ওপার বাংলা
শিরোনাম: যশোরে কোয়ারেন্টাইনে নারীর মৃত্যু       বৃহস্পতিবার জাতির উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ       হেফাজত তাণ্ডব: দায় স্বীকার করলেন হারুন       তিন ক্লাবের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রক্রিয়া শুরু       শুক্রবার ঈদ       রাস্ট্রিক সোসাইটির উদ্যোগে উপহার সামগ্রী বিতরণ       মণিরামপুরে ঈদ বস্ত্র ও নগদ অর্থ বিতরণ        তাড়াহুড়োয় ফেরিতে প্রাণ গেল ৬ জনের       কোয়ারেন্টাইনে ঈদ করবেন আড়াই সহস্রাধিক মানুষ       আজ চাঁদ উঠলে কাল ঈদ       
আসামে এবার অনলাইনে মুসলিমদের নতুন জরিপ, তীব্র বিতর্ক
কাগজ ডেস্ক :
Published : Monday, 19 April, 2021 at 1:17 PM, Count : 105
আসামে এবার অনলাইনে মুসলিমদের নতুন জরিপ, তীব্র বিতর্কভারতের আসাম রাজ্যে যেসব মুসলিম নিজেদের সেখানকার ভূমিপুত্র বলে মনে করেন, শুধু তাদের জন্য একটি অনলাইন  আদমশুমারির প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর তা নিয়ে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে।
আসামের তথাকথিত 'দেশজ' মুসলিমদের একটি বড় সংগঠন এই উদ্যোগের পেছনে আছে, যাতে ক্ষমতাসীন বিজেপিরও প্রচ্ছন্ন সমর্থন আছে বলে মনে করা হচ্ছে। খবর বিবিসির।
ওই সংগঠন ইতোমধ্যে অসমিয়াভাষী মুসলিমদের কাছ থেকে 'এনআরসির ধাঁচে' তথ্য সংগ্রহের কাজও শুরু করে দিয়েছে।
তবে রাজ্যের মুসলিম সমাজের নেতারা অনেকেই এই পদক্ষেপকে আসামের বাংলাভাষী ও অসমিয়াভাষী মুসলিমদের মধ্যে আরও একটা বিভাজন সৃষ্টির কৌশল হিসেবেই দেখছেন।
বস্তুত আসামের দেশজ মুসলিমদের মধ্যে প্রধানত তিনটি জনগোষ্ঠী আছে— আপার আসামের গোরিয়া ও মোরিয়া এবং লোয়ার আসামের দেশি মুসলিম।
এই দেশজ মুসলিমদেরই অন্তত ৩০টি সংগঠন মিলে যৌথভাবে গঠন করেছে 'জনগোষ্ঠীয় সমন্বয় পরিষদ', যার প্রধান আহ্বায়ক হলেন সৈয়দ মুমিনুল আওয়াল।
আওয়াল আসামে ক্ষমতাসীন বিজেপির একজন প্রভাবশালী নেতা, রাজ্যের সংখ্যালঘু কমিশনেরও চেয়ারম্যান তিনি।
গত সপ্তাহেই আসামে ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে, তার দিন কয়েক পরেই পরিষদ দেশজ মুসলিমদের জন্য এই তথ্য সংগ্রহ বা সেন্সাসের কথা ঘোষণা করে।
সৈয়দ মুমিনুল আওয়াল বলেন, এই অনলাইন জরিপে রাজ্যের গোরিয়া, মোরিয়া ও দেশি মুসলিমরা একটি নির্দিষ্ট পোর্টালে তাদের ভোটার কার্ড, আধার কার্ড ইত্যাদি পরিচয়পত্র এবং গ্রামের মোড়ল বা শহরের পৌর বোর্ডের দেওয়া শংসাপত্র আপলোড করে নিজেদের নথিভুক্ত করতে পারবেন।
১৫ এপ্রিল থেকে এই পোর্টাল কাজ শুরু করেছে, চালু হয়েছে একটি টেলিফোন হেল্পলাইনও। আসামের সংবাদমাধ্যমে এই পদক্ষেপকে একটি 'মুসলিম এনআরসি' বলে বর্ণনা করা হচ্ছে, তবে সৈয়দ আওয়াল তার সঙ্গে একমত নন।
তিনি যুক্তি দিচ্ছেন, এটা কখনই মুসলিম এনআরসি নয় - বরং এটা হলো গোরিয়া, মোরিয়া ও দেশি মুসলিমদের মধ্যে চালানো একটি জরিপ। যেখানে আগামী তিন মাস ধরে স্বেচ্ছায় নিজেদের তথ্য জমা দেবেন।
রাজ্যের প্রতিটি রাজস্ব সার্কলে কতজন দেশজ মুসলিম আছেন, সেই ডেটাবেস তৈরি করাই আমাদের লক্ষ্য।
আসামের সব ইসলাম ধর্মাবলম্বী জাতিগোষ্ঠীকেই এক মুসলিম ব্র্যাকেটে ফেলে দেওয়া হয়, কিন্তু ধর্মনিরপেক্ষ একটা দেশে মুসলিম— শুধু এই ধর্মীয় পরিচয়টা তো কাম্য হতে পারে না।
১৯ শতকের প্রথম দিকে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যে আসামের অন্তর্ভুক্তির আগে থেকেই যে মুসলিমরা সেখানে বসবাস করেছেন। এবং তাদের বংশধররাই আসামের দেশজ মুসলিম বলে স্বীকৃত।





« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft