
যশোরের কেশবপুর উপজেলার পাঁজিয়া ইউনিয়ন পরিষদে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নির্ধারিত সময়ে অফিসে উপস্থিত না হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। সরকারি বিধি অনুযায়ী সকাল ৯টায় অফিস কার্যক্রম শুরু হওয়ার কথা থাকলেও সোমবার নির্ধারিত সময়ের পরও ইউনিয়ন পরিষদের বিভিন্ন দপ্তরের কক্ষ তালাবদ্ধ অবস্থায় দেখা যায়।
সোমবার সকালে ইউনিয়ন পরিষদে গিয়ে দেখা যায়, সকাল ৯টার আগেই জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হলেও অফিস সময় শুরু হওয়ার পরও অধিকাংশ কক্ষ বন্ধ ছিল। পরে এক গ্রাম পুলিশ এসে বিভিন্ন কক্ষের তালা খুলে দেন। সকাল সাড়ে ৯টার পর ধীরে ধীরে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অফিসে আসতে শুরু করেন। স্থানীয়দের দাবি, এমন চিত্র প্রায়ই দেখা যায়।
এদিকে জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদ, ওয়ারিশ সনদসহ বিভিন্ন সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষকে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়। সেবাপ্রার্থীদের অভিযোগ, নির্ধারিত সময়ে অফিসে এসেও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের না পাওয়ায় তাদের সময় নষ্ট হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় সেবা পেতে অতিরিক্ত সময় ব্যয় করতে হচ্ছে।
ভুক্তভোগীরা জানান, জরুরি প্রয়োজনে ইউনিয়ন পরিষদে এসে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে। এতে একদিকে যেমন ভোগান্তি বাড়ছে, অন্যদিকে অতিরিক্ত সময় ও অর্থও ব্যয় হচ্ছে।
এ বিষয়ে ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. বিল্লাল হোসেন বলেন, “অফিসিয়াল কাজে উপজেলা কার্যালয়ে প্রশাসকের সঙ্গে দেখা করতে যাওয়ার কারণে আমার কিছুটা দেরি হয়েছে।”
পাঁজিয়া ইউনিয়নের প্রশাসক রুপালী রানী বলেন, “বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখা হচ্ছে। ভবিষ্যতে যাতে কেউ দেরিতে অফিসে না আসে, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, ইউনিয়ন পরিষদের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নিয়মিত ও সময়মতো অফিসে উপস্থিত থেকে জনসেবার কার্যক্রম পরিচালনা করবেন, যাতে সেবাপ্রার্থীদের অযথা ভোগান্তির শিকার হতে না হয়।
মন্তব্য করুন