
বিশ্ব শেয়ারবাজারে চলমান স্থায়ী পতন এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইরান ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার প্রভাবে বিনিয়োগকারীরা নিরাপদ সম্পদের দিকে ঝুঁকছেন। এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে আন্তর্জাতিক স্বর্ণবাজারে, যেখানে স্বর্ণের দামে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি লক্ষ্য করা গেছে।
বাংলাদেশ সময় শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৬টা ৪৩ মিনিটে স্পট মার্কেটে স্বর্ণের দাম ২ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্সে ৪,৮৯৩.৫৯ ডলারে পৌঁছায়। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে এপ্রিল ডেলিভারির জন্য গোল্ড ফিউচারসের দাম ০ দশমিক ৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে প্রতি আউন্সে ৪,৯১৪.১০ ডলারে লেনদেন হয়।
রুপার বাজারেও ব্যাপক ওঠানামা দেখা গেছে। স্পট মার্কেটে রুপার দাম ৪ দশমিক ৪ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্সে ৭৪.৩৭ ডলারে দাঁড়িয়েছে। তবে সাপ্তাহিক হিসাবে চিত্রটি ভিন্ন—গত সপ্তাহে ১৮ শতাংশ পতনের পর চলতি সপ্তাহে রুপার দাম আরও ১২ শতাংশের বেশি কমেছে, যা ২০১১ সালের পর এক সপ্তাহে সর্বোচ্চ দরপতনের রেকর্ড।
অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর বাজারেও মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। প্লাটিনামের দাম ০ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্সে ১,৯৯৯.১৫ ডলার, আর প্যালাডিয়ামের দাম ৩ দশমিক ৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে প্রতি আউন্সে ১,৬৭৩.০৯ ডলারে পৌঁছেছে।
দেশীয় বাজারে, ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম প্রতি ভরিতে (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২,৫৪,৪৫০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। একইভাবে, ২১ ক্যারেটের স্বর্ণ প্রতি ভরিতে ২,৪২,৯০৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ২,০৮,২০২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণ প্রতি ভরিতে ১,৭০,৪১১ টাকায় লেনদেন হচ্ছে।
মন্তব্য করুন