
যশোর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের এক নার্সের (পুরুষ) বিরুদ্ধে নারী কেলেঙ্কারির অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত ব্যক্তি হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্মরত বাবুল গুপ্ত, যিনি এলাকায় ‘বাবুল ডাক্তার’ নামে পরিচিত। এক নারীর সঙ্গে তার আপত্তিকর আচরণের একটি ভিডিও গ্রামের কাগজের হাতে এসেছে। ভিডিওটি ঘিরে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
ভিডিওতে দেখা যায়, বিরামপুর এলাকার এক নারী বাড়ির আঙিনায় থালা-বাসন ধুচ্ছিলেন। এ সময় পাশে দাঁড়িয়ে থাকা বাবুল গুপ্ত ওই নারীর শরীরের স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেন। পরে দুজনকে একটি ঘরের ভেতরে প্রবেশ করতে দেখা যায়। ভিডিওটি স্থানীয়দের মধ্যে ছড়িয়ে পড়লে নতুন করে সমালোচনার জন্ম নেয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, হাসপাতালের চাকরির সুবাদে বিভিন্ন অসহায় ও দরিদ্র মানুষ চিকিৎসা সহায়তার জন্য বাবুলের কাছে যেতেন। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে তিনি একাধিক নারীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক গড়ে তুলেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এর আগে কালীতলা ও ব্রিজ এলাকার দুই নারীর সঙ্গে তার সম্পর্ক নিয়ে এলাকায় গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে।
প্রায় দেড় থেকে দুই বছর আগে এক নারীর সঙ্গে তার আরেকটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছিল বলে দাবি স্থানীয়দের। অভিযোগ রয়েছে, ওই নারীর সৎ ছেলে ভিডিওটি ফাঁস করেছিলেন। পরে স্থানীয় একটি রাজনৈতিক মহলকে ম্যানেজ করে ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়া হয়। এমনকি ওই সৎ ছেলেকে ভারতেও পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল বলে এলাকাবাসীর দাবি।
স্থানীয়রা আরও জানান, দুই মাস আগেও এক বন্ধুর স্ত্রীর প্রতি কুনজর দেন বাবুল। নিয়মিত ওই বাড়িতে যাতায়াতের একপর্যায়ে স্থানীয়রা তাকে আটক করে সতর্ক করে ছেড়ে দেন।
তবে সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত বাবুল গুপ্ত। তিনি বলেন, আজ আমার শেষ কর্মদিবস। 'আমার বিরুদ্ধে একটি চক্র পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার চালাচ্ছে। আমি এসব ঘটনার সঙ্গে জড়িত নই।' তবে, ওই ঘটনাটি সত্যি । ২০২২ সালে ঘটেছিলো। যেটি মীমাংসা হয়ে গেছে স্থানীয় ভাবে।
মন্তব্য করুন