দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল
শিরোনাম: চুড়ামনকাটিতে আ’লীগের প্রতিপক্ষ থাকতে পারেন স্বতন্ত্র প্রার্থী       উচ্ছ্বাস ছড়িয়ে ভালোর আশায় শেষ হলো টাউনহল মাঠের গণসংগীত উৎসব       জেলা পুলিশ ও সেনাবাহিনীতে চাকরির নামে প্রতারণা       খালেদা জিয়াকে বিদেশে না পাঠালে পালানোর পথ খুঁজে পাবেন না       কেশবপুরে শিশু রত্না হত্যা মামলায় দাদার বিরুদ্ধে চার্জশিট       ঘের থেকে কৃষকের মরদেহ উদ্ধার       যশোরের ৩৫ ইউনিয়নে ভোট রোববার       স্ত্রীকে হত্যার দায়ে আটক       ফরিদপুরে গ্রাম্য ডাক্তারকে মারপিট        জয়তী সোসাইটির মানববন্ধন       
নাভারণ খাদ্যগুদাম
৪০ লক্ষাধিক টাকার ঘাপলা খুঁজে পেলো না তদন্ত কমিটি!
এম. আইউব
Published : Wednesday, 24 November, 2021 at 8:39 PM, Count : 165
৪০ লক্ষাধিক টাকার ঘাপলা খুঁজে পেলো না তদন্ত কমিটি! যশোরের শার্শা উপজেলার নাভারণ খাদ্যগুদামে সংঘটিত ৪০ লক্ষাধিক টাকার ঘাপলার বিষয়টি আমলে নেয়নি তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি! কীভাবে তারা এটি করল তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে খোদ খাদ্যবিভাগেই। আবার খাদ্যবিভাগের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, লাখ লাখ টাকা আত্মসাতের বিষয়টি যোগদানকৃত কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম ও বিদায়ী কর্মকর্তা আখতারুজ্জামান ‘আপোষ মীমাংসা’ করে নিয়েছেন। আর আদর আপ্যায়নে তুষ্ট হয়ে চোখে ‘কালো চশমা’ লাগান তদন্ত কর্মকর্তারা। তদন্ত কমিটির প্রধানের সাফ কথা ‘আমরাতো আর মালামাল ওজন করে দেখতে পারিনা। এটি অসম্ভব একটি কাজ।’ তদন্ত কর্মকর্তাদের ভূমিকা নিয়ে রহস্যের গন্ধ পাচ্ছেন খাদ্যবিভাগের কোনো কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারী।
নাভারণ খাদ্যগুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ছিলেন আখতারুজ্জামান। তার মেয়াদকালে ৪০ লক্ষাধিক টাকার মালামাল তছরূপ হয় বলে অভিযোগ ওঠে। তবে, তছরূপকৃত টাকার পরিমাণ আরও বেশি বলে একাধিক সূত্র জানায়। আখতারুজ্জামান নতুন বস্তা ও চাল বিক্রি করে এই টাকা আত্মসাৎ করেন বলে সূত্র জানায়। সূত্রের দাবি তিনি ‘বোমা থেরাপি’র মাধ্যমে বস্তা থেকে চাল বের করে বিক্রি করেছেন। এই অভিযোগের মধ্যে তাকে বদলি করা হয়। তার স্থলে দেয়া হয় রবিউল ইসলাম নামে এক কর্মকর্তাকে। এনিয়ে বাধে বিপত্তি। দুর্নীতিবাজ আখতারুজ্জামান দায়িত্ব হস্তান্তরে গড়িমসি শুরু করেন। এ কারণে অপেক্ষা করতে হয় রবিউল ইসলামকে। এ অবস্থায় তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেন জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক আব্দুর রহমান। মণিরামপুর উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা ইন্দ্রজিৎ সাহাকে প্রধান করে তিন সদস্যের কমিটিতে রাখা হয় শার্শা উপজেলা কর্মকর্তা মামুন হোসেন ও খাদ্য পরিদর্শক আব্দুল আলিমকে।
এই কমিটি তদন্তের নামে প্রহসন করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তারা লাখ লাখ টাকা আত্মসাতের বিষয়টি ‘ম্যানেজ’ প্রক্রিয়ায় ধামাচাপা দিয়ে কেবলমাত্র দায়িত্ব হস্তান্তরের ব্যবস্থা করেন। আত্মসাৎ করা সরকারি অর্থ ভাগাভাগি হয়েছে বলে সূত্রের দাবি। সেই কারণে নুতন করে কোনো টু শব্দ ছাড়াই রবিউল ইসলাম দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। যিনি দু’ সপ্তাহ আগেও ‘বিরাট অনিয়ম’ দেখেছিলেন সেই তিনিই সবকিছু মেনে নিয়েছেন কোনো রকম আপত্তি ছাড়াই! এটির মাধ্যমে নতুন করে দুর্নীতি করা এবং পার পাওয়ার পথ সুগম হচ্ছে বলে সূত্র মন্তব্য করেছেন।
এ বিষয়ে তদন্ত কমিটির প্রধান ইন্দ্রজিৎ সাহা বলেন,‘আমরা গুদামে যা পেয়েছি তারই প্রতিবেদন দিয়েছি। ছোটখাটো কিছু ত্রুটি বিচ্যুতি পেয়েছি। বড় ধরনের কোনো অনিয়ম দেখেনি।’ ছোট কী অনিয়ম দেখেছেন জানতে চাইলে তিনি এড়িয়ে যান।
জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক আব্দুর রহমান বলেন,‘অভিযোগ ওঠার পর তদন্ত কমিটি করে দিই। ওই কমিটি দু’জনকে সন্তুষ্ট সহকারে দায়িত্ব বুঝে দিয়েছে।’




« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft