সম্পাদকীয়
শিরোনাম: বন্যায় সিলেটের আশ্রয়কেন্দ্রও তলিয়ে গেছে       এবার সরিষার তেল কেজিতে বাড়লো ১শ'        ইরাম ব্যারাম হলি বিপদ!       স্বপ্নের পদ্মা সেতুর টোল চূড়ান্ত        সচিব হলেন খুলনার বিভাগীয় কমিশনার ইসমাইল হোসেন        অটো ভ্যান-রিকশা চোর সিন্ডিকেটের সদস্য আটক       ট্রাক চোর সিন্ডিকেটের সদস্য রিমান্ডে       কুষ্টিয়ায় ছাত্রীনিবাসে শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ       বাজেট অধিবেশন বসছে পাঁচই জুন       লোকালয়ে ১০ ফুট লম্বা অজগর উদ্ধার      
লাখ লাখ লিটার তেল উদ্ধার হলেও নেই কোন মামলা
Published : Saturday, 14 May, 2022 at 8:53 PM, Count : 101
ভোক্তা অধিকারের অভিযানে হাজার থেকে লাখো লিটার তেল আটক হলেও, ফৌজদারি এই অপরাধে একটিও মামলা হয়নি। প্রয়োগ করা হয়নি মজুদদার ও কালোবাজারি আইন। শুধুমাত্র নামমাত্র জরিমানাতেই দায় সারছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। আর এতে করে ফলে গুরুতর অপরাধের পরও ছাড় পেয়ে যাচ্ছেন মজুদকারীরা। তবে, ভোক্তা অধিকার জানিয়েছে, মামলা করার চিন্তা ভাবনা চলছে। অন্যদিকে আইনবিদরা দাবি জানিয়েছেন, মজুদদার ও কালোবাজারি আইন সংশোধনের।
পত্রিকান্তরে খবর বের হয়েছে, তেলের বাজারে চলছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযান। অসাধু ব্যবসায়ীদের গুদাম থেকে বেরিয়ে আসছে অবৈধভাবে মজুদ করা লাখ লাখ লিটার তেল। কিন্তু গুরুতর এই অপরাধে সর্বোচ্চ দুই লাখ টাকা জরিমানা করেই যেনো দায়িত্ব শেষ করছে এই সংস্থা। এনিয়ে প্রশ্নও তুলেছেন দেশের জ্যেষ্ঠ আইনজীবীরা। অথচ ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনে, মজুদদার ও কালোবাজারির অপরাধে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড ও যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে। কিন্তু লাখ লাখ লিটার তেল উদ্ধারের পরও এই আইনের প্রয়োগ হচ্ছেনা। এর মধ্য দিয়ে মজুদদার সিন্ডিকেটকে আইনি ছাড় দেয়া হচ্ছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। ভোক্তা অধিকার আইনে জরিমানা ছাড়া অন্য ব্যবস্থা নেয়ার বিধান নেই। তাই, আইনবিদের দাবি, মজুতদারি বন্ধে আইন সংশোধনের পাশাপাশি মাঠে থাকতে হবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে। তবে মজুতদারদের বিরুদ্ধে এখন মামলা করার কথা ভাবা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ভোক্তা অধিকারের মহাপরিচালক এ এইচ এম শফিকুজ্জমান।
অবৈধভাবে মজুদ করা লাখ লাখ লিটার তেল উদ্ধার হলেও অভিযান বন্ধের দাবি জানাচ্ছে এফবিসিসিআই। এ দাবিকে সম্পূর্ণ অনৈতিক ও গণবিরোধী বলছে ভোক্তাদের সংগঠন ক্যাব। প্রতিযোগিতা কমিশনকে আরও শক্তিশালী করা হলে ভোগ্য পণ্যের দাম নিয়ে এমন কারসাজি কমবে বলে মনে করছেন তারা।
আমরা মনে করি, মজুদদারদের কঠোর শাস্তির আওতায় আনা না গেলে এমন তেল নিয়ে তেলেসমাতি তারা করতেই থাকবে। ওরা সবসময়ই বাজারে যে কোনো পণ্য নিয়ে এমন করাসাজি করতেই থাকবে। এমন নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি বন্ধ হওয়া দরকার।




« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft