
যশোর শহরের বেসরকারি চিকিৎসাকেন্দ্র জনতা ক্লিনিকে ওষুধের অতিরিক্ত দাম আদায় ও প্রতিবাদ করায় রোগীর স্বজনকে মারধরের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। সোমবার দুপুরে হাসপাতাল প্রাঙ্গণে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে তুমুল উত্তেজনা ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত ১৯ ফেব্রুয়ারি কিডনি জটিলতাসহ বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা নিয়ে হাজেরা বেগম (৬০) ক্লিনিকে ভর্তি হন। তিনি যশোর সদর উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের ফরিদপুর গ্রামের বাসিন্দা। সোমবার ছাড়পত্র নেওয়ার সময় ওষুধের বিল পরিশোধ করতে গিয়ে বিরোধের সূত্রপাত হয়।
হাজেরা বেগমের ছেলে মোস্তাফিজুর রহমান অভিযোগ করেন, হাসপাতালের নিজস্ব ফার্মেসি থেকে নির্দিষ্ট কোম্পানির ওষুধ কিনতে বাধ্য করা হয়। বিল হাতে পেয়ে তারা দেখেন, ওষুধের দাম বাজারমূল্যের তুলনায় অনেক বেশি রাখা হয়েছে। তার দাবি, প্রায় ১০ হাজার টাকার বিল করা হয়েছে, যা সাধারণ বাজারদরের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
তিনি বলেন, ‘অতিরিক্ত দামের বিষয়ে জানতে চাইলে ফার্মেসির দায়িত্বে থাকা জহুরুল ইসলাম বনি ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন এবং আমাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন।’
প্রত্যক্ষদর্শী ও রোগীর আরেক স্বজন মহাসিন আলী জানান, প্রতিবাদ করায় জহুরুল ইসলাম বনি মোস্তাফিজুরকে মারতে উদ্যত হন। একপর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয় এবং ক্লিনিক এলাকায় চরম উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। উপস্থিত লোকজন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
তবে অভিযুক্ত জহুরুল ইসলাম বনি অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘আমি তখন অন্য রোগীর ওষুধ নিয়ে ব্যস্ত ছিলাম। তাদের কিছু সময় অপেক্ষা করতে বলেছিলাম। অতিরিক্ত দাম নেওয়া বা মারধরের চেষ্টা এ ধরনের অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।’
মন্তব্য করুন