
গাজা ও মিসরের মধ্যবর্তী রাফাহ সীমান্ত রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) থেকে আংশিকভাবে পুনরায় চালু হবে। কয়েক মাস বন্ধ থাকার পর সীমান্তটি পরীক্ষামূলকভাবে খুলে দেওয়া হচ্ছে, যাতে মূলত আহত ব্যক্তিদের পারাপারের সুযোগ থাকে।
ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ বৃহস্পতিবার এই তথ্য জানিয়েছে। সীমান্তটি ২ ফেব্রুয়ারি থেকে নিয়মিতভাবে চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।
গাজার সাধারণ মানুষ এবং মানবিক সহায়তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ রাফাহ সীমান্তটি ২০২৪ সালের মে মাসে হামাসের সঙ্গে সংঘর্ষ চলাকালীন ইসরায়েলি বাহিনী নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর থেকে বন্ধ ছিল। চলতি বছরের শুরুতে স্বল্প সময়ের জন্য সীমান্তটি খোলা হলেও পরে আবার বন্ধ করা হয়।
ইসরায়েল আগে ঘোষণা করেছিল যে, গাজায় আটক শেষ ইসরায়েলি জিম্মি র্যান গিভিলির মরদেহ ফেরত না পাওয়া পর্যন্ত রাফাহ সীমান্ত খোলা হবে না। গত ২৮ জানুয়ারি ইসরায়েলে তার দাফন সম্পন্ন হয়েছে।
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন বেসামরিক বিষয়ক সংস্থা কোগাট জানিয়েছে, সীমান্ত দিয়ে প্রবেশ ও প্রস্থান কঠোর নিরাপত্তা ছাড়পত্রের আওতায় পরিচালিত হবে। এই প্রক্রিয়া মিসরের সঙ্গে সমন্বয় এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের একটি মিশনের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হবে। তবে, প্রতিদিন কতজন মানুষ সীমান্ত পার হতে পারবেন বা গাজায় ফেরার অনুমতি কীভাবে দেওয়া হবে—এখনো নির্দিষ্ট কোনো সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি।
এর মধ্যেই গাজায় সহিংসতা অব্যাহত রয়েছে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ৩১ জানুয়ারি ইসরায়েলি হামলায় বহু মানুষ নিহত হয়েছে। অন্যদিকে ইসরায়েল দাবি করেছে, তারা যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের জবাবে এই হামলা চালিয়েছে।
বিদেশে চিকিৎসার অপেক্ষায় থাকা বহু গাজাবাসীর জন্য রাফাহ সীমান্ত আংশিকভাবে খোলার সিদ্ধান্তকে দীর্ঘদিন পর পাওয়া একটি আশার আলো হিসেবে দেখা হচ্ছে।
মন্তব্য করুন