
তিন দশকেরও বেশি সময় পর সরাসরি কূটনৈতিক আলোচনায় বসেছে লেবানন ও ইসরায়েল। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ওয়াশিংটনে এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক শুরু হয়েছে, যা দুই দেশের দীর্ঘদিনের উত্তেজনাপূর্ণ সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি বড় অগ্রগতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
তুরস্কভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আনাদোলু এজেন্সি-র প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই বৈঠকে লেবাননের পক্ষে যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত নাদা হামাদেহ অংশ নেন এবং ইসরায়েলের প্রতিনিধিত্ব করেন রাষ্ট্রদূত ইয়েচিয়েল লেইটর।
মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, লেবাননে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইকেল ইসা, স্টেট ডিপার্টমেন্টের কাউন্সেলর মাইকেল নিধাম এবং জাতিসংঘে মার্কিন দূত মাইক ওয়ালটজ। বৈঠকের শুরুতে সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য ছবি তোলা হয়, এরপর প্রতিনিধিরা রুদ্ধদ্বার বৈঠকে অংশ নেন।
মার্কো রুবিও বৈঠক সম্পর্কে বলেন, এটি কোনো চূড়ান্ত সমাধান নয়, বরং একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়ার সূচনা। তিনি জানান, এত জটিল সমস্যা কয়েক ঘণ্টায় সমাধান সম্ভব নয়, তবে একটি কাঠামো তৈরি করা গেলে ভবিষ্যতে স্থায়ী সমাধানের পথ তৈরি হবে।
এদিকে, হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রেখেছে ইসরায়েল। গত ২ মার্চ সীমান্তে হামলার পর থেকে দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি বাহিনী বিমান ও স্থল হামলা জোরদার করেছে, যদিও ২০২৪ সালের নভেম্বর মাসে একটি যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছিল।
লেবাননের স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই হামলায় এখন পর্যন্ত অন্তত ২ হাজার ৮৯ জন নিহত হয়েছেন। এসময় আহত হয়েছেন আরও অন্তত ৬ হাজার ৭৬২ জন।
মন্তব্য করুন