আক্কেল চাচার চিঠি (আঞ্চলিক ভাষায় লেখা)
শিরোনাম: লালপুরে মাছের সঙ্গে এ কেমন শত্রুতা       আলোকিত সমাজ প্রতিষ্ঠায় ইমামদের ভূমিকা গুরুত্বপূণ : বাদশা       বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি আয়শা খানমের মৃত্যুতে শোক সভা       ঢেউ টিন, চাল-ডাল কম্বল ও অর্থ নিয়ে বাড়িতে হাজির ছবির হোসেন       ৬০ পৌরসভার ভোটগ্রহণ শেষ        পিকে হালদারের টাকা ভারত, কানাডা ও সিঙ্গাপুরে       শিশু তহবিল জালিয়াতিতে ডাচ সরকারের পদত্যাগ       ফেনিতে ককটেল বিস্ফোরণে এক আনসার সদস্যসহ ৪ জন আহত       রাজশাহী বিভাগে ১৭ জন করোনা রোগী শনাক্ত, সুস্থ ৩৮       পুনর্বাসনের আগে বাড়ি-ঘর ছেড়ে বিপাকে হাজারো পরিবার      
মনের দুক্কু কারে কবো !
Published : Thursday, 14 January, 2021 at 9:11 PM, Count : 96
মনের দুক্কু কারে কবো !শুনিচি আমাগের ধম্মে আচে দানধ্যানের বেলায় ইরাম কইরে দিতি হবে যাতে ডাইন হাতে দিলি বাও হাত টের না পায়। ময় মুরুব্বীগের মুকি শুনিচি দানধ্যান আর ধম্মকম্ম যত ডাবি মাইরে দিয়া যাবে ত্যাতো সুয়াব। আর একন এই সব কতা যেন কনে তলায় গেচে। সেদিন দেকলাম এক বিটিরে আটদশজন মিলে কি যেন এট্টা দেচ্চে। ফটক দেইকে যে কেউ মনে করবে মুটা অংকের কোন টাকার চেক দেচ্চে। পরে তলায় লিকা দেকলাম সাজ্জিকাল মাকস বিতরন কত্তেচে। একন ফেসবুক আইসে স¹লি যেন উতলে উইটেচে। বাচো কিম্বা মরো, আগে ফেসবুকি ছবি ছাড়ো। ফেসবুক ইরাম দুরানো দুরায়েচে লোক মল্লিও যতবেল মরার খবর ফেসবুকি না ওটপে ততক্ষন কেউরে বিশ্বেস করানোয় দুস্কর। দ্যান ধ্যান বা দিয়া থুয়া হলিতো কতায় নেই। আগে হড়ো দিয়ে লোক জড়ো কইরে তার ফটক তুইলে ফেসবুকি না ছাড়লি যেন ষোল আনাই মিছে। সে যার যা ইচ্চে করুকগে কিন্তুক কিচু কিচু ঘটনায় মনের দুক্কু চাইপে রাকতি পারিনে । বাজারের বহুত দুকানে দেকি লিকা থাকে হ্যানে যাকাতের কাপড় পাওয়া যায়।  পেত্তেম দেইকে বুজ কত্তি পারিলাম না ফ্যারাডা কি ! একদিন আইগোয় গ্যালাম যাকাতের কাপড় মানে কি এট্টু টুকায় দেকি। যাইয়ে যা দ্যাকলাম তাতে মনে হইলে ইডারে শাড়ি লুঙ্গি হিসেবে কাজে না লাগায়ে ঠ্যালা জালে লাগানোয় ভালো। পাতলা ফিরফিরে কইরে বানানো কাপড় যার দাম সব চাইতি সস্তা সিডাই যাকাতের কাপড়। যাইগের অল্প টাকা তারা দুকানে অডার দেয় আর যাগের মুটা টাকা কারখানায় অডার দেয়। কারখানায় যাকাতের কাপড় কইয়ে অডার দিয়ে বানায় আনে সব চাইতে কুমা দামের কাপড়। যিডা পইরে কোনটোয় যাওয়া যাবে কিনা সন্দেহ। কয়দিন আগে দেকলাম বাজারে শীতির কম্বল সব তলাশ কইরে বেড়াচ্চে। একশ’র কম হলি যুইত হয় ইরাম ভাব তাইগের। কারো কারো মনের ইচ্চে শুদু ফটক তুলা পন্তিক কম্বল দেকা গেলিই হবে পরে বাড়ি যাতি যাতি ফাইসে গেলিও ক্ষেতি নেই। এই শীতি যারা লাইন বাইন্দে ঘন্টার পর ঘন্টা দাড়ায় থাইকে এক দেড়শ টাকার কম্বল পায় সেই কম্বলে কট্টুক ওম হয় তা কি যারা দেয় কোনদিন গায় জড়ায়ে দেইকেচে। ইরাম জিনুস দিয়ে ক্যমারায় ফটক তুইলে ছবি বানায়ে ফেসবুক আর পিপার পত্রিকায় ছাইড়ে সব দাতা হাতেম তাইও সাইজে যাচ্চে। যারা এই সব নিয়ে বাড়ি ফেরে তাইগের কি দশা হয় সিডা নিয়ে কি ভাবে ?
ইতি
অভাগা আক্কেল চাচা
০১৭২৮৮৭১০০৩






« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft