দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল
শিরোনাম: যশোরে কোয়ারেন্টাইনে নারীর মৃত্যু       বৃহস্পতিবার জাতির উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ       হেফাজত তাণ্ডব: দায় স্বীকার করলেন হারুন       তিন ক্লাবের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রক্রিয়া শুরু       শুক্রবার ঈদ       রাস্ট্রিক সোসাইটির উদ্যোগে উপহার সামগ্রী বিতরণ       মণিরামপুরে ঈদ বস্ত্র ও নগদ অর্থ বিতরণ        তাড়াহুড়োয় ফেরিতে প্রাণ গেল ৬ জনের       কোয়ারেন্টাইনে ঈদ করবেন আড়াই সহস্রাধিক মানুষ       আজ চাঁদ উঠলে কাল ঈদ       
যশোরে সর্বাত্মক লকডাউনের চতুর্থ দিন
প্রভাব নেই বাজার ও পথেঘাটে
এম. জিহাদ
Published : Saturday, 17 April, 2021 at 4:14 PM, Count : 123
প্রভাব নেই বাজার ও পথেঘাটেকরোনা ভাইরাসের ভয়াবহতা নিয়ন্ত্রণে সারাদেশের মতো যশোরেও চলেছে সর্বাত্মক লকডাউন। মহাসড়কে পুলিশি তৎপরতায় লকডাউন চললেও, প্রভাব পড়ছে না যশোরের বিভিন্ন বাজার ও পাড়া-মহল্লার ওলিগলিতে। সর্বাত্মক লকডাউনের চতুর্থ দিন শনিবার রাস্তায় বেড়েছে ছোট ছোট যানবাহন সাথে মানুষের চলাচল।
সকালে শহরে প্রবেশের প্রধান প্রধান পয়েন্টে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের কঠোর পদক্ষেপ লক্ষ্য করা যায়। নিউমার্কেট থেকে দড়াটানায় জরুরি কাজে ছাড়া কোন যানবাহনকে ঢুকতে দেয়া হয়নি। পালবাড়ি ও দড়াটানার রাস্তায় পুলিশের ভূমিকা ছিল চোখে পড়ার মতো। মোড়ে মোড়ে ব্যারিকেড বসিয়ে শহরে ঢোকার কারণ জিজ্ঞাসা করছেন পুলিশ সদস্যরা। উপযুক্ত জবাব দিতে না পারলে বাসায় ফেরত পাঠাচ্ছেন তারা। তবে উল্টো পরিস্থিতি বাজার ও পাড়া-মহল্লার ওলিগলিতে। সকাল ১১টায় এইচএমএম রোডের ফুটপাথ ছিল ব্যবসায়ীদের দখলে। বড় বড় দোকান না খুললেও প্রায় একশ’ ব্যবসায়ী বিভিন্ন মালামালের পসরা সাজিয়ে কেনাবেচা করতে দেখা যায়। কাঁচামাল ও মাছ-মাংসের দোকানে বেড়েছে ক্রেতাদের ভীড়। এছাড়া, চুড়িপট্টি, কাপুরিয়া পট্টি, হাটখোলা রোডের বিভিন্ন দোকানে ছিলো ক্রেতা-বিক্রেতার ব্যস্ততা। দড়াটানা বড়বাজার, বাবলাতলা, শেখহাটি ও পালবাড়ির বাজারে আগের তিনদিনের চেয়ে জনসমাগম ছিলো অনেক বেশি। সাধারণ মানুষের ভীড়ে সামাজিক দূরত্বের কোনো বালাই নেই। বেশিরভাগ দোকানীর মুখে দেখা যায়নি মাস্ক।
শহরে ইজিবাইক চলাচল না থাকলেও জেলা বিভিন্ন স্থান থেকে যাত্রী নিয়ে শহরের দিকে ছুটছে ইজিবাইক চালকরা। শহরে প্রবেশের এক-দুইশ’ মিটার আগে যাত্রীদের নামিয়ে দিচ্ছেন তারা। কয়েকজন ইজিবাইক চালক এ বিষয়ে বলেন, ‘বাড়ি ভাত না থাকলে কোনো লকডাউনে কাজ হবে না। আগে ভাত পরে লকডাউন।’ গত বছরের লকডাউনের মতো অর্ধেক যাত্রী নিয়ে চলাচলের জন্যে প্রশাসনের অনুরোধ জানান ইজিবাইক চালকরা।
শনিবার শহরে রিকশা চলাচল আগের চেয়ে কয়েকগুণ বেশি লক্ষ্য করা যায়। রিকশাচালক শাহিন হোসেন বলেন, ‘কতদিন বাড়িতে বেকার অবস্থায় থাকা যায়? চাল-ডালের পয়সা জোগাড় করতে রিকশা নিয়ে বেরিয়েছি’।
উপশহর, পালবাড়ি, বারান্দীপাড়া, খড়কি, পুরাতন কসবা, ঘোপসহ বিভিন্ন পাড়া-মহল্লায় বেশিরভাগ দোকানপাট খোলা দেখা যায়। সকাল-বিকেলে লোকজন কম থাকলেও প্রতিদিন সন্ধ্যায় মোড়ে মোড়ে চলছে যুবকদের আড্ডা।
শুধু পুলিশি তৎপরতা নয়, সাধারণ মানুষের সচেতনতা না থাকলেও করোনার বিরুদ্ধে জয় সম্ভব নয় বলছেন সচেতন নাগরিকগণ।






« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft