আক্কেল চাচার চিঠি (আঞ্চলিক ভাষায় লেখা)
শিরোনাম: লালপুরে শ্রীকৃষ্ণের জন্মষ্টমী পালিত       অসময়ে পাওয়া যায়, সময়ে নয়       নৌকার গ্রাম রামসিদ্ধি        এই কষ্ট সাময়িক, দুর্দিন চলে যাবে : কাদের       বিষ দিয়ে মাছ ধরলে সুন্দরবন মৎস্যশূন্য হয়ে যাবে       গার্ডার দুর্ঘটনা : শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণে আপত্তি নেই চীনের       বাম জোটের নতুন সমন্বয়ক প্রিন্স       খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়নি: ডা. জাহিদ       ১৪ দিনের জেল হেফাজত শেষে আদালতে তোলা হচ্ছে পার্থ-অর্পিতাকে       ৪০ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ মুদ্রাস্ফীতির কবলে ব্রিটেন      
কার মান কিসি বুজায়ই দায়!
Published : Sunday, 18 July, 2021 at 9:54 PM, Count : 233
একদিন বিয়েনবেলায় এক ছ্যামড়া বাড়ির সুমকি মাটি কুদলাচ্চে। মাটি খুচার কায়দা দেকলি যে কারোরই মনে হবে হয়ত মাইটে আলু তুলার চিস্টা দেচ্চে। রাস্তা দিয়ে যাওয়া আসার পতে যারা যাচ্চে তারা এক নজর কইরে দেকচে কি কত্তেচে। তেবে এক মুরুব্বীর খটকা লাইগেচে বিলে সে দাড়ায় তাগায় তাগায় দেইকতেচে। খানিকটে পরে কোন কিছুর আলামত না পাইয়ে তারে কচ্চে কিরে খুকা এই বিয়েনবেলা মাটি খুইচেই চলিছিস ফ্যারাডা কি! ছ্যামড়াডা কুদলাতি কুদলাতি কচ্চে আর কইয়ে না দাদা। কাল অবো রাত্তিরি আমার বাপ আমারে যাইেচ্চে নাতাই কইয়ে বইগেচে। তাই শুইনে সেই লোক তফাতেত্তে কাচে আইগোয় আইসে কচ্চে কি কারনে বইগলো তোর বাপ? ছ্যামড়াডা কলে, আর কইয়েনা, আমি নাই আমার বাপের মান সুম্মান মাটিতি মিশোয় দিছি, তাই বাড়ি মাটি খুচতিচি সেই মাটিতি মিশোয় দিয়া মান সুম্মানডা খুইজে পায় কিনা, যাতে বাপরে সিডা ফিরোয় দিতি পারি!
তাই শুইনে মুরুব্বী মনে মনে বিরক্ত হইয়ে কলে কত বড় বেআক্কেল দেকিচাও মাটিতি মিশোয় যাওয়া মান সুম্মান ফিরোতি মাটি কুদলাচ্চে! এই নিয়ে কতা উসাতিই একজন কলে মান সুম্মান কি জিনুস সিডা কয় জনে বোজে কওদিনি। একাকজনের মানের বহর একাক রকম। কারো এক হাত, কারো দুই হাত, কারো আড়াই হাত বহর আর কারো কারো হাতেরই বালাই নেই। চোকির সুমকি কত মারালো লোক দেকতিচি। ইরামও লোক দেকিচি মুকির সামান্য কতায় অপমানি হয় আবার বহুত লোক আচে গলা ঢ্যাক্কা দিলিও অপমান হয়না, ভাবে ঢ্যাক্কা খায়চি তাতে কি খানিকটে পত তো আইগোয়চে। তাইগের চুয়াচুয়ি কতা,মানির মান কি অল্পে যায়। এই সব লোকের মুকি খির কাঠাল কিন্তুক অন্তরে জাইত সাপের বিষ। যখন লোকের মদ্দি কতা কবে তকন মনে হবে আহারে উপর আল্লার এই খাস বান্দাডা দুইনেয় পরে ছিলো বিলে একনো দুইনেডা গরাপ হইয়ে যায় নি। অথচ যারা তাইগের পাল্লায় পইড়েচে তারায় জানে জীবনডা কি কইরে ঝরঝরে হইয়ে যায়। সুমাজে ইরাম লোকের সংখ্যা দিনকে দিন বাইড়েয় চইলেচে। ডুরাকাটা দাগ দেইকে বাঘ চিনা যায়, বাতাসের বেগ দেইকে মেঘ চিনা যায়, মুক ঢ্যাকা মুখোশের এই দুনিয়ায় মানুসরে কি দিয়ে চেনবো কওদিনি!
ইতি-
অভাগা আক্কেল চাচা
০১৭২৮৮৭১০০৩




« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft