সারাদেশ
শিরোনাম: লিগ শুরু নিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি       আইপিএলে আজ মুখোমুখি হবে রাজস্থান ও চেন্নাই       টেস্ট ভেন্যুতে টাইগাররা       সাকিবকে বসানোর ইংগিত ম্যাককালামের       শিরোপা জয়ের স্বপ্ন ম্লান রিয়াল মাদ্রিদের       লক্ষ্মীপুরে জাল টাকা-ইয়াবাসহ ভুয়া পিএস গ্রেফতার       গাজীপুরে হেফাজতের আমির দুই ভাইসহ গ্রেপ্তার       সুপার লিগ নিয়ে ফুটবল বিশ্বে ঝড়       খানসামায় পেঁয়াজ বীজ উৎপাদন ও সংরক্ষণের পরীক্ষামূলক চাষেই সাফল্য       বগুড়ায় ২৪ ঘণ্টায় করোনায় ৫ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ৬৮      
মুজিববর্ষে উপহার, ‘স্বপ্নের পাকা ঘরে’ বসবাসে অনিহা
হাফিজুর রহমান পান্না, রাজশাহী ব্যুরো :
Published : Friday, 26 February, 2021 at 7:48 PM, Count : 595
মুজিববর্ষে উপহার, ‘স্বপ্নের পাকা ঘরে’ বসবাসে অনিহারাজশাহীর পুঠিয়ায় মুজিববর্ষে  প্রধানমন্ত্রীর দেয়া উপহার ভূমি ও গৃহহীনদের জন্য তৈরি ‘স্বপ্নের পাকা ঘরে’ বসবাসে অনেকেরই অনিহা। ঘর প্রাপ্তরা বলছেন, রাস্তা¡, পানি-বিদ্যুৎ সুবিধা নিশ্চিত না হওয়াসহ বিভিন্ন জটিলতা রয়েছে। তাছারাও সদর এলাকা থেকে যাতায়াতে দূরত।
রাজশাহীর পুঠিয়ায় গৃহহীনদের দেয়া ‘স্বপ্নের পাকা ঘরে’ বসবাসের বসবাসে অনিহা দেখা দিয়েছে। কারণ ঘর প্রাপ্তরা রাস্তা, পানি ও বিদ্যুৎ সুবিধা নিশ্চিত না হওয়ায় সমস্যায় রয়েছেন। তা ছারা
প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস সূত্রে জানা গেছে, মুজিববর্ষে প্রধানমন্ত্রীর দেয়া উপহার পাঁকা ঘর ৫৪ টি ভূমি ও গৃহহীন পরিবারের মধ্যে হস্তান্তর করা হয়। প্রতিটি ঘর নির্মাণে ব্যয় হয়েছে এক লাখ ৭১ হাজার টাকা। আশ্রয়ণ প্রকল্প-২ এর মাধ্যমে ‘ক’ শ্রেণিভুক্ত জমিতে এই ঘরগুলো নির্মাণ করেন উপজেলা প্রশাসন। অপরদিকে দ্বিতীয় ধাপে উপজেলা জুড়ে আরও ৮০টি পাকা ঘর নির্মাণ কাজ শুরু হচ্ছে। এর মধ্যে তালুকদার গ্রামে নতুন করে আরও ১৪টি ঘর ও একটি মসজিদ তৈরি হচ্ছে।
উপজেলার বারইপাড়া এলাকায় তালুকদার গ্রামের ‘ক’ শ্রেণিভুক্ত প্রায় সাড়ে তিন একর জমির ওপর নির্মিত ২৪টি পাকা ঘরের মধ্যে মাত্র ৭টি বাড়িতে পরিবার বসবাস করছেন। আর তিনটি ঘরের মালিকরা দিনের কিছু সময়ের জন্য ‘তালুকদার গ্রামে’ অবস্থান করে পূর্বের বাড়িতে ফিরে যায়। বাকি ১৪ টি ভূমি ও গৃহহীন পরিবার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ঘরের মালিকানা দলিল ও চাবি নিয়ে চলে যাওয়ার পর আর ফিরে আসেনি। প্রতিটি পবিরারের জন্য ওই পাঁকা ঘরের মধ্যে দুটি রুম, একটি বার্থরুম ও রান্নার স্থান রয়েছে। সেই সাথে ওই পরিবার গুলোর জন্য আলাদা বিদ্যুৎ সংযোগ ও পানি সরবরাহের কাজ শেষ পর্যায়ে। পাশাপাশি ওই এলাকায় একটি মসজিদ নির্মাণ ও আলোকবাতির কাজ শুরু হয়েছে। আর তাদের যাতায়াতের জন্য তৈরি করা নতুন সড়কটি পাকা করণ কাজও শুরুর অপেক্ষায়।
‘তালুকদার গ্রামে’ স্ব-পরিবার নিয়ে বসবাসকারী শেফলী বেগম ও শাবানা বেগম বলেন, এখানে যারা ঘর পেয়েছেন তারা ভূমি ও গৃহহীন অসহায় পরিবার। এদের মধ্যে বেশীর ভাগ দিনমুজুর ও ভ্যান চালক। আর এখান থেকে পুঠিয়া সদর প্রায় ৫ কিলোমিটার। প্রতিদিন তাদের কাজে যাতায়াতে দীর্ঘপথ যাওয়া-আসা করতে হয়। তার উপর এখানে যাতায়াতে কাঁচা পথ, অনেক ঘরে বিদ্যুৎ সংযোগ নেই। সে কারণে হয়তো অনেকে পরিবার নিয়ে আসতে দেরি করছেন।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নুরুল হাই মোহাম্মদ আনাছ বলেন, ভূমি ও গৃহহীদের জন্য নির্মিত ‘তালুকদার গ্রামে’ এখনো যারা পরিবারসহ আসেননি, তারা অল্পদিনের মধ্যে চলে আসবেন। আর ওইখানে বিদ্যুৎ ও পানি ব্যবস্থা করা হচ্ছে। অপরদিকে তাদের চলাচলের জন্য পাকা সড়ক তৈরির পরিকল্পনা করা হয়েছে।




« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft