
যশোরে কৃষি মন্ত্রণালয়ে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে ৭ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে কৃষি ব্লক সুপারভাইজার স্বপনকর মিত্রের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা হয়েছে। সোমবার (২৭ এপ্রিল) মামলাটি দায়ের করেন কামাল হোসেন নামের এক ব্যক্তি।
কামাল হোসেন যশোর সদর উপজেলার কেফায়েতনগর গ্রামের মৃত আব্দুর রশিদ বাচ্চুর ছেলে। মামলাটি আমলে নিয়ে অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. আছাদুল ইসলাম আসামির বিরুদ্ধে সমন জারির আদেশ দেন।
মামলার আসামি স্বপনকর মিত্র ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার পোড়াহাটি গ্রামের মৃত নারায়ণ মিত্রের ছেলে। বর্তমানে তিনি অভয়নগরে কর্মরত আছেন।
মামলার এজাহারে বলা হয়, স্বপনকর মিত্র একসময় যশোর সদর উপজেলার কাশিমপুর ইউনিয়নের দৌলতদিহি এলাকায় কৃষি ব্লক সুপারভাইজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন। ওই সময়ে কামাল হোসেনের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সেই সম্পর্কের সুযোগ নিয়ে তিনি জানান, কৃষি মন্ত্রণালয়ে তার প্রভাবশালী যোগাযোগ রয়েছে এবং ৭ লাখ টাকা দিলে কামাল হোসেনের ছেলে জিহাদ হোসেনকে অফিস সহকারী পদে চাকরি পাইয়ে দিতে পারবেন।
তার কথায় বিশ্বাস করে ২০২৩ সালের ৫ জানুয়ারি কামাল হোসেন তাকে ৭ লাখ টাকা প্রদান করেন। তখন বলা হয়, ছয় মাসের মধ্যে চাকরি নিশ্চিত করা হবে। কিন্তু নির্ধারিত সময় পার হলেও কোনো চাকরি না পাওয়ায় পরবর্তীতে একই বছরের ২৬ ডিসেম্বর স্বপনকর মিত্র নন-জুডিসিয়াল স্ট্যাম্পে লিখিতভাবে ২০২৪ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারির মধ্যে টাকা ফেরত দেওয়ার অঙ্গীকার করেন।
অভিযোগে আরও বলা হয়, এরপর তিনি অন্যত্র বদলি হয়ে যান এবং অঙ্গীকার অনুযায়ী টাকা ফেরত দেননি। সর্বশেষ গত ১৪ এপ্রিল যশোরে এলে কামাল হোসেন তার কাছে টাকা ফেরত চাইলে তিনি তা দিতে অস্বীকৃতি জানান।
মন্তব্য করুন