শিরোনাম: বিদায় ম্যারাডোনা        যশোর জেলা পরিষদের মামলায় ১৩ আসামী        রামনগরের সাবেক চেয়ারম্যান রেজাউল সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত       শুক্রবার যশোরের বিভিন্ন এলাকায় দুপুর একটা পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে       দুক্কির কতা কবো কারে !       যশোর সদর উপজেলা চেয়ারম্যানকে শিক্ষক সমিতির সংবর্ধনা       ফের রিমান্ডে পুলিশ কনস্টেবল দেব প্রসাদ       যশোরে হামলা মারপিট ও ছিনতাইয়ের অভিযোগে পৃথক মামলা       বিনামূল্যে করোনার ভ্যাকসিন প্রত্যেককে দিতে হবে : জিএম কাদের       যশোরে মহিলা পরিষদের সংবাদ সম্মেলন       
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন
Published : Wednesday, 28 October, 2020 at 10:01 PM
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নবাংলাদেশ যে এগিয়ে চলেছে, তার আরও একটি দৃষ্টান্ত ফুটে উঠেছে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) তথ্যমতে চলতি অর্থবছরেই গড় মাথাপিছু আয়ে ভারতকে ছাড়িয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। এ নিয়ে ভারতীয় গণমাধ্যমে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ। সম্প্রতি হিন্দুস্তান টাইমসে বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা নিয়ে একটি কলাম লিখেছেন বিবিসির নয়া দিল্লি ব্যুরোর সাবেক প্রধান মার্ক টুলি।       
সে কলামটির সারমর্ম এরকম, আইএমএফের পূর্বাভাস অনুসারে ভারতের গড় মাথাপিছু আয়কে ছাড়িয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। এটি যেন ছাই থেকে উঠে আসা এক ফিনিক্স পাখির মতো। এই ছাই রেখে গিয়েছিল পাকিস্তানি সেনারা। ১৯৭১ সালে সেনা তাণ্ডবের পর পূর্ব পাকিস্তান ভ্রমণ করে আমি স্বচক্ষে এসব দেখেছি। ঢাকা থেকে রাজশাহী যাওয়ার পথে গ্রামগুলো পুড়ে ছাই হয়ে ছিল। এর আড়াই বছরেরও কম সময়ের মধ্যে দুর্ভিক্ষের মুখে পড়েছিল বাংলাদেশিরা। এরপর আসলো শেখ মুজিবুর রহমান হত্যাকাণ্ড আর ক্ষমতার জন্য সেনা কর্মকর্তাদের মধ্যে লড়াইয়ের ফলে রাজনৈতিক অস্থিরতা। নতুন জাতিটি আন্তর্জাতিকভাবে অপমানিত হলো। তৎকালীন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হেনরি কিসিঞ্জার এটিকে ‘তলাবিহীন ঝুড়ি’ বলে অবজ্ঞা করেছিলেন। তবে, গত ২০ বছরে বাংলাদেশের অর্থনীতি স্থিতিশীলভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে এবং দেশটিকে এখন অনেক সংস্থাই উন্নয়নের মডেল হিসেবে মনে করে। বাংলাদেশকে আজকের অবস্থানে আসতে দু’টি বিষয় সাহায্য করেছে, আর সে দু’টিই ভারতের জন্য ভিন্ন। প্রথমটি হচ্ছে, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা গ্রহণের ইচ্ছা এবং তার সঙ্গে পরামর্শ। ১৯৯০-এর দশকের শুরুর দিকে আমি বলেছিলাম, প্রচুর পরিমাণে বিদেশি সহযোগিতা বাংলাদেশ সরকারের রাজস্ব বৃদ্ধির সংকল্পকে দুর্বল করে দিচ্ছে। এখন পেছনে তাকালে দেখা যায়, এতে বাংলাদেশের উপকারই হয়েছে। কারণ, এর মারাত্মক অর্থনৈতিক সংকট রাজনীতি একপাশে রেখে সরকারকে দাতাদের পরামর্শ অনুসরণে বাধ্য করেছিল।
বাংলাদেশের রাজনীতিতে শক্তিশালী সমাজতান্ত্রিক ঐতিহ্য এবং বেসরকারিকরণকে দরিদ্রবিরোধী হিসেবে দেখা হবে- এমন আশংকা সত্ত্বেও ঢাকা বেসরকারিকরণের পথেই হেঁটেছিল। বিপরীতে, বেসরকারিকরণ নিয়ে ভারত অনেক বেশি দ্বিধান্বিত। দ্বিতীয়টিও ভারতের মতো নয়। বাংলাদেশের উন্নয়নে বেসরকারি সংস্থাগুলোকে (এনজিও) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে উদ্বুদ্ধ করা হয়েছিল।




« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft