জাতীয়
শিরোনাম: সাবেক এমপি কবরী স্মরণে যশোরে দোয়া মাহফিল        যশোরে সন্ত্রাসী হামলায় এনটিভির ক্যামেরাপারসন শামীম আহত       লোহাগড়ায় ভাইয়ের হাতে পুলিশ ইন্সপেক্টর খুন       হামলা মারপিট ও ছিনতাই ঘটনায় মামলা, আটক ১       লিগ শুরু নিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি       আইপিএলে আজ মুখোমুখি হবে রাজস্থান ও চেন্নাই       টেস্ট ভেন্যুতে টাইগাররা       সাকিবকে বসানোর ইংগিত ম্যাককালামের       শিরোপা জয়ের স্বপ্ন ম্লান রিয়াল মাদ্রিদের       লক্ষ্মীপুরে জাল টাকা-ইয়াবাসহ ভুয়া পিএস গ্রেফতার      
নিয়ন্ত্রণে আসছে না পলিথিনের ব্যবহার
কাগজ ডেস্ক:
Published : Friday, 26 February, 2021 at 3:54 PM, Count : 79
নিয়ন্ত্রণে আসছে না পলিথিনের ব্যবহারনানা ধরনের উদ্যোগ এবং পরিবেশের ভয়াবহ বিপর্যয়ের শঙ্কার পরও, এখনও নিয়ন্ত্রণে আসেনি পলিথিন এবং প্লাস্টিকের ব্যবহার। ১৯ বছরেও কার্যকর হয়নি পলিথিনের ব্যবহার বন্ধের আইন। সোনালী ব্যাগের মতো চমৎকার বিকল্প থাকলেও এর ব্যাপক উৎপাদন ও বাজারজাতকরণের ব্যবস্থা না থাকায় পলিথিন ব্যবহার বন্ধ হচ্ছে না বলে মনে করেন পরিবেশবিদরা।
পলিথিন, পরিবেশের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর এ বস্তুটি আইনত নিষিদ্ধ হলেও এর ব্যবহার কমেনি। আশির দশকে ব্যবহার শুরুর পর ২০০২ সালে পলিথিন নিষিদ্ধে আইন করে সরকার। পলিথিন বন্ধে ২০১০ সালে ১১টি পণ্যের পাটজাত মোড়ক বাধ্যতামূলক করা হলেও, বাস্তবায়ন হয়নি সেই নির্দেশও।
গবেষকরা বলছেন, রাজধানীতে প্রতিদিন দুই কোটিরও বেশি পলিথিন ব্যবহার হয়। আন্তর্জাতিক সংস্থা আর্থ ডে নেটওয়ার্কের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিশ্বে প্লাস্টিক দূষণকারী দেশের তালিকায় দশ নম্বরে বাংলাদেশ। পলিথিন আমদানি বন্ধ হলেও পুরান ঢাকার শতাধিক কারখানায় এখনও উৎপাদন হচ্ছে অবৈধ পলিথিন। বিকল্প না থাকা ও সাধারণ মানুষের সচেতনতার অভাবে পলিথিন ব্যবহার বন্ধ হয়নি বলে দাবি পরিবেশ অধিদপ্তরের।
পরিবেশবিদেরা বলছেন, আইনের প্রয়োগ ও বাস্তবায়নের ব্যর্থতার কারণেই পলিথিন থেকে মুক্তি মিলছে না। শুধু বাংলাদেশ নয়, পলিথিন নিয়ে চিন্তিত সারা বিশ্ব। প্রতিদিন লাখ লাখ টন পলিব্যাগ ব্যবহৃত হচ্ছে, বর্জ্য হিসেবে তা পরিবেশ দূষণ করছে।
অবশ্য পরিবেশবিদরা বলছেন, পলিথিনের চমৎকার বিকল্প সোনালী ব্যাগ। পাটের তৈরি স্বচ্ছ, সহজে পচনশীল ও সাশ্রয়ী এ ব্যাগের ব্যাপক উৎপাদন ও বাজারজাতকরণের ব্যবস্থা করা গেলে পলিথিন ব্যবহার পুরোপুরি বন্ধ করা সম্ভব বলে মনে করেন তারা।
বাংলাদেশে প্রতিদিন কী পরিমাণে পলিথিন উৎপাদিত ও ব্যবহৃত হয় এবং শেষে বর্জ্য হিসেবে নালা–নর্দমা, খালবিলে কী পরিমাণ জমা হয় এ নিয়ে সরকারি কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য বা হিসাব পাওয়া যায়নি।নিয়ন্ত্রণে আসছে না পলিথিনের ব্যবহার
বাংলাদেশি বিজ্ঞানী মোবারক আহমেদ খান বলেন, পাইলট প্রকল্পে টার্গেট ছিল এক লাখ ব্যাগ উৎপাদন করা। তা সম্ভব হয়নি স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে ব্যাগ সিলিং মেশিনের অভাবে। এখন ২৪ ঘণ্টা যন্ত্র চালিয়ে ৯০ হাজার ব্যাগ উৎপাদন করা যায়। তিনি বলেন, স্থানীয় উদ্যোক্তারা যদি বিনিয়োগ করেন, তাহলে এটা আরও দ্রুত বাণিজ্যিক আকারে করা সম্ভব হবে। এই ব্যাগ বাণিজ্যিকভাবে বাজারে আনার জন্য যা যা করা লাগে, সরকারি অর্থায়ন থেকে শুরু করে বেসরকারি উদ্যোক্তা কোনো কিছুতেই বাধা নেই। তিনি বলেন, দৈনিক ১০ টন উৎপাদন করতে হলে প্রায় ৩০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ লাগবে।
দুই থেকে তিনশ বছরেও নষ্ট না হওয়ায় মাটি ও পানির পাশাপাশি মাছ ও অন্যান্য জলজ প্রাণির শরীরে ছড়িয়ে পড়ে প্লাস্টিকের কনা। যা শেষ পর্যন্ত পৌঁছায় মানুষের শরীরে। এর ফলে ক্যান্সারসহ নানা জটিল রোগের প্রকোপ বাড়ছে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। 




« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft