
র্যাব-৯, সিপিসি-৩, র্যাব-২, সিপিসি-৩ এবং র্যাব-১০-এর যৌথ অভিযানে যাত্রাবাড়ী এলাকায় অভিযান চালিয়ে মাহবুব (৩১) নামের এক আসামিকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার লালপুর গ্রামের মামুন মিয়ার ছেলে।
সোমবার (৭ জুন) সকাল আনুমানিক সাড়ে ৯টার দিকে ঢাকার যাত্রাবাড়ী থানার মাতুয়াইল মেডিক্যালের সামনে অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেফতার করা হয়। তার বিরুদ্ধে ঢাকা জেলার যাত্রাবাড়ী থানায় মামলা নং-১১৫ (তারিখ: ০৬/০৪/২০২৬ খ্রি.), নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধিত) এবং পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১২-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা রয়েছে।
র্যাব-৯-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়, গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার সূত্র ধরে যৌথ বাহিনী গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান পরিচালনা করে তাকে আটক করতে সক্ষম হয়।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ভিকটিম তার স্বামীর সাথে বিবাহ বিচ্ছেদের পর গাজীপুরে একটি গার্মেন্টসে চাকরি করতেন। প্রায় এক বছর আগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের মাধ্যমে মাহবুবের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। পরবর্তীতে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
অভিযোগ অনুযায়ী, পরবর্তীতে বিবাদী ভিকটিমকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে বিভিন্ন সময়ে দেখা করেন এবং একপর্যায়ে তাকে বাসায় নিয়ে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। এ সময় গোপনে ভিডিও ধারণ করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে সেই ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে ভিকটিমের কাছ থেকে অর্থ দাবি করা হয় এবং বিভিন্ন সময়ে মোট ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা আদায় করা হয়।
এছাড়া ভিকটিম পরে গর্ভবতী হয়ে পড়লে বিষয়টি জানানো হলেও বিবাদী তাকে বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানান বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ঘটনায় ভিকটিম বাদী হয়ে যাত্রাবাড়ী থানায় মামলা দায়ের করেন।
পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য গ্রেফতারকৃত আসামিকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাব।
মন্তব্য করুন