সম্পাদকীয়
শিরোনাম: চুড়ামনকাটিতে আ’লীগের প্রতিপক্ষ থাকতে পারেন স্বতন্ত্র প্রার্থী       উচ্ছ্বাস ছড়িয়ে ভালোর আশায় শেষ হলো টাউনহল মাঠের গণসংগীত উৎসব       জেলা পুলিশ ও সেনাবাহিনীতে চাকরির নামে প্রতারণা       খালেদা জিয়াকে বিদেশে না পাঠালে পালানোর পথ খুঁজে পাবেন না       কেশবপুরে শিশু রত্না হত্যা মামলায় দাদার বিরুদ্ধে চার্জশিট       ঘের থেকে কৃষকের মরদেহ উদ্ধার       যশোরের ৩৫ ইউনিয়নে ভোট রোববার       স্ত্রীকে হত্যার দায়ে আটক       ফরিদপুরে গ্রাম্য ডাক্তারকে মারপিট        জয়তী সোসাইটির মানববন্ধন       
সেই বিচারক হারালেন বিচারিক ক্ষমতা
Published : Tuesday, 16 November, 2021 at 8:25 PM, Count : 76
ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৭ এর বিচারক মোছা. কামরুন্নাহারের বিচারিক ক্ষমতা কেড়ে নিয়েছেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন। বিচারক মোছা. কামরুন্নাহার ৭২ ঘণ্টা পর ধর্ষণের মামলা না নেয়ার পর্যবেক্ষণ দিয়েছিলেন। প্রধান বিচারপতি তাকে রোববার সাড়ে ৯টা থেকে এজলাসে না বসারও নির্দেশ দিয়েছেন।  
বিচারক মোছা. কামরুন্নাহার গত ১১ নভেম্বর রাজধানীর বনানীর রেইনট্রি হোটেলে দুই বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ মামলার রায়ে পাঁচ আসামির সবাইকে খালাস দিয়েছিলেন। এসময় তিনি তার পর্যবেক্ষণে বলেন, ‘রাষ্ট্রপক্ষ এ মামলায় অভিযোগ প্রমাণ করতে পারেনি। অযথা আদালতের সময় নষ্ট করা হয়েছে। পাশাপাশি ৭২ ঘণ্টা পর ধর্ষণের আলামত পাওয়া যায় না। তাই পুলিশ যেন ঘটনার ৭২ ঘণ্টা পর কোনো ধর্ষণের মামলা না নেয় সে আদেশও দেন’। এমন পর্যবেক্ষণের পরই সারা দেশে তোলপাড় শুরু হয়। এ বিষয়ে শনিবার আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, ‘৭২ ঘণ্টা পর ধর্ষণ মামলা নেয়া যাবে না, এমন পর্যবেক্ষণ সম্পূর্ণ অসাংবিধানিক। বিচারকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে প্রধান বিচারপতিকে চিঠি দেয়া হবে’। রোববার প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন মোছা. কামরুন্নাহারের বিচারিক ক্ষমতা খর্ব করার পাশাপাশি তাকে আদালত থেকে প্রত্যাহার করে আইন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করতে চিঠি দিয়েছেন।
বিচারক মোছা. কামরুন্নাহার ওই রায়ের পর্যবেক্ষণে বলেছিলেন, ‘‘তদন্ত কর্মকর্তা প্রভাবিত হয়ে এ মামলায় অভিযোগপত্র দিয়েছেন। ভুক্তভোগীদের ডাক্তারি প্রতিবেদনে কোনো সেক্সুয়াল ভায়োলেশনের (যৌন সহিংসতা) বিবরণ নেই। ভুক্তভোগীর পোশাকে পাওয়া ডিএনএ নমুনা আসামিদের সঙ্গে মেলেনি। ৩৮ দিন পর এসে তারা (দুই ছাত্রী) বললো ‘রেপড হয়েছি’, বিষয়টি তদন্ত কর্মকর্তার বিবেচনা করা উচিত ছিল। তা না করে তদন্ত কর্মকর্তা আদালতের পাবলিক টাইম নষ্ট করেছেন বলে পর্যবেক্ষণে বলেছেন বিচারক’।
আদালতে দায়ের করা মামলায় উল্লেখ করা হয়, ২০১৭ সালের ২৮ মার্চ বনানীর ‘দ্য রেইনট্রি’ হোটেলে জন্মদিনের অনুষ্ঠানের কথা বলে ওই দুই তরুণীকে নিয়ে আসা হয়। মদ খাওয়ানোর পর ওই দুই তরুণীকে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ উঠে। প্রথম দিকে পুলিশ মামলা নেয়নি। পরে এ ঘটনায় দেশব্যাপী তোলপাড় সৃষ্টি হলে ওই বছরের ৬ মে সন্ধ্যায় বনানী থানায় ধর্ষণের অভিযোগে এক ছাত্রী মামলাটি করেছিলেন। কিন্তু মামলাটির রায় দিতে বিচারক যা করেছেন বা যা বলেছেন, তার সাথে গোটা দেশ দ্বিমত প্রকাশ করেছে। ওই বিচারকের বিরুদ্ধে সরকারও তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নেয়ায় দেশবাসী সাধুবাদ জানিয়েছে বলে আমাদের বিশ্বাস।




« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft