মঙ্গলবার
০৯ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

ঐতিহাসিক ফারাক্কা দিবস : পানির ন্যায্য হিস্যা আজও মেলেনি

কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ : ১৬ মে ২০২৬, ০৯:৫৩ এএম
ঐতিহাসিক ফারাক্কা দিবস : পানির ন্যায্য হিস্যা আজও মেলেনি

আজ ১৬ মে, ঐতিহাসিক ফারাক্কা দিবস। ১৯৭৬ সালের এই দিনে মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী-এর নেতৃত্বে গঙ্গার পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়ের দাবিতে অনুষ্ঠিত হয়েছিল ঐতিহাসিক ফারাক্কা লংমার্চ। বাংলাদেশের পানি অধিকার আন্দোলনের ইতিহাসে এটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হয়।

১৯৭৫ সালের ২১ এপ্রিল ভারত পরীক্ষামূলকভাবে ফারাক্কা বাঁধ চালু করে। এরপর অল্প সময়ের মধ্যেই ভাটির দেশ বাংলাদেশে গঙ্গা ও পদ্মা নদীর পানিপ্রবাহ কমতে শুরু করে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এর ফলে দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে কৃষি, সেচ, মৎস্যসম্পদ, নৌপথ ও পরিবেশে মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব পড়ে।

একসময় খরস্রোতা পদ্মা নদী শুষ্ক মৌসুমে বালুচরে পরিণত হতে শুরু করে। চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে ফরিদপুর পর্যন্ত প্রায় ১৯৬ কিলোমিটার নদী অববাহিকায় পানির তীব্র সংকট দেখা দেয়। পদ্মা অববাহিকার লাখো মানুষের জীবন-জীবিকা হুমকির মুখে পড়ে।

এই পরিস্থিতিতে চুপ করে থাকেননি মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী। তিনি ১৯৭৬ সালের ১৬ মে রাজশাহী থেকে ফারাক্কার উদ্দেশ্যে ঐতিহাসিক লংমার্চের ডাক দেন।

লাখো মানুষের অংশগ্রহণে ঐতিহাসিক ফারাক্কা লংমার্চ ১৯৭৬ সালের ১৬ মে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে লাখো মানুষ লংমার্চে অংশ নেন। রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা ময়দান থেকে শুরু হয় এই কর্মসূচি। ভারতবিরোধী ব্যানার, ফেস্টুন ও স্লোগানে উত্তাল হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।

সকাল ১০টায় শুরু হওয়া লংমার্চ গোদাগাড়ীর প্রেমতলী হয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ কলেজ মাঠে পৌঁছে। পরদিন যাত্রা শেষ হয় সীমান্তবর্তী কানসাট হাইস্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত বিশাল সমাবেশের মাধ্যমে।

সেই সমাবেশে মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী ফারাক্কা বাঁধকে “মরণবাঁধ” আখ্যা দেন। “ভেঙে দাও, গুঁড়িয়ে দাও মরণবাঁধ ফারাক্কা” স্লোগানে পুরো এলাকা প্রকম্পিত হয়ে ওঠে। বিশ্লেষকদের মতে, এই আন্দোলন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে এবং ভারতের ওপর কূটনৈতিক চাপ বাড়ায়।

ফারাক্কা বাঁধ: যেভাবে শুরু হয় গঙ্গার পানি সংকট গঙ্গা নদীর ওপর ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণের পরিকল্পনা নেয় ভারত পঞ্চাশের দশকের শুরুতে। যদিও তৎকালীন পাকিস্তান সরকার এর বিরোধিতা করেছিল, তবুও ১৯৬১ সালে ভারত আনুষ্ঠানিকভাবে বাঁধ নির্মাণকাজ শুরু করে।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলার ফারাক্কা এলাকায় নির্মিত প্রায় ২ হাজার ২৪০ মিটার দীর্ঘ এই বাঁধ বাংলাদেশের সীমান্ত থেকে মাত্র ১৮ কিলোমিটার উজানে অবস্থিত। ১৯৭০ সালের মধ্যেই মূল অবকাঠামোর কাজ প্রায় সম্পন্ন হয়।

বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭৫ সালের ২১ এপ্রিল পরীক্ষামূলকভাবে ফারাক্কা বাঁধ চালুর পর থেকেই বাংলাদেশের গঙ্গা ও পদ্মা নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ কমতে শুরু করে বলে অভিযোগ রয়েছে।

ফারাক্কা লংমার্চের পর আন্তর্জাতিক চাপের মুখে ১৯৭৭ সালে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে পাঁচ বছর মেয়াদি গঙ্গা পানিবণ্টন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। ওই চুক্তি অনুযায়ী শুষ্ক মৌসুমে বাংলাদেশ নির্দিষ্ট পরিমাণ পানি পাওয়ার নিশ্চয়তা পায়।

চুক্তিতে বলা হয়েছিল, এপ্রিলের শেষ ১০ দিনে ফারাক্কা পয়েন্টে ৫৫ হাজার কিউসেক পানির মধ্যে বাংলাদেশ পাবে ৩৪ হাজার ৫০০ কিউসেক এবং ভারত পাবে ২০ হাজার ৫০০ কিউসেক পানি। এছাড়া বাংলাদেশকে ন্যূনতম ৮০ শতাংশ পানি দেওয়ার গ্যারান্টিও রাখা হয়েছিল।

তবে ১৯৮২ সালে চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর নতুন সমঝোতায় সেই গ্যারান্টি বাতিল করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। পরবর্তীতে ১৯৯৬ সালে নতুন গঙ্গা পানি চুক্তি স্বাক্ষরিত হলেও বাংলাদেশের পানি বিশেষজ্ঞদের দাবি, দেশ এখনো কাঙ্ক্ষিত ন্যায্য হিস্যা থেকে বঞ্চিত।

ফারাক্কার মরণঘাতী এই প্রভাব দেখে চুপ করে বসে থাকতে পারেননি মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানী। ১৯৭৬ সালের ১৬ মে ফারাক্কা অভিমুখে লংমার্চের ডাক দেন মওলানা। পরিস্থিতির প্রতিবাদে ১৯৭৬ সালের ১৬ মে রাজশাহী থেকে ফারাক্কার উদ্দেশ্যে লংমার্চের ডাক দেন মওলানা ভাসানী। সেদিন দেশের বিভিন্ন প্রান্তের অগণিত মানুষ তার ডাকে সাড়া দেন। লাখো মানুষের অংশগ্রহণে সেই কর্মসূচি আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও ব্যাপক আলোড়ন তোলে। ভারতবিরোধী ব্যানার ও ফেস্টুন নিয়ে রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা ময়দানে প্রতিবাদী জনতার ঢল নামে। এখান থেকেই ফারাক্কা অভিমুখে লংমার্চ শুরু হয়। সকাল ১০টায় শুরু হওয়া লংমার্চ দুপুরে গোদাগাড়ীর প্রেমতলীতে পৌঁছে। পরে সন্ধ্যায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ কলেজ মাঠে যাত্রাবিরতি করা হয়। পরদিন সকালে আবারও যাত্রা শুরু হয়ে সীমান্তবর্তী কানসাট হাইস্কুল মাঠে গিয়ে শেষ হয়।

কানসাটে অনুষ্ঠিত বিশাল সমাবেশে দেশ-বিদেশের লাখো মানুষ অংশ নেন। ঐতিহাসিক ওই সমাবেশে মওলানা ভাসানী ফারাক্কা বাঁধকে “মরণবাঁধ” আখ্যা দেন। তার বক্তব্যে সমবেত জনতা প্রতিবাদে মুখর হয়ে ওঠে এবং “ভেঙে দাও, গুঁড়িয়ে দাও মরণবাঁধ ফারাক্কা” স্লোগানে পুরো এলাকা প্রকম্পিত হয়। সমাবেশে মওলানা ভাসানী বলেন, অন্যায়ের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ জাতির প্রতিবাদের এক অনন্য দৃষ্টান্ত তৈরি হয়েছে কানসাটে। তার এই আন্দোলন দেশজুড়ে ব্যাপক সাড়া ফেলে এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়েও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে আসে ফারাক্কা ইস্যু। এরপর আন্তর্জাতিক চাপের মুখে ভারত পরে গঙ্গার পানি বণ্টন নিয়ে আলোচনায় বসতে বাধ্য হয়। পানির দাবিতে পৃথিবীর ইতিহাসে এটি ছিল এক অবিস্মরণীয় প্রতিবাদের ঘটনা।

বিশ্লেষকদের মতে, এই লংমার্চের পর আন্তর্জাতিক চাপের মুখে ভারত গঙ্গার পানিবণ্টন নিয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে আলোচনায় বসতে বাধ্য হয়। পরবর্তীতে ১৯৭৭ সালে দুই দেশের মধ্যে পাঁচ বছর মেয়াদি গঙ্গা পানিবণ্টন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণের ইতিহাস: যেভাবে শুরু হয় গঙ্গার পানি সংকট গঙ্গা নদীর পানিবণ্টন নিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের দীর্ঘদিনের আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে ফারাক্কা বাঁধ। পঞ্চাশের দশকের শুরুতে ভারত গঙ্গা নদীর ওপর এই বাঁধ নির্মাণের পরিকল্পনা নেয়। সে সময় তৎকালীন পাকিস্তান সরকার এর তীব্র বিরোধিতা করলেও ভারত জানায়, প্রকল্পটি তখনো প্রাথমিক অনুসন্ধান পর্যায়ে রয়েছে। পরবর্তীতে ১৯৬০ সালে গঙ্গার পানিবণ্টন ইস্যুতে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়। তবে আলোচনা চলাকালেই ১৯৬১ সালে ভারত ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণের কাজ শুরু করে। বাংলাদেশের স্বাধীনতার আগেই, ১৯৭০ সালের মধ্যে মূল বাঁধ নির্মাণের কাজ প্রায় সম্পন্ন হয়ে যায়।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলার ফারাক্কা এলাকায় নির্মিত এই বাঁধটি বাংলাদেশের সীমান্ত থেকে মাত্র ১৮ কিলোমিটার উজানে অবস্থিত। প্রায় ২ হাজার ২৪০ মিটার দীর্ঘ এ বাঁধ নির্মাণে সে সময় প্রায় এক বিলিয়ন ডলার ব্যয় করা হয় এবং এতে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের কারিগরি সহায়তা নেওয়া হয়েছিল। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭৫ সালের ২১ এপ্রিল ভারত পরীক্ষামূলকভাবে ফারাক্কা বাঁধ চালু করে। প্রথমে মাত্র ৪১ দিনের জন্য ভাগীরথী নদীর ফিডার ক্যানেলে পানি প্রবাহের কথা বলা হলেও পরবর্তীতে সেই ব্যবস্থা স্থায়ী রূপ নেয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এরপর থেকেই বাংলাদেশের গঙ্গা ও পদ্মা নদীর পানিপ্রবাহ কমতে শুরু করে, যা দেশের কৃষি, নদী, নৌপথ ও পরিবেশের ওপর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলেছে। তবে ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। সেই চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশ সীমিত পরিমাণ পানি পেলেও পানির ন্যায্য হিস্যা নিয়ে বিতর্ক এখনো পুরোপুরি শেষ হয়নি।

ফারাক্কা চুক্তির পরও মেলেনি গঙ্গার পানির ন্যায্য হিস্যা গঙ্গার পানিবণ্টন নিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে একাধিক চুক্তি হলেও এখনো পানির ন্যায্য হিস্যা পুরোপুরি নিশ্চিত হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘদিন ধরেই শুষ্ক মৌসুমে কাঙ্ক্ষিত পরিমাণ পানি না পাওয়ায় দেশের নদী, কৃষি ও পরিবেশের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। আন্তর্জাতিক চাপ ও দক্ষিণ এশিয়ার তৎকালীন রাজনৈতিক বাস্তবতায় ১৯৭৭ সালে ভারত বাংলাদেশকে নিয়ে গঙ্গার পানিপ্রবাহ বণ্টনে পাঁচ বছর মেয়াদি একটি চুক্তি স্বাক্ষর করতে বাধ্য হয়। ওই চুক্তি অনুযায়ী শুষ্ক মৌসুমে বাংলাদেশ নির্দিষ্ট পরিমাণ পানি পাওয়ার নিশ্চয়তা পেয়েছিল।

চুক্তিতে উল্লেখ ছিল, এপ্রিলের শেষ ১০ দিনে ফারাক্কা পয়েন্টে প্রায় ৫৫ হাজার কিউসেক পানির মধ্যে বাংলাদেশ পাবে ৩৪ হাজার ৫০০ কিউসেক এবং ভারত পাবে ২০ হাজার ৫০০ কিউসেক পানি। এছাড়া পানির প্রবাহ কমে গেলে বাংলাদেশ তার নির্ধারিত অংশের অন্তত ৮০ শতাংশ পানি পাবে এমন গ্যারান্টিও রাখা হয়েছিল। পাঁচ বছর মেয়াদি এ চুক্তি আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও প্রশংসিত হয়েছিল। তবে ১৯৮২ সালে চুক্তির মেয়াদ শেষ হলে বাংলাদেশ নবায়নের আগ্রহ দেখালেও ভারতের আপত্তিতে তা আর সম্ভব হয়নি।

পরবর্তীতে একই বছরের ৭ অক্টোবর নয়াদিল্লিতে একটি সমঝোতা স্মারক সই হয়। সেখানে আগের কিছু শর্ত বহাল থাকলেও বাংলাদেশের জন্য ৮০ শতাংশ পানি পাওয়ার গ্যারান্টি বাতিল করা হয়। ফলে পানিবণ্টনে বাংলাদেশের স্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে বিশ্লেষকদের দাবি। এদিকে ১৯৭৯ সালে নেপালকে অন্তর্ভুক্ত করে যৌথ নদী কমিশন গঠনের যে পরিকল্পনা ছিল, সেটিও পরবর্তী সমঝোতায় বাদ পড়ে যায়। এতে আঞ্চলিক পানি ব্যবস্থাপনায় সম্ভাব্য সমাধানের পথ সংকুচিত হয় বলে মনে করা হয়। পরে ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে নতুন গঙ্গা পানি চুক্তি স্বাক্ষরিত হলেও তা পুরোপুরি কার্যকর হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে। আগামী ডিসেম্বরে ওই চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে, যা নিয়ে নতুন করে আলোচনা ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

গবেষকদের দাবি, ফারাক্কার প্রভাবে বাংলাদেশের বহু নদী শুকিয়ে গেছে, সেচ সংকট বেড়েছে এবং দক্ষিণাঞ্চলে লবণাক্ততা ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্যও হুমকির মুখে পড়েছে। একই সঙ্গে ইলিশসহ বিভিন্ন দেশীয় মাছের প্রজাতি কমে গেছে। তারা আরও জানান, শুষ্ক মৌসুমে পানিপ্রবাহ আশঙ্কাজনকভাবে কমে যাওয়ায় নদীপথ অকার্যকর হয়ে পড়ছে এবং কৃষি উৎপাদনেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।

এদিকে ফারাক্কা দিবস উপলক্ষে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন আলোচনা সভা, সমাবেশ ও স্মরণ কর্মসূচির আয়োজন করেছে। ঢাকাসহ রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জেও দিবসটি ঘিরে নানা কর্মসূচি পালিত হবে।

আমাদের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

হাম উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত হাজারের বেশি

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ ও তারুণ্য ধরে রাখবে কাঁকরোল

মণিরামপুরে ইমামুল হত্যাকাণ্ডে আটক হুসাইনের স্বীকারোক্তি

ঋণের প্রলোভনে টাকা আত্মসাত, মাহমুদাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা

পাওনা টাকা চাওয়ায় ভাতিজার মারধরে বৃদ্ধ নিহত

সেবা নিতে এসে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা সাধারণ মানুষের

মণিরামপুর পৌরসভার উন্মুক্ত বাজেট ঘোষণা

এস আলমের প্রভাবমুক্ত ইসলামী ব্যাংকের দাবিতে রাজশাহীতে মানববন্ধন

কেশবপুরে ভূমি সহকারীর বাড়িতে অজ্ঞান পার্টির হানা

একনেক সভায় ১০ উন্নয়ন প্রকল্পের অনুমোদন

জামায়াতের ৮.৩৯ লাখ কোটি টাকার ছায়া বাজেট প্রস্তাব

পুরুষ বন্ধুদের কাছ থেকে উপহার পেতে আনুশকার অস্বস্তি!

মণিরামপুরে নাতনীকে উত্যক্তের প্রতিবাদ করায় নানাকে কুপিয়ে হত্যা, আটক-১

তথ্য উপদেষ্টা / স্থানীয় সরকার নির্বাচন হবে নির্দলীয়, থাকবে না দলীয় প্রতীক

যশোরসহ ২০ অঞ্চলে ঝড়ের সম্ভাবনা

উত্তাল বঙ্গোপসাগর, চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত

ঘুসের টাকা গুনে নেওয়ার ভিডিও ভাইরাল, বাগমারা থানার পুলিশ পরিদর্শক প্রত্যাহার

মহম্মদপুরে মেয়াদোত্তীর্ণ কীটনাশকে নতুন সিল

রামিসা হত্যা: সোহেল ও স্বপ্না ‘কনডেম সেলে’

কেশবপুরে শরীকানা পুকুরের মাছ লুটের অভিযোগ

X