সারাদেশ
শিরোনাম: পদ্মা সেতুর উদ্বোধন থেকে ফেরা হলো না অহিদুল-মফিজুরের       স্বপ্ন হলো সত্যি       পদ্মাপাড়ের উৎসবের ঢেউ আছড়ে পড়ে যশোরেও       সাংবাদিক মিজানুরের পিতার ইন্তেকাল       জাগরণী চক্র ফাউন্ডেশনের বাজেট বিষয়ক বিশেষ সাধারণ সভা       পদ্মা সেতুর উদ্বোধনে প্রধানমন্ত্রীকে যবিপ্রবি পরিবারের ধন্যবাদ       অনুর্ধ্ব-২০ ভলিবল দলে যশোরের দু’জন       ব্যাটিংয়ে অখুশি সিডন্স       বড় পর্দায় পদ্মা সেতুর উদ্বোধন দেখলেন যশোরবাসী       কালিয়ায় ট্রলিচাপায় মাদরাসা ছাত্রের মৃত্যু      
পুঠিয়ায় বন্ধ হয়নি নিবন্ধনহীন ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিক সেন্টার
হাফিজুর রহমান পান্না, রাজশাহী ব্যুরো :
Published : Thursday, 23 June, 2022 at 7:19 PM, Count : 55
পুঠিয়ায় বন্ধ হয়নি নিবন্ধনহীন ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিক সেন্টার সারা দেশের সব অবৈধ ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার গুলো ৭২ ঘণ্টার মধ্যে বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। বেঁধে দেওয়া সেই সময় গত ২৯ মে শেষ হলেও বন্ধ হয়নি এসব ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার। এসব ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে চলছে চিকিৎসা কার্যক্রম।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার হুঁশিয়ারি থাকলেও এর কোনটিই মানছেনা নিবন্ধনহীন রাজশাহী পুঠিয়া উপজেলার  ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলো।
গ্রামের সহজ-সরল মানুষকে পুঁজি করে কোন রকম অনুমোদন ছাড়াই রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলা জুড়ে ব্যাঙের ছাতার মত গড়ে উঠেছে  ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার। দীর্ঘদিন ধরে মানহীন এসব ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে চিকিৎসার নামে প্রতারিত হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। অনেক রোগীর জীবনও চলে যাচ্ছে ভুল চিকিৎসার কারণে। পরে দালাল চক্রের মাধ্যমে রফাদফা করার এমন অভিযোগও রয়েছে অসংখ, এত কিছুর পরেও মনে হয় অদৃশ্য শক্তির ক্ষমতাবলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে চালিয়ে যাচ্ছে তাদের কর্মযজ্ঞ।
পুঠিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর আশেপাশে ও বানেশ্বর বাজারে এবং ঝলমলিয়া বাজারে গড়ে ওঠা দালালনির্ভর এসব ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোতে এসে একদিকে যেমন সর্বস্বান্ত হচ্ছে নিরীহ সাধারণ মানুষ। অপরদিকে সরকারি হাসপাতালের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থাও কমে যাচ্ছে। তবে এসব অবৈধ ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোর অধিকাংশেরই মালিক স্থানীয় প্রভাবশালীরা।
অনুসন্ধানে জানা যায়, একশ্রেণির দালাল ও সরকারি হাসপাতালের কর্মকর্তা-কর্মচারী মিলে সিন্ডিকেট করেই এসব প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করেন। কোনো কোনো ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিক  ডাক্তার-নার্স নেই। আবার গাইনি বিশেষজ্ঞ না থাকলেও অন্য ডাক্তার দিয়ে সিজার করানো অভিযোগও রয়েছে। এ কারণে তৃণমূলে ৫০ শতাংশ সিজার হচ্ছে ত্রুটিপূর্ণ। এসব ত্রুটিপূর্ণ সিজারের কারণে মা ও শিশু উভয়ের জীবন পরবর্তী সময়ে বিপন্ন হয়ে পড়ে।
পুঠিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্যমতে, পুঠিয়া উপজেলা জুড়ে সব মিলিয়ে ১১টি ক্লিনিকও ২০ ডায়াগনস্টিক সেন্টার রয়েছে। এগুলোর মধ্যে অধিকাংশই নিবন্ধনহীন।
এ ব্যাপারে পুঠিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আব্দুল মতিন এর সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে, তিনি বলেন আমরা স্বাস্থ্য অধিদপ্তর কর্তৃক যে নির্দেশনা পেয়েছি সেই নির্দেশনা মোতাবেক পুঠিয়া উপজেলাধীন সকল ক্লিনিক- ডায়াগনস্টিক সেন্টার গুলোর কর্তৃপক্ষকে ১৫ দিনের মধ্যে তাদের কাগজপত্র সংশোধন করতে বলেছি তা না হলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে তাদের জানানো হয়েছে।
পুঠিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা বিভাগ কর্তৃক বেধে দেয়া নির্ধারিত সময় পার হলেও এখনো পর্যন্ত পুঠিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা বিভাগ কর্তৃক কোনো ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে কিনা এবিষয়ে জানতে চাইলে পুঠিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আব্দুল মতিন বলেন,  স্বাস্থ্য অধিদপ্তর কর্তৃক পরবর্তীতে কোনো ধরনের নির্দেশনা আসলে পুঠিয়া উপজেলাধীন যেসকল ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক চলছে সে গুলোর বিরুদ্ধে আমরা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেন জানান তিনি।




« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft