দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল
শিরোনাম: কে এই মামুনুল হক?       কলাপাড়ায় কিছুতেই থামছে না আন্ধারমানিক নদীর দখল দৌরাত্ম       গাজীপুরে পুলিশ দম্পত্তিকে মারধোর       ব্যবসায়ীদের সুযোগ-সুবিধা আরো বাড়ানো দরকার : অর্থমন্ত্রী       আনারস ফলে রয়েছে অনেক গুণাগুণ       ‘বিএনপির মিথ্যাচারের থলের বিড়াল বেরিয়েছে’       পত্র-পত্রিকায় আমার বক্তব্য বিকৃত করে ছাপা হয়েছে : মির্জা আব্বাস       আন্তঃব্যাংক লেনদেন চালু       একদিনে রেকর্ড ১০২ মৃত্যু       রাজশাহীতে বের হবার করণ দেখাতে না পারলে ফিরতে হচ্ছে উল্টো পথে      
দাহ্য পদার্থ দিয়ে ২০টি গাছ মেরে ফেলার অভিযোগ
সাতক্ষীরা প্রতিনিধি:
Published : Wednesday, 24 February, 2021 at 6:49 PM, Count : 115
দাহ্য পদার্থ দিয়ে ২০টি গাছ মেরে ফেলার অভিযোগজমির মালিকের ইচ্ছা পূরণ করতে পরিকল্পিতভাবে সড়কের গাছ মেরে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বেতলার মোড় এলাকায় সড়ক ও জনপথ বিভাগের অন্তত ২০টি গাছ পরিকল্পিতভাবে মেরে ফেলা হয়েছে। এ কাজে জড়িত ব্যক্তির নাম পরিচয় না পাওয়া গেলেও পাওয়া গেছে একটি মোবাইল নম্বর। গাছগুলো যে জমিতে ছিল সেখানে একটি সাইনবোর্ড আছে। প্যানা ব্যানার ও টিনের সাইনবোর্ডে পৃথকভাবে লেখা হয়েছে-এই জায়গা ভাড়া দেওয়া হইবে।
জায়গাটির আয়তন ১০ কাঠার মতো। সেখানে বালু দ্বারা ভরাট করা হয়েছে। সেখানে থাকা গাছগুলোকে মেরে ফেলা হয়েছে। অথচ সড়ক বিভাগ এ ব্যাপারে কিছুই জানে না। জানে না বনবিভাগও।
স্থানীয়রা জানান, সড়কের দুই পাশের গাছগুলো জীবন্ত। সাইনবোর্ড স্থাপনকৃত ওই জমির সড়ক সীমানার উত্তর-দক্ষিণ পাশের গাছগুলোও জীবন্ত। শুধু মেরে ফেলা হয়েছে জমির সীমানা সংলগ্ন সড়ক বিভাগের ২০টি বড় গাছ। কোনও দাহ্য পদার্থ ছাড়া এভাবে একসঙ্গে ২০টি গাছ মরতে পারেনা বলে জানান স্থানীয়রা।
স্থানীয়দের মতে,, গাছগুলো হত্যা করে সেখানে কোনও স্থাপনা নির্মাণের পরিকল্পনা করছেন জমির মালিক। যে কারণে প্রায় ১০ লাখ টাকা মূল্যের সরকারি গাছের জীবন দিতে হলো জমির মালিকের ইচ্ছা পূরণ করতে।
এ ব্যাপারে জমির মালিক শেখ আফজাল হোসেন মোবাইল ফোনে বলেন, জায়গাটি ছিল খানা-খন্দে ভরা। ওই জায়গায় সাতক্ষীরা পৌরসভার ময়লা-আবর্জনা ফেলা হতো। পরে বালু দিয়ে ভরাট করা হয়েছে। গাছগুলো আগে থেকে মরা ছিল। কি কারণে গাছগুলো মরে গেছে তা তিনি বলতে পারেননা।
সড়ক ও জনপথ বিভাগের সংশ্লিষ্ট সেকশনাল অফিসার তরিকুল ইসলাম মোবাইল ফোনে বলেন, একসঙ্গে ২০টি গাছ মরে যাওয়ার বিষয়টি তার জানা নেই। তিনি তার অফিসে যাওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, অফিসে আসেন, অফিসে আসলে বিষয়টি জানা-বোঝা করা যাবে।





« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft