বুধবার ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ২৬ মাঘ ১৪২৯
                
                
☗ হোম ➤ সম্পাদকীয়
ডেঙ্গু জ্বরে রেকর্ড মৃত্যুর পথে দেশ
প্রকাশ: বুধবার, ৯ নভেম্বর, ২০২২, ৭:০৮ পিএম |
দেশে প্রতিদিনই বাড়ছে ডেঙ্গুর সংক্রমণ এবং মৃত্যুর সংখ্যা। বাংলাদেশের ইতিহাসে এখন পর্যন্ত দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ডেঙ্গুর সংক্রমণ হয়েছে চলতি বছর এবং ডেঙ্গুতে অতীতের মৃত্যুর সব রেকর্ড ছাড়িয়ে যাওয়ার দ্বারপ্রান্তে রয়েছে দেশ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক কারণে এবার দেরিতে এসেছে বর্ষা। থেমে থেমে বৃষ্টিপাতের কারণে বিভিন্ন স্থানে পানি জমে থাকায় এডিস মশার প্রজনন বেশি হয়ে দীর্ঘায়িত হয়েছে ডেঙ্গু মৌসুম।
সাধারণত এপ্রিল থেকে অক্টোবর পর্যন্ত ডেঙ্গুর মৌসুম হিসেবে ধরা হয়। তবে জুন থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই চার মাস হলো ডেঙ্গুর মূল মৌসুম। চলতি বছরের জুলাই মাসের শেষ সপ্তাহ থেকে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। এবছর নভেম্বর মাসের প্রথম সপ্তাহেও ডেঙ্গু রোগের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। দেশে সর্বোচ্চ ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত ও মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছিল ২০১৯ সালে। ওই বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নেন এক লাখ এক হাজার ৩৫৪ রোগী এবং মারা যান ১৭৯ জন। এ বছর ডেঙ্গুতে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ২০১৯ সালের তুলনায় কম, তবে মৃত্যুর দিক দিয়ে ২০১৯ সালের কাছাকাছি পৌঁছে গেছে। চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৬ নভেম্বর পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা সর্বমোট ৪৩ হাজার ১০৭ জন। একই সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মোট ১৭০ জন মারা গেছেন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সুত্র অনুযায়ী দেশে ২০০০ সালে দেশে সাড়ে পাঁচ হাজার রোগী ডেঙ্গু ভাইরাসে আক্রান্ত হন এবং ৯৩ জনের মৃত্যু হয়। ২০০১ সালে আড়াই হাজার লোক ডেঙ্গু আক্রান্ত হয় এবং ৪৪ জনের মৃত্যু হয়। ২০০২ সালে ছয় হাজার রোগীর মধ্যে ৫৮ জন মারা যান। ২০০৩ সালে ৪৮৬ জনের মধ্যে ১০ জন, ২০০৪ সালে চার হাজারের মধ্যে ১৩ জন, ২০০৫ সালে এক হাজারের মধ্যে চার জন, ২০০৬ সালে দুই হাজারের মধ্যে মৃত্যু হয় ১১ জনের।
২০০৭ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত আড়াই হাজার ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হলেও কেউ মারা যাননি। ২০১১ দেড় হাজারের রোগীর মধ্যে ছয়জনের মৃত্যু হয়। ২০১২ সালে ৬৭১ জনের মধ্যে একজন, ২০১৩ সালে প্রায় দুই হাজারের মধ্যে দুইজন রোগী মারা যান। ২০১৪ সালে ৩৭৫ জন ডেঙ্গু রোগীর মধ্যে কেউ মারা যাননি। ২০১৫ সালে তিন হাজারের মধ্যে ছয়জন, ২০১৬ সালে ছয় হাজারের মধ্যে ১৪ জন, ২০১৭ সালে তিন হাজারের মধ্যে আট জন, ২০১৮ সালে ১০ হাজার ১৪৮ জনের মধ্যে ২৬ জন, ২০১৯ সালে ১ লাখ ১ হাজার ৩৫৪ জনের মধ্যে ১৭৯ জন মারা যান। ২০২০ সালে দেড় হাজার মানুষ ডেঙ্গু আক্রান্ত হলেও মৃত্যু হয় চারজনের। আর ২০২১ সালে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয় সাড়ে ২৮ হাজার, মারা যান ১০৫ জন। বর্তমানে ডেঙ্গু ক্রমাগত আতঙ্ক বাড়িয়েই চলেছে।


গ্রামের কাগজ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন


সর্বশেষ সংবাদ
সংবাদ সম্মেলন কান্নায় ভেঙে পড়েন দু’স্ত্রী
নীলগঞ্জ মহাশ্মশানের কমিটি গঠন
মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ইয়াং বাংলার সভা
শেষ হলো জাতীয় শীতকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতা
নড়াইলে ৬ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা
শিক্ষা মেগা প্রকল্প হিসেবে বিবেচিত হবে : মন্ত্রী
সেপ্টেম্বরে ‘জাতীয় স্থানীয় সরকার দিবস’ পালন হবে : মন্ত্রী
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
মণিরামপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় আইনজীবী নিহত, আহত ৫
রহস্যময় ফেব্রুয়ারি, ফের আসবে ৮২৩ বছর পর
আলোচিত নীলা এবার খুলনা কারাগারে
এলাকা ছাড়ছে সাতক্ষীরা উপকূলের মানুষ
আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগের কালো তালিকায় ৮৭ এমপি
ধ্বংসযজ্ঞের নিচে শুধু লাশের স্তুপ
বিশ্বকাপ প্রস্তুতি ম্যাচে আজ মুখোমুখি বাংলাদেশ-পাকিস্তান
আমাদের পথচলা | কাগজ পরিবার | প্রতিনিধিদের তথ্য | অন-লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য | স্মৃতির এ্যালবাম
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন | সহযোগী সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০২৪৭৭৭৬২১৮২, ০২৪৭৭৭৬২১৮০, ০২৪৭৭৭৬২১৮১, ০২৪৭৭৭৬২১৮৩ বিজ্ঞাপন : ০২৪৭৭৭৬২১৮৪, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
কপিরাইট © গ্রামের কাগজ সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft