগাঁর রাণীনগরে গোখাদ্যের মূল্য কয়েকগুন বৃদ্ধি পেয়েছে। করোনাকালেও সরকারি কোন সহায়তা না পাওয়ায় গরু পালনে বিপাকে পড়েছেন খামারিরা।
রাণীনগর উপজেলা প্রানী সম্পদ অধিদপ্তর সুত্রে জানাগেছে, উপজেলা জুরে ছোট-বড় প্রায় ২ হাজার ৮০৮ টি গরুর খামার রয়েছে। এসব খামারে প্রায় ১লক্ষ ১০ হাজার ৫৭৩টি  গরু লালন-পালন করেন খামারীরা । গত বন্যায় রাণীনগর উপজেলাসহ আশে পাশের বিভিন্ন এলাকায় ধান পানিতে ডুবে যাওয়ায় গরুর প্রধান খাদ্য খড়ের সংকট দেখা দেয়। এতে গোখাদ্যের মূল্য কয়েকগুণ বেড়ে গেছে।    
 স্থানীয়রা জানান,গত মৌসুমে প্রতি বিঘা (৩৩শতক) জমির খড় রকম ভেদে ৫শ’ থেকে ৮শ’ টাকায় বিক্রি হয়েছে। কিন্তু সেই খড় বর্তমানে প্রতি বিঘা বিক্রি হচ্ছে ৩ হাজার থেকে ৪ হাজার টাকায়। এছাড়া ধান কাটার পর জমিতে অবশিষ্ট যে নাড়া থাকে সেই নাড়াও এবার প্রতি বিঘা ১ হাজার থেকে দেড় হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ফলে গরুর প্রধান খাদ্য খড় নিয়ে চরম বিপাকে পরেছেন এলাকার খামারীরা। আবাদপুকুর কুতকুতি তোলা মোড়ের গো-খাদ্য ব্যবসায়ী আলহাজ্ব মোহাম্মদ আলী খাঁন জানান, ভূষি,ব্যান্ড-ময়দা,খৈল এসবেও বস্তা প্রতি প্রায় আগের তুলনায় ২শ’ থেকে আড়াই’শ’ টাকা দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে গোখাদ্যের দাম বাড়লেও সেই তুলনায় বাজারে গরু বিক্রিতে দাম বাড়েনি। এমন সংকটে করোনাকালে রিক্সা,ভ্যান,পরিবহন চালক, অসহায় দু:স্থ্যদের এবং ফসল উৎপাদনসহ বিভিন্ন খাতে সরকার প্রনোদনা দিলেও মাংস,দুধ উৎপানে এই এলাকায় খামারীদের কোন সরকারী সহায়তা মিলেনি। ফলে সরকারের সুযোগ-সুবিধা বঞ্চিত অনেক খামারীরা লোকসানের কবলে পরে দিশেহারা হয়ে পরেছেন।
 কালীগ্রাম বড়িয়াপাড়া গ্রামের খামারী খলিলুর রহমান,আতাইকুলা গ্রামের শাহিনুর রহমান,মিরাটের বীরেন হাওলাদার,ঘোষগ্রামের লোটন হোসেন,ভবানীপুরের হাসান আলীসহ অন্যান্য খামারীরা জানান,এলাকায় গরুর প্রধান খাদ্য খড়ের চরম সংকট দেখা দিয়েছে । আমরা অনেকেই খড় না পেয়ে জমি থেকে নাড়া,পানা বা বাতরাজ কেটে খাওয়াচ্ছি । তারা বলেন,সরকারী ভাবে খাদ্য সহায়তার জন্য তালিকা হয়েছে শুনেছি। কিন্তু করোনাকালীন দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও আশ্বাস ছাড়া ভাগ্যে কোন সহায়তা মেলেনি। চরাদামে খাদ্য কিনে গরু পালনে লোকসান হচ্ছে । তাই খামারীদের টিকে রাখতে সরকারীভাবে খাদ্য সহায়তার আহ্বান জানিয়েছেন।
রাণীনগর উপজেলা প্রাণী সম্পদ দপ্তরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম খাদ্য সংকটের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, করোনাকালীন সময়ে খামারীদের কিছুটা লোকসান পুষিয়ে নিতে ইতি মধ্যে একটি প্রকল্পের মাধ্যমে  তালিকাও করা হয়েছে। কিন্তু এখনো কোন সহায়তা আসেনি। আসা করছি দ্রুত সময়ের মধ্যেই এই সহায়তা খামারীরা পাবেন।#



সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft