শিরোনাম: বিষমুক্ত সবজি চাষের মডেল যশোরের লেবুতলা       যশোরে ৫৩ প্রতিষ্ঠানকে শোকজ       এবার রায়পুর কলেজের প্রভাষক অমলেন্দুকে স্থায়ী বরখাস্তের আবেদন       নয়ন হত্যা মামলার আসামিদের হুমকিতে শঙ্কায় বাদীর পরিবার       ইডা কোন নিয়ম কওদিনি বাপু!       মুজিব সড়কে সন্ত্রাসীদের হামলায় দু’ ভাই আহত       এহসান এসের বিরুদ্ধে আরও দু’ মামলা       যশোরে ইজিবাইক ও রিকশা চুরির ঘটনায় মামলা       যশোরে হাঁস মারাকে কেন্দ্র করে হামলা, মামলা       রওশন আলী কলেজের সাবেক সভাপতির বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের মামলা      
নড়াইলের ফ্যামিলি কেয়ারে আবারো অপচিকিৎসা
আশিকুর রহমান শিমুল :
Published : Wednesday, 23 September, 2020 at 12:34 AM
নড়াইলের ফ্যামিলি কেয়ারে আবারো অপচিকিৎসানড়াইলের সেই বহুল আলোচিত ক্লিনিক ফ্যামিলি কেয়ার হাসপাতালে আবারো অপচিকিৎসার শিকার হয়েছেন নাজমা খাতুন (৩০) নামে অন্তঃসত্ত্বা এক গৃহবধূ। তিনি নড়াইল ভুয়াখালী গ্রামের আশরাফুল ইসলামের স্ত্রী। বর্তমান যশোরের একটি বেসরকারি ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন রয়েছে নাজমা।
নাজমা খাতুনের স্বামী আশরাফুল ইসলাম জানান, ৯ আগস্ট ১৩ হাজার টাকায় চুক্তিতে স্ত্রীকে সিজারিয়ান অপারেশনের জন্যে নড়াইল ফ্যামিলি কেয়ার হাসপাতাল ভর্তি করেন। সেখানে ১০ আগস্ট তার স্ত্রী সন্তান জন্ম দেন। অপারেশন করেন ডাক্তার জিএম নুরুজ্জামান। এক সপ্তাহ পর রোগীকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়।  ২৩ আগস্ট রোগীর সিজার করা ক্ষতস্থান থেকে রক্তক্ষরণ শুরু হয়। তখন পরিবারের সদস্যরা পুনরায় ওই ক্লিনিকে নিয়ে গেলে মালিক মুকুল হোসেন ইনফেকশন হয়েছে বলে ড্রেসিং করে নড়াইল সদর হাসপাতালে রেফার করেন। ১৪ আগস্ট তাকে নড়াইল সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাকে। সেখান থেকে একদিন পর নাজমাকে যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়। কিন্তু শারীরিক অবস্থার উন্নতি না হলে পরিবারের সদস্যরা তাকে ১৬ আগস্ট একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করে। ১৮ আগস্ট বেসরকারি ওই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, নাজমার চিকিৎসা যশোরে হবে না। খুলনায় নিয়ে উন্নত চিকিৎসা করাতে হবে। ১৯ আগস্ট স্বজনরা তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। কিন্তু সেখানেও কোনো চিকিৎসা না পেয়ে ২১ আগস্ট ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে  নেওয়া হয়। সেখানে দু’ সপ্তাহের চিকিৎসায় কিছুটা সুস্থ হলে নাজমা খাতুনকে ছাড়পত্র দেয় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এরপর থেকে তিনি বাড়িতে চিকিৎসাধীন ছিলেন। কিন্তু ১১ সেপ্টেম্বর থেকে আবারো ক্ষতস্থান থেকে রক্তক্ষরণ শুরু হয়। ১২ সেপ্টেম্বর তাকে  ফের যশোরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমান  সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন নাজমা।
অভিযোগ উঠেছে, ফ্যামিলি কেয়ার হাসপাতাল প্রাইভেট লিমিটেডের মালিক ডাক্তার মুকুল হোসেনকে নড়াইলের সকলে সর্ব রোগের চিকিৎসক হিসেবে চিনেন এবং জানেন। নড়াইল জে বি সুপার মার্কেটে (২য় তলায়) বসে তিন-চারশ’ টাকা ফি নিয়ে চুটিয়ে রোগী দেখছেন। অপরদিকে, এ প্রতিষ্ঠানের ডাক্তার জিএম নুরুজ্জামান সার্জারি বিভাগের হলেও সব  রোগীর অপারেশন করেন তিনি।
২০১৮ সালে অবহেলা এবং ভুল অপারেশনের অভিযোগে ফ্যামিলি কেয়ার হাসপাতালের (ক্লিনিক) পরিচালক মুকুল হোসেন এবং সদর হাসপাতালের সার্জারির জুনিয়র কনসালটেন্ট জিএম নুরুজ্জামানের নামে থানায় মামলা করেন মনি মোল্লা নামে এক ব্যক্তি।
এ ব্যাপারে ডাক্তার জিএম নুরুজ্জামানের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘প্রতিদিন দু’ তিনটি অপারেশন করি। এ নামে কোনো রোগীর অপারেশন করেছি কিনা মনে পড়ছেনা। রোগীর কাগজপত্র নিয়ে ক্লিনিকে আসেন বসে কথা বলা যাবে।’ সার্জারি বিভাগের ডাক্তার হয়ে গাইনি চিকিৎসা দিতে পারেন কিনা জানতে চাইলে বলেন, তিনি এমবিবিএস পাস। সকল অপারেশন করার অনুমতি তার আছে।





« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft