
পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে বাগেরহাট জেলার মোরেলগঞ্জ উপজেলা, বাগেরহাট-এ গবাদি পশুর হাটগুলোতে এখন উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। এ বছর উপজেলায় প্রায় ৭ হাজার গবাদি পশু গরু, মহিষ, ছাগল ও ভেড়া বিক্রির জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
শুক্রবার আনুষ্ঠানিকভাবে ছোলমবাড়িয়া বালুর মাঠে গবাধি পশুর বিক্রীর হাটে দোয়া অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে আনুষ্টানিক উদ্ধোধন করেন পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি আব্দুল মজিদ জব্বার, এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ছোলমবাড়িয়া বালুর মাঠ পশুরহাটের বাজার পরিচালনা কমিটির সভাপতি নূরুজ্জামান মাতুব্বর, এ হাটের উপদেষ্টা ৮নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম শিকদার, বলইবুনিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি লুৎফর রহমান ফকির, সাবেক কাউন্সিলর জাহাঙ্গীর আলম বাদশা, উপদেষ্ঠা পলাশ শিকদার, প্রানী সম্পদ দপ্তরের কৃত্রিম প্রজনন কর্মী বনষপতি মিত্র, মাঠ কর্মী মহাসিন মাতুব্বর সহ স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ের প্রতিনিধিবৃন্দ।
এ দিকে উপজেলা প্রানী সম্পদ দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, সারা বছরের ন্যায় এ বছরেও পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে এ উপজেলায় ৭ হাজার গবাধি পশু বিক্রীর জন্য খামারী প্রস্তুত রেখেছেন এর মধ্যে ষাড় গরু ২ হাজার ৪৯৪ টি, বলদ গরু ১ হাজার ২৪, গাভী ৭শ’ ২০ এছাড়াও ছাগল ২ হাজার ২০টি, ভেড়া ১শ’ ৬০ টি ও মহিষ ২০টি। এ সব গবাধি পশু উপজেলার ছোলমবাড়িয়ার বালুর মাঠ কালিকাবাড়ী হাট ও গুলিশাখালীর হাট বড় বাজার সহ ছোট বড় ২০টি পশুরহাটে বিক্রী করবেন খামারী সহ বেপারীরা।
ইতিমধ্যে শুকবার থেকেই এ পশুরহাটে বিভিন্ন পত্যন্তগ্রাম থেকে স্থানীয় কৃষকেরা তাদের গরু ছাগল হাটে বিক্রীর জন্য নিয়ে আশা শুরু করেছেন। মুলত ঈদুল আযহ্ া৩/৪ দিন পূর্ব থেকেই জমজমাট হবে পশুরহাট এ বাজারগুলো।
ছোলমবাড়িয়া বালুর মাঠ পশুরহাট বাজারের উদ্বোধনী অনুষ্টানে বাজার কমিটির সভাপতি নূরুজ্জামান মাতুব্বর বলেন , বালুরহাট মাঠ টি ৭/৮ বছর ধরে ব্যাপক লোকসমগম ঘটে স্থানীয় বেপারীরা ছাড়াও অনেক দূর দূরন্ত থেকে এ মাঠে বেপরীরা গরু নিয়া আসে বিক্রীর জন্য। এ পশুর হাটের বৈশিষ্ঠ্য খাজনা কম, ক্রয় বিক্রয়ের বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থাায় পুলিশ, গ্রাম পুলিশ, আনছার সদস্য ও স্বোচ্ছা সেবক টিম সার্বিকভাবে সহযোগীতায় থাকেন । গবাধী পশু অসুস্থ হয়ে পড়লে তার চিকিৎসা ব্যবস্থা এবং ডাক্তারী পরীক্ষা ছাড়া কোন গবাধী পশু বিক্রী হয় না এ হাটে।
এ সম্পর্কে উপজেলা প্রানী সম্পদ কর্মকর্তা ডাক্তার আবু হানিফ বলেন, ঈদুল আযহা উপলক্ষে পশুর হাটগুলোতে বেপারীরা ইতিমধ্যে কেনা বেঁচা শুরু করেছেন। এ বছর ৭ হাজার গবাধী পশু কোরবানীর জন্য বিক্রী হবে। বিশেষ করে বড় পশুর হাট ৩ টি ছাড়াও ছোট বড় বাজারগুলোতে প্রানী সম্পদ দপ্তর থেকে ৪ সদস্য বিশিষ্ট ৩ টি টিম সার্বক্ষনিক মাঠ পর্যায়ে কাজ করবেন। সে ক্ষেত্রে ডাক্তারী পরীক্ষা ছাড়া কোন পশু বিক্রী না করতে পারে সার্বক্ষনিক নজরদারীতে রয়েছে মাঠকর্মীরা।
মন্তব্য করুন