
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মন্তব্য করেছেন যে, যেসব মানুষ ভোট দিতে পারবে না তারা জাতীয় নির্বাচন বানচাল করতে চায়। তিনি এই মন্তব্যটি করেছেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউটে আয়োজিত আলোচনা সভায়।
ফখরুল বলেন, অনেকে বলছে নির্বাচন হবে কিনা বা তাকে আটকে দেওয়া হবে। ভেতরে-ভেতরে দেখলে তাদের ভোট নেই। বড় বড় গলায় তারা বলে নির্বাচন হতে দেব না। তবে নির্বাচনে দেখা যাবে কে কত ভোট পায়। আমরা নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত। জনগণ যদি আমাদের গ্রহণ করে আমরা আছি, নতুবা আমরা বিরোধী দলে থাকব। আগে থেকে এত গলাবাজি কেন?
তিনি আরও বলেন, আজকের এই পরীক্ষা অত্যন্ত কঠিন। এই নির্বাচনের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে দেশের ভবিষ্যৎ—লিবারেল ডেমোক্রেসি থাকবে নাকি উগ্রপন্থী ও রাষ্ট্রবিরোধী মতবাদ জোরদার হবে। আমাদেরকে গণতন্ত্র ও মানুষের কল্যাণের পথ বেছে নিতে হবে।
ফখরুল বলেন, আমাদের চেয়ারম্যান যে আট দফা দিয়েছেন, সেই বার্তাগুলো জনগণের কাছে পৌঁছে দিয়ে নির্বাচনে ধানের শীষকে জয়যুক্ত করতে হবে। এতে আমরা আমাদের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান এবং আমাদের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া-র প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে পারব।
তিনি জিয়াউর রহমানের অবদান তুলে ধরে বলেন, তিনি এক তলাবিহীন রাষ্ট্রকে সম্ভাবনাময় রাষ্ট্রে পরিণত করেছিলেন। গণতন্ত্রকে বুকে নিয়ে বহুদলীয় ব্যবস্থার ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন।
শেখ মুজিবের শাসনকালের চিত্র তুলে ধরে ফখরুল বলেন, ততকালীন সময়ে বিরোধী মত প্রকাশ করা কঠিন ছিল। রক্ষীবাহিনী তাদের নির্মমভাবে নির্যাতন করতো। ইতিহাসের সপক্ষে, আমার বাবা এবং খুলনার কমিউনিস্ট নেতাদের ওপর বর্বরতা চালানো হয়েছিল।
বিএনপি মহাসচিব আরও বলেন, আজ বাংলাদেশের মানুষ জাতীয়তাবাদী ও আধুনিক রাজনীতি গ্রহণের জন্য প্রস্তুত। তবে কিছু উগ্রপন্থী ধর্মের নামে বিভ্রান্তির চেষ্টা করছে। আমাদের নেতা জিয়াউর রহমান সংবিধানে কোরআনের কথাগুলো অন্তর্ভুক্ত করেছিলেন। আমাদের নেতাদের ঐতিহ্য ও বিশ্বাস অনুসরণ করতেই হবে।
মন্তব্য করুন