
রোড সেফটি ফাউন্ডেশন নামে একটি সংস্থা বাংলাদেশে দুর্ঘটনা নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। তাতে বলা হয়েছে, মার্চ মাসে দেশে মোট ৫৭৬টি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে। এতে নিহত হয়েছেন ৫৩২ জন ও আহত হয়েছেন ২ হাজার ২২১ জন। এর মধ্যে ২১৯টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ২০৪ জন, যা মোট নিহতের ৩৮.৩৪ শতাংশ। মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার হার ৩৮.০২ শতাংশ। এ সময়ে ১৪টি নৌ-দুর্ঘটনায় ১২ জন নিহত, ২৭ জন আহত ও তিনজন নিখোঁজ রয়েছেন। এছাড়া ৪৮টি রেলপথ দুর্ঘটনায় ৬৭ জন নিহত ও ২২৪ জন আহত হয়েছেন। রোড সেফটি ফাউন্ডেশন নয়টি জাতীয় দৈনিক, ১৭টি জাতীয় ও আঞ্চলিক অনলাইন নিউজ পোর্টাল, বিভিন্ন ইলেকট্রনিক মিডিয়া এবং নিজস্ব তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি তৈরি করে। শনিবার (১১ এপ্রিল) এটি প্রকাশ করা হয়। দুর্ঘটনায় যানবাহনভিত্তিক নিহতের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, মোটরসাইকেলচালক ও আরোহী ২০৪ জন (৩৮.৩৪ শতাংশ), বাসের যাত্রী ৪৫ জন (৮.৪৫ শতাংশ), ট্রাক-পিকআপ-ট্রাক্টর আরোহী ২৮ জন (৫.২৬ শতাংশ), প্রাইভেটকার-মাইক্রোবাস আরোহী ৪৬ জন (৮.৬৪ শতাংশ), থ্রি-হুইলার (ইজিবাইক, সিএনজি, অটোরিকশা, অটোভ্যান, লেগুনা) যাত্রী ৯৪ জন (১৭.৬৬ শতাংশ), স্থানীয়ভাবে তৈরি যানবাহন (নসিমন, পাখিভ্যান, ভটভটি, টমটম, মাহিন্দ্র) আরোহী ২৩ জন (৪.৩২ শতাংশ) ও বাইসাইকেল আরোহী ১৩ জন (২.৪৪ শতাংশ) নিহত হয়েছেন। দুর্ঘটনার বিভাগভিত্তিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ঢাকা বিভাগে দুর্ঘটনা ২১.৮৭ শতাংশ ও প্রাণহানি ২৫.৭৫ শতাংশ, রাজশাহী বিভাগে দুর্ঘটনা ১৩.১৯ শতাংশ ও প্রাণহানি ১২.৪০ শতাংশ, চট্টগ্রাম বিভাগে দুর্ঘটনা ২১.৭০ শতাংশ ও প্রাণহানি ১৯.১৭ শতাংশ, খুলনা বিভাগে দুর্ঘটনা ১৩.৫৪ শতাংশ ও প্রাণহানি ১৩.৫৩ শতাংশ, বরিশাল বিভাগে দুর্ঘটনা ৬.৭৭ শতাংশ ও প্রাণহানি ৬ শতাংশ, সিলেট বিভাগে দুর্ঘটনা ৪.৬৮ শতাংশ ও প্রাণহানি ৪.৮৮ শতাংশ, রংপুর বিভাগে দুর্ঘটনা ১০.৭৬ শতাংশ ও প্রাণহানি ৯.৯৬ শতাংশ এবং ময়মনসিংহ বিভাগে দুর্ঘটনা ৭.৬৩ শতাংশ ও প্রাণহানি ৬.৫৭ শতাংশ। এমন দুর্ঘটনা রোধে সরকারের কার্যকর উদ্যোগ নেয়া জরুরি।
মন্তব্য করুন