মতামত
শিরোনাম: লিগ শুরু নিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি       আইপিএলে আজ মুখোমুখি হবে রাজস্থান ও চেন্নাই       টেস্ট ভেন্যুতে টাইগাররা       সাকিবকে বসানোর ইংগিত ম্যাককালামের       শিরোপা জয়ের স্বপ্ন ম্লান রিয়াল মাদ্রিদের       লক্ষ্মীপুরে জাল টাকা-ইয়াবাসহ ভুয়া পিএস গ্রেফতার       গাজীপুরে হেফাজতের আমির দুই ভাইসহ গ্রেপ্তার       সুপার লিগ নিয়ে ফুটবল বিশ্বে ঝড়       খানসামায় পেঁয়াজ বীজ উৎপাদন ও সংরক্ষণের পরীক্ষামূলক চাষেই সাফল্য       বগুড়ায় ২৪ ঘণ্টায় করোনায় ৫ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ৬৮      
জীবনের সৌন্দর্য্যে সঠিক জীবনদৃষ্টি
মিজানুর রহমান
Published : Tuesday, 2 February, 2021 at 10:38 PM, Count : 231
জীবনের সৌন্দর্য্যে সঠিক জীবনদৃষ্টিএকটি ছোট্ট ছিদ্র যেমন বড় একটি জাহাজকে ডুবিয়ে দিতে পারে ঠিক তেমনি জীবনদৃষ্টিতে যদি একটু ভুল থাকে তাহলে সব থাকার পরেও একজন মানুষের জীবন অর্থহীন হয়ে যেতে পারে। দৈনন্দিন জীবনের অনেক ছোটখাটো বিষয় থেকে শুরু করে যে-কোনো বড় সমস্যার মোড় আমরা ঘুরিয়ে দিতে পারি যদি আমাদের দৃষ্টিভঙ্গিটা সঠিক হয়, ইতিবাচক হয়। আসলে ঘটনা যাই ঘটুক আমাদের দেখার ওপর নির্ভর করছে ঘটনাটি আমাকে সুখী করবে, নাকি অসুখী করবে, আনন্দ দেবে নাকি দুঃখ দেবে।
জীবনদৃষ্টি সঠিক হলে আপনি রক্ষা পাবেন হোঁচট খাওয়া থেকে, বেঁচে যাবেন ভুল করা থেকে। মনে প্রশান্তি থাকবে, সুখ থাকবে, মোটামুটি ভাল থেকেও বলতে পারবেন অনেক ভাল আছি। সহজ স্বতঃস্ফূর্ততায় আপনি এগিয়ে যাবেন সফল জীবনের পথে।
জীবন আসলেই খুব সহজ কিন্তু এটিকে আমরা অযথাই জটিল করে তুলি। কোন সমস্যা আমার জন্য সম্ভাবনার দ্বার খুলে দেবে নাকি সংকটে রূপ নেবে তা নির্ভর করে আমাদের ওপর। এখন প্রশ্ন আসতে পারে, সঠিক জীবনদৃষ্টি কী? এককথায় উত্তর দিলে বলা যায়, জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গিকে গ্রহণ করাই সঠিক জীবনদৃষ্টি। আরো সহজ করে বলতে গেলে, যা সত্য, শাশ্বত ও কল্যাণকর তাকেই গ্রহণ করা। কেউ একটি কাজ করতে গিয়ে শত চেষ্টার পরও ব্যর্থ হয়েছে, যিনি এ ঘটনাকে নেতিবাচকভাবে নেবেন, তিনি হতাশায় নিমজ্জিত হবেন, ব্যর্থতার ভয় তাকে পেয়ে বসবে এবং পরবর্তীতে তিনি আর নতুনভাবে কাজ শুরু করতে পারবেন না। আর যিনি ইতিবাচক তিনি জানেন, ব্যর্থতার মাঝেই সুপ্ত আছে সাফল্যের বীজ। যে মাটিতে পড়ে গেছেন সেই মাটি ধরেই তিনি উঠে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেন এবং ক্রমাগত চেষ্টার ফলে তিনি একসময় কাঙ্খিত সাফল্য লাভ করেন।
আবার ধরুন, পরিবারে ‘আমি কী পেলাম বা অন্যেরা আমাকে বুঝল না’ এ ধরনের মানসিকতা যারা লালন করেন তাদের অধিকাংশই রাগ-ক্ষোভ, অভিমান, ঈর্ষা কিংবা দুঃখবোধে ভোগেন। কিন্তু সেই ব্যক্তিই যদি চিন্তা করেন ‘আমি কী দিতে পারি, আমি অন্যদেরকে কীভাবে বুঝতে পারি’ ইত্যাদি তাহলে সম্পর্কের ফাঁকগুলো কমে যায়। তিনিও যেমন প্রশান্তিতে থাকতে পারেন, পরিবারের জন্যে তিনিও হন প্রশান্তির উৎস।
ইতিবাচকতা বা সঠিক জীবনদৃষ্টি মানে বিশ্বাস করা যে পৃথিবীতে সবকিছুর মধ্যে ভালো বলে একটা ব্যাপার আছে। যারা ইতিবাচক মানুষ শত দুঃখকষ্টেও তারা কৃতজ্ঞচিত্ত। আর যারা নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি লালন করেন তারা সবকিছুতইে হবে না, পারব না, সম্ভব না, ইত্যাদি নিয়েই থাকনে, হতাশা হীনম্মন্যতা তাদের নিত্য সঙ্গী। প্রশ্ন হচ্ছে, আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি ইতিবাচক আছে কিনা তা বুঝব কীভাবে? অবশ্যই বোঝবার উপায় আছে। পরখ করুন-
জীবনের যে-কোনো প্রতিকূল পরিস্থিতিতে আশাবাদ ব্যক্ত করতে পারি কিনা? বর্তমান পরিস্থিতি যতই প্রতিকূল হোক না কেন জীবনে ভালো কিছু ঘটবে, আমার জন্যে ভালো কিছু অপেক্ষা করছে এই বিশ্বাস মনের ভেতরে গেঁথে নিতে পারি কিনা? নিজের সামর্থ্য ও শক্তির ওপর আস্থা আছে কিনা?
যা আছে তা নিয়ে খুশী বা শোকরগোজার থাকতে পারি কিনা এবং কী কী নেই তা নিয়ে হা-হুতাশ না করে যা আছে তা নিয়েই সুপরিকল্পিতভাবে কাজ শুরু করতে পারি কিনা?
সর্বাবস্থায় নিজের লক্ষ্য ও দৃষ্টিভঙ্গি অনুসারে আচরণ ও কর্মপন্থা করতে পারি কিনা?
জীবনদৃষ্টি যখন সঠিক হবে তখন আমরা সবকিছুতেই আশার আলো দেখতে পাব। আশা মানেই অগ্রযাত্রা, আশা মানেই সৃষ্টি। জীবন যে-কোনো পর্যায় থেকে শুরু করা যায়। যতক্ষণ শ্বাস আছে ততক্ষণ যেন আশার প্রদ্বীপটা জ্বালিয়ে রাখতে পারি। এই আশাবাদ বা ইতিবাচকতা জীবন, স্বাস্থ্য, পরিবারের ব্যাপারে এবং কর্মজীবনে অর্থাৎ সামগ্রিক জীবনে লালন করতে হবে।
ধর্মগ্রন্থেও বলা হয়েছে মানুষকে সঠিক জীবনদৃষ্টির শিক্ষা দিতে, মানুষকে সত্য ও সরলপথে পরিচালিত করতে।
মূলত ইতিবাচকতার জন্যে প্রয়োজনীয় শিক্ষা আমরা আমাদের পরিবার, শিক্ষক, এমনকি আশেপাশের মানুষের কাছ থেকে পেয়ে এসেছি কিন্তু সেই জ্ঞান অর্জনের পরে যা থাকেনা তা হলো সেই জ্ঞানকে উপলব্ধি ও চর্চা করা। জীবনদৃষ্টি বা দৃষ্টিভঙ্গি কথাটার মানে হচ্ছে জীবনকে আমি কিভাবে দেখছি। জীবন সম্পর্কে আমার সিদ্ধান্ত কেমন হওয়া উচিত এ বিষয়ে একটা সুস্পষ্ট চেতনা। জীবনকে সুন্দর করার জন্যে যে জিনিসের প্রয়োজন মূখ্য, তা হলো সঠিক জীবনদৃষ্টি। বাকি সবকিছু তখন এমনিই চলে আসে। কারণ চাবিটা যদি ঠিক থাকে আপনি তালাটা খুলতে পারবেন। তা না হলে যত চাবি থাকুক আপনার কাছে, এটা যদি ঐ তালার চাবি না হয়, তাহলে সেই তালা খোলা যাবে না। জীবনের তালা, জীবনের বন্ধ দরজা খোলার জন্যে যে সঠিক চাবিটির দরকার সেই চাবিটি পাবার জন্যে প্রয়োজন সঠিক জীবনদৃষ্টি। সকল বাস্তবতার নির্মাতা মস্তিষ্ককে যথাযথভাবে ব্যবহার করার জন্যে প্রয়োজন সুসংহত মানসিক প্রস্তুতি। আর মানসিক প্রস্তুতির ভিত্তি হচ্ছে দৃষ্টিভঙ্গি, নিয়্যত বা অভিপ্রায়। কারণ, মন পরিচালিত হয় দৃষ্টিভঙ্গি বা নিয়ত দ্বারা আর মস্তিষ্ককে চালায় মন।
বিজ্ঞানীরা দীর্ঘ গবেষণা করেছেন মন ও মস্তিষ্কের সম্পর্ক নিয়ে। ড. এলেন গোল্ডস্টেইন, ড. জন মটিল, ড. ওয়াইল্ডার পেনফিল্ড ও ড. ই রয় জন প্রমূখ তাঁদের দীর্ঘ গবেষণায় বলেছেন, একজন প্রোগ্রামার যেভাবে কম্পিউটারকে পরিচালিত করেন, তেমনি মনও মস্তিষ্ককে পরিচালিত করে। মস্তিষ্ক হচ্ছে হার্ডওয়ার আর মন হচ্ছে সফটওয়ার।
নতুন তথ্য ও নতুন বিশ্বাস মস্তিষ্কের নিউরোনে নতুন ডেনড্রাইট সৃষ্টি করে। নতুন সিন্যাপ্সের মাধ্যমে তৈরি হয় সংযোগের নতুন রাস্তা। বদলে যায় মস্তিষ্কের কর্মকাঠামো। মস্তিষ্ক তখন নতুন দৃষ্টিভঙ্গির আলোকে নতুন বাস্তবতা উপহার দেয়। নতুন বাস্তবতা ভালো হবে না খারাপ হবে, কল্যাণকর হবে না ক্ষতিকর হবে তা নির্ভর করে মস্তিষ্কে দেওয়া তথ্য বা প্রোগ্রামের ভালো-মন্দের ওপর। কল্যাণকর তথ্য ও বিশ্বাস কল্যাণকর বাস্তবতা সৃষ্টি করে আর ক্ষতিকর তথ্য বা বিশ্বাস ক্ষতিকর বাস্তবতা উপহার দেয়। তাই নিঃসন্দেহে বলা যায়, জীবনের নতুন বাস্তবতার চাবিকাঠি হচ্ছে দৃষ্টিভঙ্গি।
বিজ্ঞানীরা বলেন, দৃষ্টিভঙ্গি দু’ধরনের। প্রো-একটিভ ও রি-একটিভ। প্রো-একটিভ অর্থ হচ্ছে যে কোনো পরিস্থিতিতে উত্তেজিত বা আবেগপ্রবণ না হয়ে ঠান্ডা মাথায় চিন্তাভাবনা করে সিদ্ধান্ত ও পদক্ষেপ গ্রহণ। আর রি-একটিভ অর্থ হচ্ছে অন্যের কাজের প্রতিক্রিয়া হিসেবে কোনো কাজ বা আচরণ না করা। সর্বাবস্থায় নিজের লক্ষ্য ও দৃষ্টিভঙ্গি অনুসারে আচরণ ও কর্মপন্থা অবলম্বন করা।
কী কী নেই তা নিয়ে হা-হুতাশ না করে যা আছে তা নিয়েই সুপরিকল্পিতভাবে কাজ শুরু করা। এই দৃষ্টিভঙ্গি সবসময় সাফল্য ও বিজয় ছিনিয়ে আনে। অপরদিকে রি-একটিভ দৃষ্টিভঙ্গি সবসময় ব্যর্থতা, হতাশা ও অশান্তি সৃষ্টি করে। নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে থাকে না। নিয়ন্ত্রণ চলে যায় অন্যের হাতে। আপনি যখন অন্যের কথায় কষ্ট পান, অন্যের কথায় রেগে যান, অন্যের আচরণে ক্রোধে ফেটে পড়েন, অন্যের তোষামোদিতে উৎফুল্ল হয়ে ওঠেন, চাটুকারিতায় গলে যান, অন্যের কথায় প্রভাবিত হন, তখন নিয়ন্ত্রণ আর আপনার হাতে থাকে না নিয়ন্ত্রণ চলে যায় অন্যের হাতে। তাই রি-একটিভ দৃষ্টিভঙ্গি জীবনে নেতিবাচকতা সৃষ্টি করে।
সফল ও পরিতৃপ্ত জীবনের জন্যে প্রয়োজন পূর্ণাঙ্গ জীবনদৃষ্টি। সমকালীন মানুষের সমস্যাটা এখানেই। যে যেখানে আছে সে মনে করে তার এটা দিয়েই সবকিছুর সমাধান করে ফেলা যাবে। যেমন, একজন একাউন্টেন্ট মনে করেন হিসাববিজ্ঞানই সব। একজন ইঞ্জিনিয়ার মনে করেন প্রযুক্তিজ্ঞানই আসল। একজন ডাক্তার মনে করেন, এটাই শ্রেষ্ঠ জ্ঞান। আবার পিএইচডি করে আসার পর, একজন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক মনে করেন পৃথিবীর সকল জ্ঞান তার আয়ত্তে চলে এসেছে। অথচ সবকিছু মিলিয়েই হচ্ছে জীবন। যদি শুধু ব্যায়াম করেই সুস্বাস্থ্য পাওয়া যেত, তাহলে গামার মতো ব্যায়ামবীর চল্লিশ বছর বয়সে লিভার নষ্ট হয়ে মারা যেতেন না! যদি শুধুমাত্র অর্থ-সম্পদ প্রশান্তি দিতে পারত তাহলে ধনকুবেরদের জীবনে এত অশান্তি থাকত না। শুধু মনের জ্ঞানই যদি প্রশান্তি দিতে পারত, তাহলে মনোবিজ্ঞানীরা আত্মহত্যা করতেন না।
অমর কথাশিল্পী লিও টলস্টয়ের একটি উদ্ধৃতি আছে, ‘গড়ংঃ রসঢ়ড়ৎঃধহঃ ড়ভ ধষষ ঃযব ংপরবহপবং ড়হব পধহ ধহফ সঁংঃ যধাব ঃড় ষবধৎহ রং ঃযব ঝপরবহপব ড়ভ খরারহম, ংড় ধং ঃড় ফড় ঃযব ষবধংঃ বারষ ধহফ ঃযব মৎবধঃবংঃ ঢ়ড়ংংরনষব মড়ড়ফ.’ অর্থাৎ ‘সকল বিজ্ঞানের মাঝে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিজ্ঞান যা মানুষের জানা প্রয়োজন ও জরুরী তা হচ্ছে, জীবনের বিজ্ঞান, যা বলে দেয় জীবনটাকে কীভাবে সুন্দর করা যায়, ভুল থেকে কীভাবে দূরে থাকা যায়, আর ভালো বা কল্যাণ কত বেশী করা যায়।’ রুশ এই মনীষী লিও টলস্টয় নিঃসন্দেহে একজন সেরা লেখক, চিন্তাবিদ ও দার্শনিক। জন্মেছিলেন জমিদার পরিবারে, উত্তরাধিকার সূত্রে মালিক হয়েছিলেন চার হাজার একর জমির কিন্তু সাধারণ জীবনযাপন করতেন, পরতেন সাধারণ কৃষকদের পোশাক। ধর্ম এবং আধ্যাত্মিকতায় গভীর জ্ঞানের কারণে তার লেখাগুলোতে ফুটে উঠেছে মহৎ জীবনবোধের কথা। অবশ্য এজন্যে অর্থোডক্স চার্চ তাঁকে বহিষ্কার করেছিল।
মহানবী (স) বলেছেন, ‘ইন্নামাল আ’মালু বিন-নিয়্যাত’ অর্থাৎ  নিয়্যত সকল কর্মের অঙ্কুর।  কর্মপদ্ধতি, জীবনদৃষ্টি বা নিয়্যত যদি সঠিক হয় তাহলে অবশ্যই আপনি সাফল্যের পথে অগ্রসর হবেন। যদি জীবনদৃষ্টি সঠিক না হয় তাহলে নিশ্চিত আপনি দুঃখের পথে অগ্রসর হবেন। মনে রাখবেন জীবনকে আপনি যখন খন্ডিতভাবে গ্রহণ করবেন জীবন আপনাকে খন্ডিত সাফল্য দেবে আর যখন পরিপূণরূপে গ্রহণ করবেন, জীবন আপনাকে দেবে পরিপূর্ণ সাফল্য।
ঘড়ির কাঁটা থেমে নেই। প্রতিটি মুহূর্তেই জীবন থেকে একটি একটি করে সেকেন্ড হারিয়ে যাচ্ছে। যারা সেকেন্ড ধরে ধরে জীবনকে রাঙাতে পারে তারাই একসময় সাফল্য পায়। প্রতিটি মুহূর্তকে রাঙিয়ে জীবনকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়াই সংগ্রাম। সেই সংগ্রামের গল্প মানুষভেদে নানা রকম। একেক জনের গল্প একেক রকম হলেও সবার জীবন সামনে এগিয়ে চলছে। নির্ধারিত সময় ফুরানোর আগেই জীবনের অর্থটা খুঁজে নিন। বাঁচতে শিখুন, জীবনকে ভালবাসতে শিখুন আর প্রার্থনা করুন, ‘হে আল্লাহ আমাদের সহজ সরল পথে পরিচালিত করুন।’ আর এই সহজ সরল ইতিবাচক পথে চলতে পারলে বুঝবেন আপনি সঠিক জীবনদৃষ্টি অর্জন করেছেন।
লেখক ও সমাজকর্মী





« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft