আক্কেল চাচার চিঠি (আঞ্চলিক ভাষায় লেখা)
শিরোনাম: যশোরে ড্রাম থেকে শিশুর লাশ উদ্ধার        সেই চাঁদাবাজ আবিদ কারাগারে       ধর্ষণের অভিযোগে দু’জনের বিরুদ্ধে মামলা       এ এক অন্যরকম সম্প্রীতির শোভাযাত্রা       ধলিয়ার বিলে হবে লাখো মানুষের কর্মসংস্থান       রাজশাহীতে চুরির মাল বিক্রয় ডটকমে বিক্রি করতো এরা       বান্দরবানের লামায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে লাইনম্যানের মৃত্যু       নাজিরপুরে আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস পালিত       হাতিয়ায় আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস পালিত        ষষ্ঠী পূজার মধ্য দিয়ে রাজশাহীতে শারদীয় দুর্গোৎসব শুরু      
ফোসে পইড়লে, তো মইল্লে!
Published : Wednesday, 5 January, 2022 at 9:27 PM, Count : 479
এক লোকের হাউস হইয়েচে ঘুড়া কেনবে। ম্যালা দিনির শখ যে কইরেই হোক ঘুড়া তার কিনতি হবেই। বহু জাগা তলাশ কইরে অবলাস্টে এক জাগায় ঘুড়ার খোজ পাইয়েচে। দরাদামি কইরে এট্টা ঘুড়া কিনেও ফেলায়েচে, হাজার হোক শখের তুলা লাখ টাকা বিলে কতা। সারা গিরাম চাউর হইয়ে গেচে অমুক ঘোড়া কিনে ফেলায়েচে। বাড়ি আনার পর বহুত লোক হাউস কইরে দেকতিও আইয়েচে। একাকজন একাক কতা কচ্চে। কেউ কচ্চে যাক অন্তত ওর মনের আশাডা তো মিটেচে। কেউ টিটকেরি কইরে কচ্চে, প্যাটে ভাত নেই কোটে সিন্দর। নানান মুনি নানান মতের মত কতা কচ্চে। তবু বিটাডার মনের খুশি আর ধরে না। ছুলা, খড়, ঘাস লতা পাতা খৈল ভুষি যে যিডা কচ্চে সেই সব খাবার দাবার কিনে আইনেচে ঘুড়ার খাওয়ানোর জন্যি। ইরাম কইরে দৈনিক মুটা টাকা চইলে যাচ্চে খাওয়ার পেছনে।
কুচক্করেরা কয় বউ পুষা আর হাতি পুষা সুমান কতা কিন্তু ঘুড়া পুষতি যাইয়ে সেও বুইজেচে শখের জ্বালাডা কি। গিরামে ফোস দিয়া লোকের অভাব হয় না। বাড়ির খাইয়ে ইরা পরের জিনুস নিয়ে মাতা ঘামাতি যাইয়ে নিজির কাজই কত্তি পারে না। সিরাম একজন যাইয়ে বিটাডারে বুজোচ্চে, তুমি আরাক বুগদা দেকতিচি। যে যা কচ্চে তা শুনতি চাও কিয়েত্তি। সবাই অভ্যেসের দাস। ঘুড়ারে বেশী খাওয়ালি শরীলি তেল চবর জইমে যাবে তকন কিন্তুক তারে দিয়ে কোন কাজ করাতি পারবা না। আস্তের আস্তের খাওয়ানো কুমায় দেও। পোক শুইনে ঘুড়াডারে খাওয়ানো কুমায় দেচে। দেকতেচে বাহরে কায়দা। কম খাওয়ালিও ঘুড়া কিচ্চু কচ্চে না। ইরাম কত্তি কত্তি একদিন  সেই ফোসয়ালা আইসে বিটাডারে কচ্চে দেকলে তো তুমার কিরাম উপকারডাই না কল্লাম। নিজির চোকি তো দেকলে যা অভ্যেস করাবা তাই হবে। ইচ্চে কল্লি খাওয়ানো আরো কুমায় দিতি পারো। ফোস শুইনে বিটাডা ভাইবেচে তালি না খাওয়ায়ে টিকোয় রাকা যায় কিনা চিস্টা দিয়ে দেকা যাক। যেই কতা সেই কাজ। যে ঘুড়ার পেত্তেকদিন হরকোলি খাওয়া দিচ্চিল ফোস শুইনে সেই ঘুড়ারে দেচে দানাপানি খাওয়ানো বন্দ কইরে। এক দুই তিন ইরাম কইরে দিন সাতেক পর একদিন ব্যানবেলা ঘোমেত্তে উইটে ঘুড়ার কোন উইচাই না পাইয়ে আইগোয় যাইয়ে দেকে শখের ঘুড়াডা মইরে পইড়ে আচে। তকন ফোসয়ালা আইসে কচ্চে আহারে না খাইয়ে থাকার অভ্যেসটা পিরায় হইয়েই গিলো যদি মইরে না যাইতো।
আমাগের আশপাশে ফোস দিয়া লোকের অভাব নেই, ফোসে পইড়লে তো মইল্লে।
ইতি-
অভাগা আক্কেল চাচা
০১৭২৮৮৭১০০৩




« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
সহযোগী সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০২৪৭৭৭৬২১৮২, ০২৪৭৭৭৬২১৮০, ০২৪৭৭৭৬২১৮১, ০২৪৭৭৭৬২১৮৩ বিজ্ঞাপন : ০২৪৭৭৭৬২১৮৪, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft