
ইসরায়েলের দিকে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ এবং এর জবাবে ইসরায়েলের পাল্টা হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। এই পরিস্থিতির প্রভাব পড়েছে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে। সোমবার সকালে এশিয়ার বাজারে তেলের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
গত এপ্রিলে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে একটি নাজুক যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। তবে সেই যুদ্ধবিরতির পর এবারই প্রথম ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। এর ফলে দুই দেশের মধ্যে সংঘাত আবারও তীব্র হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
বাজার বিশ্লেষকদের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার সকালে আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ২ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়ে প্রতি ব্যারেল ৯৫ দশমিক ৫০ ডলারে পৌঁছেছে।
একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট অপরিশোধিত তেলের দাম ২ দশমিক ৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে প্রতি ব্যারেল ৯২ দশমিক ৭৫ ডলারে দাঁড়িয়েছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, এপ্রিলের যুদ্ধবিরতির পর থেকেই জ্বালানি তেলের বাজারে অস্থিরতা বিরাজ করছে। গত এক সপ্তাহ ধরে প্রতি ব্যারেল তেলের দাম প্রায় ৯৫ ডলারের আশপাশে অবস্থান করছিল। তবে নতুন সামরিক উত্তেজনা বাজারে আরও অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে।
বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সরবরাহব্যবস্থা, তেল পরিবহন রুট এবং উৎপাদন কার্যক্রমের ওপর এই সংঘাত দীর্ঘমেয়াদে কী ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে, তা নিয়ে ব্যবসায়ী, বিনিয়োগকারী ও জ্বালানি খাতের সংশ্লিষ্টরা নিবিড়ভাবে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন।
মন্তব্য করুন