অর্থকড়ি
শিরোনাম: হত্যা চেষ্টার অভিযোগে ছেলের বিরুদ্ধে মামলা       যশোরে ইয়াবসহ নারী মাদক ব্যবসায়ী আটক       ক্ষেমতা যট্টুক, তট্টুকই দেকানো ভালো!       আফগানিস্তানে আকস্মিক বন্যা       যশোরে স্বামীর বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা       খুলনার লোটাস এন্টারপ্রাইজ প্রীতি খাদ্য নিয়ন্ত্রকের, চরম অসন্তোষ       হয়রানির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন       চৌগাছায় বেশি দামে তেল বিক্রি করায় ২৫ হাজার টাকা জরিমানা        কেশবপুরে পল্লী চিকিৎসক সুব্রত হত্যা মামলায় একজনের যাবজ্জীবন        ‘দেশের অগ্রযাত্রায় অংশ নিয়ে ঋণ শোধ করতে হবে’      
যশোরে ২০০ পার হয়েছে কাঁচামরিচের দাম
কাগজ সংবাদ
Published : Friday, 5 August, 2022 at 8:46 PM, Count : 125
যশোরে ২০০ পার হয়েছে কাঁচামরিচের দাম   যশোরের বাজারে কাঁচামরিচের দাম আরেক দফা বেড়েছে। এক সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে ৮০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ২২০ টাকায়। অনাবৃষ্টি ও তাপদাহের কারণে কাঁচামরিচের উৎপাদন কমে যাওয়ায় এমনটি হয়েছে বলে বিক্রেতারা বলছেন।
শুক্রবার শহরের বিভিন্ন বাজারে ২০০ থেকে ২২০ টাকা দরে কাঁচামরিচ বিক্রি হয়। দেশের সবচেয়ে বড় কাঁচামরিচের মোকাম বগুড়া ও মানিকগঞ্জে সংকট  তৈরি হয়েছে বল বিক্রেতারা জানিয়েছেন। সবজি বিক্রেতা দুলাল সাহা বলেন, এ বছর বগুড়া ও মানিকগঞ্জে বৃষ্টি কম হওয়ায় তাপদাহে কাঁচামরিচের ক্ষেত নষ্ট হয়ে গেছে। যে কারণে কাঁচমরিচের সরবরাহ কমে যায়।
তবে, অন্যান্য সবজি আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে। প্রতি কেজি আলু বিক্রি হচ্ছে ২৬ থেকে ২৮ টাকায়। পটল ২০,। ঢেঁড়স ৩০ থেকে ৪০ টাকা। বরবটি, কচুরলতি, কাকরোল ও বেগুন ৫০, উচ্ছে ৬০, করলা ৪০, কাঁচকলা ৩০, মিষ্টি কুমড়া ৩০ থেকে ৪০ এবং লাউ ৩০ থেকে ৪০ টাকায় বিক্রি হয়। পারুল আক্তার নামে একজন ক্রেতা বলেন, এক সপ্তাহ আগেও কাঁচামরিচ ১৪০ টাকায় কিনেছিলাম। আজ (শুক্রবার) ২২০ টাকায় কিনলাম। আরেক ক্রেতা পূর্ণিমা বসু বলেন, শুধু কাঁচামরিচ কেন, কোনো কিছুর দামই তো কম না। কোরবানি ঈদের পর এক মাস পার হয়ে গেছে এখনো মসলার দাম কমেনি।
কোরবানি ঈদের পর এক মাস পার হতে চললো। এখনো কমেনি মসলার দাম। পূর্বের দামেই বিক্রি হচ্ছে বিভিন্ন মসলা। বর্তমানে প্রতি কেজি জিরা বিক্রি হচ্ছে ৪৫০ টাকায়। দারুচিনি ৩৪০ থেকে ৪০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। লবঙ্গ এক হাজার ২০০ থেকে এক হাজার ৪০০, এলাচ এক হাজার ৮০০ থেকে দু’ হাজার ৮০০ টাকায়, পেঁয়াজ ৩৫ থেকে ৪০ টাকায়, রসুন ৬০ থেকে ১৫০, আদা ৮০ থেকে ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
তবে, এখনো চড়া দামেই বিক্রি হচ্ছে ইলিশ মাছ। প্রতি কেজি ইলিশ সর্বনি¤œ ৫৫০ থেকে সর্বোচ্চ এক হাজার ৬০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। মাছ বিক্রেতা দলিল উদ্দিন বলেন, বাজারে ইলিশ মাছ কম আসছে, তাই দাম একটু বেশি।   
অন্যদিকে গত সপ্তাহে খানিকটা কমে গেলেও এ সপ্তাহে আবারও বেড়েছে মুরগির দাম। ব্রয়লার মুরগি ৬০ থেকে ১৭০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। যা গত সপ্তাহে ১৫০ টাকা দরে বিক্রি হয়। সোনালি মুরগি ২৮০ টাকা। যা গত সপ্তাহে ২৭০ টাকায় বিক্রি হয়। লেয়ার মুরগি ৩০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। দেশি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকায়। গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৬২০ থেকে ৬৫০ টাকা কেজিতে। খাসির মাংস ৮৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।
অন্যদিকে, প্রতি কেজি স্বর্ণা চাল বিক্রি হচ্ছে ৪৪ থেকে ৪৬ টাকায়। কাজললতা ৫২ থেকে ৫৬, আঠাশ ৫০ থেকে ৫৬, মিনিকেট ৬০ থেকে ৬৬, বাসমতি ৭২ থেকে ৭৬ ও নাজিরশাইল ৮০ টাকায় বিক্রি হয়। বড় বাজারের চাল ব্যবসায়ী জাকির হোসেন বলেন, চালের দাম বাড়েনি। তারপরও বেচাকেনা কমে গেছে। একই কথা বলেন আবুল হাশেম নামে আরেক ব্যবসায়ী।
অন্যান্য নিত্যপণ্যের মধ্য খোলা সয়াবিন তেল বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ১৭২ থেকে ১৭৫ টাকায়। বিভিন্ন ব্র্যান্ডের বোতলজাত সয়াবিন তেল বিক্রি হচ্ছে ১৮৫ টাকা লিটারে। বড় বাজারের নিউএনবি ট্রেডার্সের সত্ত্বাধিকারী ফরিদুল ইসলাম বলেন, সয়াবিন তেলের বেচাকেনা কমে গিয়েছিল। দাম কমাতে এখন আবার বেড়েছে। সামনের দিনগুলোতে সয়াবিনের দাম আরও কমতে পারে। প্রতি কেজি খোলা আটা বিক্রি হচ্ছে ৪৫ টাকায়। প্যাকেট আটার দাম ৫০। প্রতি কেজি মসুরের ডাল বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১৩০ টাকায়। মুগ ডাল ১১৫ থেকে ১২০ টাকা। ৭২ টাকায় বিক্রি হচ্ছে ছোলার ডাল। বুটের ডাল ৬৩ টাকা। চিনি ৮২ থেকে ৮৪ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর লবণের দাম ৩৫ টাকা।     




« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft